পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


♚कनख-कृ®न्न अद &6? রছিল ; স্টেশনের পর স্টেশন গেল, কোন কাজে কিছুমাত্র সাহায্য করিল না। কিন্তু আমি ভাবিতেছিলাম সম্পূর্ণ অন্য কথা। স্থানটা জানা কি অজানা, ভাল কি মন্দ, স্বাস্থ্যকর কিংবা ম্যালেরিয়ায় ভরা, সেদিকে আমার খেয়ালই ছিল না ; আমি ভাবিতেছিলাম, যদিচ জীবনটা আমার এতদিন নিরুপদ্রবে কাটে নাই, ইহার মধ্যে অনেক গলদ, অনেক ভুলচক, অনেক দুঃখ-দৈন্যই গিয়াছে, তবুও সে-সব আমার অত্যন্ত পরিচিত । এই দীর্ঘ দিনে তাহদের সহিত মোকাবিলা ত বটেই, বরঞ্চ এক প্রকারের স্নেহই জন্সিয়া গেছে। তাহদের জন্য আমিও কাহাকে দোষ দিই না, আমাকেও আর বড় কেহ দোষ দিয়া সময় নষ্ট করে না। কিন্তু এই যে কোথায় কি-একটা নূতনত্বের মধ্যে নিশ্চিত চলিয়াছি, এই নিশ্চয়তাই আমাকে বিকল করিয়াছে। আজ নয় কাল বলিয়া আর দেরি করিবার রাস্তা নাই। অথচ ইহার না জ্ঞানি ভাল, না জানি মন্দ। তাই ইহার ভাল মল্প কোনটাই আজ আর কোনমতেই ভাল লাগে না। গাড়ি যতই দ্রুতবেগে গন্তব্য স্থানের নিকটবতী হইতে চলিয়াছে ততই এই অজ্ঞাত রহস্যের বোঝা আমার বুকের উপর চাপিয়া বসিতেছে, কত কি যে মনে হইতে লাগিল তাহার অবধি নাই। মনে হইল, অচির ভবিষ্যতে হয়ত আমাকেই কেন্দ্র করিয়া একটা বিশ্রী দল গড়িয়া উঠিবে, তাহাদের না পারিব লইতে, না পারিব ফেলিতে। তখন কি যে হইবে, আর কি যে হইবে না, ভাবিতেও সমস্ত মনটা যেন হিম হইয়া উঠিল। চাহিয়া দেখিলাম, রাজলক্ষ্মী জানালার বাহিরে দুচক্ষু মেলিয়া নীরবে বসিয়া আছে। সহসা মনে হইল, ইহাকে আমি কোনদিন ভালবাসি নাই। তবু ইহাকেই আমার ভালবাসিতেই হইবে ; কোথাও কোনদিয়ে বাহির হইবার পথ নাই। পৃথিবীতে এত বড় বিড়ম্বনা কি কখনো কাহারো ভাগ্যে ঘটিয়াছে! অথচ একট দল পূর্বেও এই দ্বিধায় তাকল হইতে আত্মরক্ষা করিতে নিজেকে সম্পূর্ণ-রূপে উহারই হস্তে আত্মসমপণ করিয়ছিলাম। তখন মনে মনে সবলে বলিয়াছিলাম, তোমার সকল ভাল-মন্দের সঙ্গেই তোমাকে নিলাম লক্ষ্মী। অথচ আজ আমার মন এমন বিক্ষিপ্ত, এমন বিদ্রোহী হইয়া উঠিল । তাই ভাবি, সংসার করিব বলায় এবং সত্যকার করায় কত বড়ই না ব্যবধান ! তিন সাঁইথিয়া স্টেশনে আসিয়া যখন পৌছান গেল তখন বেলা পড়িয়া আসিতেছে। রাজলক্ষ্মীর গোমস্ত কাশীরাম স্বয়ং স্টেশনে আসিতে পারেন নাই—সেদিকের ব্যবস্থা করিতে নিযুক্ত আছেন, কিন্তু জন-দুই লোক পাঠাইয়া পত্ৰ দিয়াছেন। তাহার রোকায় অবগত হওয়া গেল যে, ঈশ্বরেচ্ছায় অত্র অর্থাৎ তিনি এবং তাহার গঙ্গামাটির সমস্ত কুশল । আদেশমত বহিরে x :চারেক গো-যান অপেক্ষা করিতেছে—তাহার দুইখানি খোলা এবং দুইখানি ছই-দেওয়া। একখানি পুরু করিয়া খড়, আর খেজুরপাতার চাটাই বিছান-সেখানি স্বয়ং কীঠাকুরানীর। অপরখানিতে সামানা কিছু খড় আছে বটে, কিন্তু চাটাই নাই। সেখানি ভূতাদি অনুচরগণের জন্য। খোল, দুইখানিতে মালপত্র বোঝাই হইবে। এবং যদ্যপি স্থান সঙ্কলন না হয় ত পাইকদিগকে কুম করিলে বাজার হইতে আরও একটা যোগাড় করিয়া আনিবে। তিনি আরও জানাইয়াছেন যে, আহারাদি সমাপনপূর্বক সন্ধার প্রাঞ্চলে যাত্র করাই বিধেয়। কারণ অনাথা কত্রীঠাকুরানীর সুনিপ্রায় ব্যাঘাত ঘটিতে পারে। এবং এ বিষয়ে সবিশেষ জ্ঞাত করাইতেছেন যে, পথে ভয়াদি কিছু নাই—স্বচ্ছদে নিদ্র যাইতে পারেন। কীঠাকুরানী রোক পাঠ করিয়া ঈষৎ হাসা করিলেন মাত্র, এবং যে ইহা দিল তহকে ভয়াদির কোন প্রশ্ন না করিয়া কেবল প্রশ্ন করিলেন. ই বাবা, কাছাকাছি এক ন : টুকুর আছে দেখিয়ে দিতে পার, একটা ডুব দিয়ে আসি * রতনকে সঙ্গে লইয়া কোথাকার তা হলে চল ত বাবা দেখিয়ে দেবে ; বলিয়া সে তাহাকে এবং কোন অজানা পুকুরে মানাহিক করিতে চলিয়া গেল। অসুখ প্রভৃতির ভয় দেখান নিরর্থক বলিয়া আমি প্রতিবাদও করিলাম না। বিশেষতঃ ইহাতেই যদি বা সে কিছু খায়, বাধা দিলে সেটাও তাহার আজিকার मछ बक इंहम्ना यैरव।