প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:সিমার - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পেলে আমি জীবনভর বর্তে যেতাম, তাকে তুই পেযেছিস, কেন তবে দুঃখ তোর ? তুই কি আমাকে বিশ্বাস করতে ভয় পাস ? সপ্তর দে, চুপ করে থাকিস (୩) ! মনের ছায়াকে এই সব কথা শুনিয়ে উত্তর মেলে না ; রক্তমাংসের হামিদুল হলে নিশ্চয়ই আমাকে বিশ্বাস করত ! ছায়া কখনো মানুষক্ষে বিশ্বাস করে না । আমার দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কান্না পেতে লাগল। এই যে মনের আবর্ত, ঘোর বিমূঢ়তা, বুকে পিনফোটানো আর্ত আকুল কান্না, এর কোনো সাক্ষী নেই । রাবেয়াকে কি কোনো কথা বলা যায় এখন ? সে আমাকে ভুল বুঝবে না তো ? বাড়িতে ঢুকতেই আমার চোখ মুখের অপ্রকৃতিস্থ অবস্থা দেখে শিউরে গোল রাবেয়া । কী হয়েছে আমার ? জানতে চাইল । দ্রুত হাতপাখার বাতাস দিতে লাগল । এই হালে পড়ে প্রচণ্ড অস্বস্তি হতে লাগিল । বার বার প্রশ্ন করে, কী হয়েছে তোমার, বলবে না ? কোথায় ছিলে এতক্ষণ, কেউ কিছু বলেছে তোমাকে ? কেন তুমি ওদের সাথে কথা-কাটাকাটি করতে গেলে ? গম্ভীর হয়ে বললাম, আমি কারো সাথে কথা-কাটাকাটি করিনি । --দরকারই বা কি ! আর মাত্ৰ ক-টা দিন । এই দিনগুলো ভালোয় ভালোয় GRIS Vf8 || -আচ্ছা ! খতিব এসেছিল, দুপুর বেলা ! -- ( ! --দেখে রাবেয়া, আমার কাছে কোনো কিছু গোপন করো না । -কী বলছি তুমি মামুন ! কী হয়েছে, আমাকে খুলে বলে । খতিব কেন আসবে ? —আসে নি ? - ? ORآس -उाव केि ? --কিছু না ! কোনো কথা জানতে চেও না । --বেশ। জানিব না । আগে একটু স্থির হও তুমি ।একটা দিন একটু ভালো থাকো । --ভালো থাকব কি ? তোমাকে এখন আমি তালাক দিচ্ছি। রাবেয়া । দুই মাসের দুই তালাক এক সাথে দিচ্ছি। তালাক । তালাক ৷ হলো তো ! --বেশ হয়েছে । তালাক হলো । আর এক তালাক তোমার হাতে রইল । ওটাও দেবে সময় মতো । br>