পাতা:সদগুণ ও বীর্য্যের ইতিহাস.djvu/১৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৭৫ ] তিনি পণ্ডিতেরদের মধ্যে চূড়ামণি ছিলেন। এক জন যুব এক দিবস তাহাকে ইহা জিজ্ঞাসা করিল যে হে মহাশয় যাহারদের ধনের প্রাচুর্য্য আছে তাহারা কি নিমিত্তে অধিক ধনাকাজু করে । অ পর তিনি অতিধনি এক মহাজনের প্রমাণ দিলেন যে তাহার অর্থের শেষ নাই তথাপি এক কপদ কো না থাকিলে যেরূপ ধনাভিলাষী হয় সেরূপ এ থনে আছে। ফুস্কলিন তাহাকে কিছু উত্তর না দিয়া এক চুপড়িহইতে এক ফল নামাইয়ণ তৎ সমীপস্থ এক বালককে দিলেন । ফল এইমত বৃহৎ যে ঐ বালকের হস্তে তাহ প্রায় ধরে না। অ পর তিনি তাহাকে অন্য এক ফল দান করিলেন তাহাতে অন্য হস্ত পরিপূর্ণ হইল। অপরঞ্চ ভূতা য়তঃ অতিবৃহৎ এক ফল চুপড়িহইতে বাচিয়। শিশুকে দিলেন বালক তিনটি ফল গ্রহণ করিতে অ নেক যত্ন করিল কিন্তু তাহার উদ্যোগ নিয়ুল হওয়াতে সে তৃতীয় ফল মেজিয়ার উপরে ফেলি য় দিয়া ক্ৰন্দন করিতে লাগিল। ফুস্কলিন তৎ ক্ষণাৎ আলপন মিত্রের প্রতি ফিরিয়া কহিলেন যে দেখ এই এক ক্ষুদ্র মানুষ যে ধন ভোগ করিতে ন৷ পারে সেই ধনের অভিলাষী । ৭৪ অত্যন্ত লোভের প্রতিফল । এক জন কৃষক ফুন্সিদেশের এক রাজাকে বৃহৎ