প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিমার - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললেন-মনে রেখো তুমি মুসলমান । মুসলমানের ইমান খুব কড়া । তুমি সিমার নও । তুমি ঈশা । আজ তোমার পরীক্ষার রাত। মুসলমানকে এক যুদ্ধ করতে হয়। চলো । তোমাবা দু’জনে ঘরে b(ii দু’জনই ঘরে ঢুকে যায় । দরজা বাইরে থেকে ভেজিয়ে দিয়ে চৌকাঠের গোড়ায় একখানা চেয়ার টেনে এনে প্রহরীর মতন বসে পড়েন গিয়াসজী । এত দিনের মন-মরা মানুষটি যেন সহসা তাজা হয়ে উঠেছেন । বলেন-আমি কথা বললে প্রতিটি কথার জবাব দেবে ঈশা । দেরি করবে না । ঈশা জবাব দেয়-জী ! খুব নম্র উত্তর । সেই স্বর দূরবতী বাইরের মানুষ শুনতে পুীয় না । এরপাব ধীরে ধীরে ভিড় পাতলা হতে থাকে । সবাই বুঝতে পারছিল, ঐভাবে লোকটি সারারাত পাহারা দেবে । অতএব আড়ি পেতে ঘটনা শোনা বা দেখা যাবে না । পুরো রসটা বেহেড মৌলবী মাঠে মারলেন । চলে যেতে থাকে লোকজন। দু’একজন তখনো অতি উৎসাহী লোভী ছেলেমেয়ে ঘুরঘুর করে। গিয়াসজী তাদের কড়া করে বলেন-যা দেখবার শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন ওরা ঘুম যাচ্ছে । যাও । চলে যাও । অগত্যা তারাও বিদায় নেয় । কেবল বৈঠক থেকে একটু দূরে বিচ্ছিন্ন বাড়ির জানালায় দুটি চোখ জেগে থাকে। নাদিরা ফুপু। তিনি গিয়াসজীর মতন একজন মুসলমানকে দেখছেন । ঘুমুতে পারছেন না । রাত্রি বেড়ে চলে । গিয়াসজী ভেতরের দিকে প্রশ্ন করেন---তোমার কি কষ্ট হয় ঈশা ? ঈশ উত্তর দিতে দেরি করে । একটু উষ্ণতা মেশানো গলায় গিয়াসজী ফের শুদ্ধান-কষ্ট হয় ? উত্তর আসে-জী না ! কিন্তু চাচা ! সুখবাস আমার বোনকে এইধারা রাত্তিরে মুখে কাপড় গুজে মেরেছে। -হ্যাঁ। কিন্তু তুমি মদিনাকে স্পর্শও করবে না। প্রমাণ করবে তুমি আমার রক্তের পুত্তলি, তুমি ইসলামের সেবক । খাদেম। তুমি সিমার নাও । দুর্বল অসহায় যে তার দেহে আঘাত কোরো না । এক ফোঁটা রক্ত যেন না করে ! বলতে বলতে হাউ হাউ করে বৃদ্ধ ডুকরে উঠলেন । তারপর কান্না ভেজা গলায় (७क Gप्न-भों छोंक्षा ! भी (शों ! ঠিক এইসময় ভিতরের দৃশ্যপট অন্যরকম। ঈশা মদিনার দিকে খুব ঘনিষ্ঠ ভাবে এগিয়ে এসেছিল। গায়ের কাপড় টান দিয়ে খুলে ফেলেছিল। মদিনা কিছু বলেনি। মুখ তার শুকিয়ে গিয়েছে। কণ্ঠে কথা ফুটতে চাইছে না। সহসা সে দ্রুত অসহায় হয়ে কেমন যেন উত্তর দেয়-জী ! আব্বা ! আমি এই তো ! Se