পাতা:সিরাজদ্দৌলা - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়.pdf/৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৪১
বাঢ়ের যুদ্ধ।

 এইখানে আসিয়া এক গুপ্তচর ধরা পড়িল। তাহার বস্ত্রাভ্যন্তয়ে একখানি পত্র বাহির হইল। সেই পত্রে বিশ্বাসঘাতক আতাউল্লা আফগানদিগকে মনের কথা খুলিয়া লিখিয়াছেন! সুযোগ পাইলে তিনিও যে বিদ্ৰোহিদলে যোগদান করিবেন, তাহার প্রস্তাব করিয়াছেন। সিরাজদ্দৌলা এই বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় পাইয়া একেবারে ক্রোধো- স্মত্ত হইয়া উঠিলেন। বহুদশী, বৃদ্ধ নাবাব আশু তাহার কোনরূপ প্রতিকার না করিয়া, কন্যার বন্ধনমোচন করিবার জন্যই অগ্রসর হইতে লাগিলেন। দ্বারভাঙ্গা প্রদেশের যে সকল হিন্দু জমীদার আফগানদিগের অত্যাচারে জর্জ্জরিত হইতেছিলেন, তাঁহারা মুঙ্গেরে আসিয়া আলিবর্দ্দীর সঙ্গে মিলিত বর্দী সংবাদ শনিকীরাম বঙ্গীয় দক্ষিণরাঢ়ী কায়স্থ। ইনি বাঙ্গ স্থানে শিবি য়নি হইয়া আলিবর্দীর নায়েবী আমলে পাটায় গম জিম হইয়া আলিবর্দী খাঁ ইহাকে প্রথমতঃ দেওয়ান ই তা ক বিভাগের প্রধান মন্ত্রিত্বপদে নিযুক্ত করে: দুর্দান্ত “কটকের আক্রমণে বিতাড়িত আলিবর্দীর টকহইতে। সময়, ইনি নবাবের সমভিব্যাহারে ছিলেন। পরে স্বকীয় অর্থদ্বারা নবাবের সৈন্যসংগ্রহাদি কার্য্যের সহায়তা করে পক্ষে ইনিই প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। সম্পূর্ণ বিশ্বাসভাজন বলি; সেনাপতি ভাস্কর পণ্ডিতের প্রাণবধের কল্পনা প্রধান স্তাফা খাঁ ভিন্ন কেবল ইহারই নিকট পূর্বে প্রকাশিত

  • * * অতঃপর রাজা জানকীরামের প্রভুত্ব এই

ইয়াছিল যে, নবাবের ভ্রাতুষ্পত্রেরাও কোনও বিষয়ে দরবা ইলে মন্ত্রি বরের সাহায্য প্রার্থনা করিতেন। পাটনার ডেপু