পাতা:সিরাজদ্দৌলা - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/১৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৩৮
সিরাজদ্দৌলা।

সিরাজদ্দৌলা অসন্তুষ্ট হন, তজ্জন্য সাবধান হইবার উপদেশ দিয়া তাড়া- তাড়ি ওয়াট্‌স সাহেবকে পত্র লেখা হইল।

 সকল কথা একত্র সমালোচনা করিতে গেলে কাহারও সহিত কাহারও ঐক্য হয় না। যদি উমাচরণের কুটিল-কৌশল বলিয়াই ধারণা হইয়াছিল, তবে আবার ওয়াট্‌স সাহেবকে সাবধান হইবার জন্য পত্র লেখা হইল কেন? ঘসেটি বেগমের সিংহাসনলাভের আশা নির্ম্মূল হইয়াছে কি না, সে কথারই বা বিচার করিবার প্রয়োজন হইল কেন? দেখিয়া শুনিয়া মনে হয় যে, ইংরাজেরা উত্তরকালে দোষক্ষালনের জন্য যে সকল কুটিল কৈফিয়তের অবতারণা করিয়া গিয়াছেন, কাৰ্যকালে তাহার প্রতি কেহই আস্থা স্থাপন করেন নাই;—রাজবল্লভকে ও হাতছাড়া করা হইবে না, সিরাজদ্দৌলাকেও উত্তেজিত করা হইবে না, — বোধ হয়, ইহাই তাঁহাদিগের মূলমন্ত্র হইয়া উঠিয়াছিল।

 সিরাজদ্দৌলার নিকট এই অযাচিত অপমানের সংবাদ উপস্থিত হইবামাত্র, ইংরাজ প্রতিনিধি ওয়াটস্ সাহেব একজন উকীল লইয়া দরবারে উপনীত হইলেন, এবং উকীলের মুখ দিয়া পূর্ব্বশিক্ষিত সুললিত

alarm them, and restore his own importance; and as the last ad- rices received from Kashimbasar described the event between Shirajudoula and the widow of Nowagis to be dubious, the Council resolved that both the messenger and his letter were too suspicious to be received, and the servants, who were ordered to bid hiſ departeluined him out of the Factory and off the shore with in- molence and derision; but letters were despatched to Mr. Watts instructing him to guard against any evil consequences from this proceeding. Orme, Vol. II. 54.