প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিমার - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/১৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হবে । লড়তে নেমেছ, কোমর সিধে করে থাকে । মামলায় কী হয় দেখে, একটা যা হােক স্থির করব। কিন্তু তার আগেই এই বস্তি ছেড়ে ঐ বাড়িতে যেতে হবে। আমরা দাঁড়াব না । সাদিককে বলবে, আমরা এসেছিলাম। কী মিনু, তোমার কোনো কথা নেই ? DDDYSSiSD SSS D LLYS মাসি আমার খুব কাছে এগিয়ে এসে ঘনিষ্ঠ হয়ে শুধালেন-তুমি সত্যিই কিছু বলবে না, মিনু ? বললাম-তোমায় মা খুঁজছে খালামা । মায়ের বড়ো কষ্ট । শিরিন এই কথা শুনেই দ্রুত ভাঙা ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে ভেতর থেকে শেকল তুলে দিলেন । কুন্তল কতবার ডাকলেন । মাসি সাড়া দিলেন না । মাসি একদম ছেলেমানুষ । এত শাস্তা অভিমান কোথাও দেখিনি । বাড়ি ফিরতেই মা বারবার আমার আশেপাশে ঘুরতে লাগলেন । শুধালেন-তোর খালা-মায়ের সাথে দেখা হয়েছিল ? সাদিক কেমন আছে ? কথা বলছিস না কেন ? আমি চুপ করে আছি দেখে বললেন-তুমিও আমাকে বিশ্বাস কর না বুঝি ? আমি কি সবখানিই খারাপ, মা ? এই বুক কি এতই পাষাণ ? তবু চুপ করে আছি দেখে বলে উঠলেন-পেটের মেয়ের কাছেও আজ আমি ছোটো হয়ে গেছি। হায় খুদা ! সব আমার পর হয়ে গেল । বললাম-কোর্টে সবার সাথেই দেখা হবে । এখন খুঁজে কী করবে ? আমি एकान्मा काgछ gिश्नछिल्लाभ । e 31 আজ কোর্টে মায়ের সাক্ষী হয়ে গেল । মাকে সাথে করে আমি আদালতে নিয়ে গিয়েছিলাম। মা আদালতে দাঁড়িয়ে কোরান হাতে শপথ করলেন, যা বলবেন, সত্য বলবেন, সত্য বই মিথ্যে বলবেন না । এই কোরান হাতে ছুয়ে বাবা লীগের লোকেদের সামনে কসম খেয়ে বলেছেন, শিরিনকে উনি ত্যাগ করেননি । দুনিয়ার কাকপক্ষী তালাক শব্দটি তাঁর মুখে উচ্চারিত হতে শোনেনি। অতএব স্বামী যখন কসম খেয়ে সব অস্বীকার করেছেন, সেখানে স্ত্রী কোন পাপের ভয় করবেন । মা আদ্যোপােন্ত সব ঘটনা স্বীকার করলেন, শুধু বললেন, হাজী সাহেব তালাক দিলেও আমি শুনিনি, আমি সে সময় ঘুমিয়ে ছিলাম।-- শিরিন খালামাকে আদালত উকিলের মুখে প্রশ্ন করেছিলেন-হাজীসাহেব v6