পাতা:শ্রীমদ্‌ভগবদ্‌গীতা-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


هاره বিজ্ঞাপনে দেখিলাম, তাঁহাতে শঙ্করভায্যের অনুবাদ থাকিবে । ইহা বাঙ্গালী পাঠকের বিশুেষ সৌভাগ্যের বিষয়। ঐযুক্ত বাবু শ্ৰীকৃষ্ণ প্রসন্ন দ্বিতীয় প্রথা অবলম্বন করিয়াছেন । তিনি নিজকৃত অনুবাদের সহিত “গীতাসন্দীপনী” নামে একখানি বাঙ্গালী টীকা প্রকাশ করিতেছেন । ইহা মুখের বিষয় যে “গীতাসন্দীপনীতে” গীতার মৰ্ম্ম পুৰ্ব্ব পণ্ডিতেরা যেরূপ বুঝিয়াছিলেন, সেইরূপ বুঝান হইতেছে। বাঙ্গালী পাঠকেরা শ্ৰীকৃষ্ণপ্রসন্ন বাবুর নিকট তজ্জন্ত কৃতজ্ঞ হইবেন সন্দেহ নাই । এই সকল অনুবাদ বা টীকা থাকিতেও, মাদৃশ ব্যক্তির অভিনব অনুবাদ ও টীকা প্রকাশে প্রবৃত্ত হওয়া বৃথা পরিশ্রম বলিয়া গণিত হইতে পারে। কিন্তু ইহার যথার্থ প্রয়োজন না থাকিলে, আমি এই গুরুতর কাৰ্য্যে হস্তক্ষেপ করিতাম না। সে প্রয়োজন কি তাহা বুঝাইতেছি । এখনকার পাঠকদিগের মধ্যে প্রায় অধিকাংশই “শিক্ষিত”সম্প্রদায়ভুক্ত। যাহারা পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত, তাহাদিগকেই সচরাচর “শিক্ষিত” বলা হইয়া থাকে ; আমি প্রচলিত প্রথার বশবৰ্ত্তী হইয়াই তদৰ্থে “শিক্ষিত” শব্দ ব্যবহার করিতেছি। কাহারও শিক্ষা বেশী কাহারও শিক্ষা কম, কিন্তু কম হউক, বেশী হউক, এখনকার পাঠক অধিকাংশই “শিক্ষিত” সম্প্রদায়ভুক্ত, ইহা আমার জানা আছে। এখন গোলযোগের কথা এই যে, এই শিক্ষিত সম্প্রদায় প্রাচীন পণ্ডিতদিগের উক্তি সহজে বুঝিতে পারেন না । বাঙ্গালায় অনুবাদ করিয়া দিলেও তাহ বুঝিতে পারেন না। যেমন টােলের পণ্ডিতের, পাশ্চাত্যদিগের উক্তির অনুবাদ দেখিয়াও সহজে বুঝিতে পারেন না, যাহার