প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিক্ত সিঁথি দুরন্ত শ্রাবণ.pdf/৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রিজার্ভ-ফরেষ্ট অরণ্য,—যদিও নেই হলুদ ডোরায় আঁকা বিসর্পিত আগুনের ফণা ; লতার আড়ালে বঙ্গ বৃক্ষমূলে রচিত ঝর্ণায় কান পেতেও শোনা যায় না পলাতক হরিণীর শ্বাস, শিঙের জটিল জালে কোনো দ্বিধা দ্যাখেনি, বা চমৎকার কোনো সর্বনাশ । রক্ষিত কাননে শুধু কয়েকটি সুললিত পাখী নিশ্চিন্ত আরামে ওড়ে—যার যতটুকু মেঘ যেটুকু দ্রাঘিমা, এবং হরিণ ও চিতা প্রত্যেকেই নিজ নিজ সীম মেনে নেয়, ঘাস খায়-অন্তরঙ্গ প্রত্যেকে কথকী। তবুও এক এক দিন ঝড় আসে, কিম্বা কোনো দর্শনাভিলাষী ; সে-মুহূর্তে সমস্ত মুখোস-ই মুখ থেকে ছিটুকে যায় : রক্তে ওঠে পিতার গর্জন, সন্ত্রান্ত অরণ্য ছেড়ে, বন-উপবন উড়াল খুরের বড়ে তুলে ওঠে বিশাল আঁধার প্রখর নখের ঘায়ে বৃক্ষমূলে লুটোয় চীংকার। বিমুগ্ধ দর্শক কেউ কেউ হয়ত নিহিতার্থ বোঝে, রক্ষিত অরণ্যে কার কতটুকু বাধা অভিনয় মুখস্ত, তবুও তার এইটুকু বঞ্চিত সময় হয়ত বা ডুবে যায় রক্তে, কিম্বা বিশুদ্ধ সবুজে। তেত্রিশ