প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:হরিলক্ষ্মী.djvu/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্রান্ত। তবুও আজ সে কাজের সন্ধানে বাহির হইয়াছিল, কিন্তু এই প্রচণ্ড রৌদ্র কেবল তাহার মাথার উপর দিয়া গিয়াছে, আর কোন ফল হয় নাই। ক্ষুধায় পিপাসায় ও ক্লান্তিতে সে প্রায় অন্ধকার দেখিতেছিল, প্রাঙ্গণে দাঁড়াইয়া ডাক দিল, আমিনা, ভাত হয়েছে রে?
মেয়ে ঘর হইতে আস্তে আস্তে বাহির হইয়া নিরুত্ত্রে খুঁটি ধরিয়া দাঁড়াইল।
জবাব না পাইয়া গফুর চেঁচাইয়া কহিল, হয়েছে ভাত? কি বললি - হয় নি? কেন শুনি?
চাল নেই বাবা।
চাল নেই? সকালে আমাকে বলিস নি কেন?
তোমাকে রাত্তিরে যে বলেছিলুম।
গফুর মুখ ভ্যাঙাইয়া কণ্ঠস্বর অনুকর করিয়া কহিল, রাত্তিরে যে বলেছিলুম! রাত্তিরে বললে কারু মনে থাকে? নিজের কর্কশকণ্ঠে ক্রোধ তাহার দ্বিগুণ বাড়িয়া গেল। মুখ অধিকতর বিকৃত করিয়া বলিয়া উঠিল, চাল থাকবে কি করে? রোগা বাপ খাক আর না খাক, বুড়োমেয়ে চারবার পাঁচবার করে ভাত গিলবি! এবার থেকে চাল আমি কুলুপ বন্ধ করে