প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$C$ अब्र६झछमायडणी কষ্ট পাবে ? এত অবেলায় নেয়ো না, লক্ষ্মীটি। এই ধরনের কথা বলায় রাজলক্ষ্মীর জোড়া কোথাও দেখি নাই। নিজের ইচ্ছাকেই জোর করিয়া পরের স্কন্ধে চাপাইয়া দিবার কটুতাটুকু সে স্নেহের মাধুর্যরসে এমনিই ভরিয়া দিতে পারিত যে, সে জিদের বিরুদ্ধে কাহারও কোন সঙ্কল্পই মাথা তুলিতে পারিত না। এ ব্যাপারটা তুচ্ছ, স্নান না করিলেও আমার চলিয়া যাইবে, কিন্তু চলিয়া যায় ন! এমন ব্যাপারও বহুবার দেখিয়াছি। তাহার ইচ্ছাশক্তিকে অতিক্রম করিয়া চলিবার শক্তি শুধু কেবল আমিই পাই নাই তাহ নয়, কাহাকেও কোনদিনই খুঁজিয়া পাইতে দেখি নাই। আমাকে তুলিয়া দিয়া সে খাবার আনিতে গেল। বলিলাম, তোমার ব্রাহ্মণ-ভোজনের পালাটা আগে শেষ হোক মা ! রাজলক্ষ্মী আশ্চর্য হইয়া কহিল, রক্ষে কর তুমি, সে পালা শেষ হতে যে সন্ধে হয়ে যাবে। গেলই বা । রাজলক্ষ্মী সহাস্যে কহিল, তাহা বটে। ব্রাহ্মণ-ভোজন আমার মাথায় থাক, তার জনো তোমাকে উপোস করালে আমার স্বগের সিড়ি উপরের বদলে একেবারে পাতালে মুখ করে দাঁড়াবে। এই বলিয়া সে আহার্য আনিতে প্রস্থান করিল। অনতিকাল পরে কাছে বসিয়া আজ সে আমাকে যাহা খাওয়াইতে বসিল তাহা রোগার পথা। কর্মবাটীর যাবতীয় গুরুপাক বস্তুর সহিত তাহার সম্বন্ধ ছিল না ; বুঝা গেল, আমার আসার পরেই সে স্বহস্তে প্রস্তুত করিয়াছে। তথাপি আসা পর্যন্ত তাহার আচরণে, তাহার কথা কহার ধরনে এমনই কি একটা অনুভব করিতেছিলাম যাহা শুধুই অপরিচিত নয়, অত্যস্ত নূতন । ইহাই খাওয়ানোর সময়ে একেবারে সুস্পষ্ট হইয়া উঠিল। অথচ কিসে এবং কেমন করিয়া যে সুস্পষ্ট হইল, কেহ জিজ্ঞাসা করিলে আমি অস্পষ্ট করিয়াও বুঝাইতে পারিতাম না। হয়ত এই কথাটাই প্রত্যুত্তরে বলিতাম যে, মানুষের অত্যস্ত ব্যথার অনুভূতি প্রকাশ করিবার ভাষা বোধ হয় আজিও আবিষ্কৃত হয় নাই। রাজ্ঞলক্ষ্মী খাওয়াইতে বসিল, কিন্তু খাওয়া-না-খাওয়া লইয়া তাণের আগেকার দিনের সেই অভ্যস্ত জবরদস্তি ছিল না, ছিল বাকুল অনুনয় । জ্যের নয়, ভিক্ষা। বাহিলের চক্ষে তাহ ধরা পড়ে না, পণ্ডে শুধু মানুষের নিভৃত হৃদয়ের অপলক চোখ-দুটির দৃষ্টিতে । খাওয়া শেষ হইল। রাজলক্ষ্মী কহিল, আমি এখন যাই ? অতিথি-সজ্জন বাহিরে সমবেত হইতেছিলেন, ললিলাম, যাও । আমার উচ্ছিষ্ট পাত্রগুলি হাতে লইয়া সে যখন ধীরে ধীরে ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল, তখন বহুক্ষণ পর্যন্ত আমি অন্যমনে সেইদিকে চাহিয়া নীরবে বসিয়া বহিলাম। মনে হইতে লাগিল, রাজলক্ষ্মীকে যেমনটি রাখিয়া গিয়াছিলাম এই কটা দিম পরে তেমনটি ও অব ফিরিয়া পাইলাম না। আনন্দ বলিয়াছিল, কাল হইতেই দিদির একপ্রকার অনাহারে কাটিয়াছে, আজ জলস্পশ করেম মাই, এবং কাল কত বেলায় যে তাহার উপবাস ভাঙ্গিবে তাহার কিছুমাত্র নিশ্চয়ও নাই । অসম্ভব নয় । চিরদিনই দেখিয়া আসিয়াছি, ধর্মপিপাসু চিত্ত তাহার কোনদিন কেলি কুছু সাধলেই পরাস্তুখ নয় : এখানে আসিয়া অবধি সুনন্দার সাহচর্যে সেই অবিচলিত নিষ্ঠ তাহার নিরস্তুর বাড়িয়াই উঠিতেছিল। আজ্ঞ তাহাকে অল্পক্ষণমাত্রই দেখিবার অবকাশ পাইয়াছি, কিন্তু যে দুঞ্জেয় রহস্যময় পথে সে এই BBBB BBBB B BB BBBS BB BBBS BB BBBB BBBB BBB BBB BB বড়ই হোক আর তাহার নাগাল পাইবে না। কিন্তু আমি ? আমি যে ৬াহাব পথের মাঝখানে উগুল্প গিরিশ্রেণীর মত সমস্ত অবরোধ করিয়া আছি ! BBBB BBBS BBBBB BBBB BBB BB BBB BBB BBB BB BB DD BBBS BB BBBS BBDD BBBB BBB BBB BB BBBS BB TMBB BDD GBB BBB BBBBBS BB BB BBBS BBBBS BBBB BBBS BBBBS BBB BBB BB BB হয়েচে, এত রাত হ’ল যে ? রাজলক্ষ্মী প্রথমে চমকিত হইল, পরে হাসিয়া কহিল, আ আমার কপাল! আমি ভয়ে গুয়ে আসচি পাছে তোমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে দিই। এখনো জেগে আছ ঘুমেও নি যে বড় ? তোমার আশাতেই জেগে