প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিমার - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/১২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ফিকিরি । তোমার ফিকির কেউ ধরতে পারত না, মনে করা ? আমার আর হাজীর স্নেহ তোমায় খােল কাটতে সুযোগ দিয়েছে। তার প্রতিদান দিলে এইরকম । ছিঃ छेि3, अव0ऊ8 0धमां श्म ! -আহ মা ! তুমি এসব কী বলছ ? চুপ করো। আমি আর সইতে পারছিলাম না। মা কিন্তু থামতে চাইলেন না । বললেন-ঠিকই বলছি, মিনু । ওই ছেলে সব সর্বনাশের মূল। কত ঘরের বউয়ের চােখের পানি ঝরিয়েছে আমি জানি না ? ছেলেবেলা থেকে ওর সব ইতিহাস মুখস্ত । বরাবর ওর বিয়ে-হওয়া মেয়েদের দিকে লোভ । একবার বড়ো বাড়ির ছোটো বউকে নিয়ে ছেলেবেলায় কী কেলেঙকরি না করেছে। আমিই সব নিরস্ত করেছি। এবারও শিরিনকে তোমায় ফেরত দিতে হবে । মেয়েদের চোখে যত পানি ফেলেছি। তুমি, সব একদিন ওই দুইচোখ দিয়ে ঝরাতে হবে । কেন, তুমি একটা কুমারী মেয়েকে প্রেম করতে পার না ? সেটা বুঝি রোচে না তোমার ? চরিত্রহীন ছেলে ! সাদিকুল আস্তে-আস্তে উঠে দাঁড়ালেন । মাকে কোনো কথা না বলে আমার হাত ধরে টানলেন । বললেন-আয় । আয় মিনু । তোর সামনেই কথা হবে। মামার গলা কাঁপিছিল । --না। না। সে কী ! আমি অস্ফুট গলায় মায়ের চােখে চাইলাম। মায়ের চোখে সন্ধ্যার আলো পড়ে চকচক করছিল। মা চোখের ইশারায় সাদিকুলের সাথে যেতে বললেন । মামা এক বািটকায় আমায় রাস্তায় টেনে এনে ফেললেন । রিকশা করলেন দ্রুত । উঠে পড়লাম। প্রায় বিশ মিনিট পর একটি গলিতে রিকশা। ঢুকল। আমি চিনতে পারলাম, বাড়িটা আমাদেরই, মাড়োয়ারি পরিবার থাকত । দোতলায় উঠে। কলিং বেল টিপলেন মামা । শিরিন ঘর থেকে সাড়া দিলেন-এসো। এতক্ষণে সময় হল বুঝি ! তুমি কিন্তু নিজেই দুখানা টিকিট করেছিলে, ছবিখনা মন্দ ছিল না । এলে না দেখে সিনেমার কথা বলছিলেন শিরিন । কথা থেমে গেল। আমরা ঘরে ঢুকে পড়েছি। আমায় দেখে ভুত দেখার ভয় । মুখ শুকিয়ে গেল। অস্ফুট বললেন-তুমি এসেছ ! রিকশায় কোন কথা বলেন নি মামা। চুপচাপ গভীর ছিলেন । শিরিন একখানা শাড়ি ভাঁজ করছিলেন । সেটা আলনায় রেখে বাথরুমের দিকে চলে গেলেন । বুঝলাম, আমায় দেখে খুশি হননি। মামা একটি চেয়ারে বসে আমায় খাটে বসবার ইঙ্গিত করলেন । তারপর বললেন-দেখো মিনু, প্রবলেমটা আমাদের সবার । তুমিও কথা বলবে । মানে কনভিনস করবে। তবে তুমি বিশ্বাস করতে পাের, আমি তোমার খালামার কোনো ক্ষতি করিনি। ও নিজেই এই বাড়িতে এসেছে। আমি ওরা দুটি অল্পের ব্যবস্থার জন্য হােমে অঙ্কের à 89