এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


________________

অক্ষপাদ অংশ গ্রহণ করেন এবং পিণ্ডারী সর্দার আমির খানের সহিত এক আপস-মীমাংসা করিতে সক্ষম হন। ভরতপুররাজের বিরুদ্ধে দুর্জনশালের বিদ্রোহের সময় তিনি রাজার সমর্থনে যে ব্যবস্থা অবলম্বন করেন উহা তদানীন্তন গভর্নরজেনারেল লর্ড অ্যামহাষ্ট অনুমােদন না করায় তিনি | পদত্যাগ করেন এবং অল্পকাল পরে ভগ্ন হৃদয়ে ১৮২৫ খ্রী ১৫ জুলাই মৃত্যুমুখে পতিত হন। তাঁহার স্মৃতিরক্ষার্থ কলিকাতার ময়দানে এক বৃহৎ স্তম্ভ ( অক্টার্লোনি মনুমেন্ট) নির্মিত হইয়াছিল। | সৌরীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য | অশ্রুর বৃষ্ণি বংশীয় কৃষ্ণের ভক্ত ও জ্ঞাতিসম্পর্কে পিতৃব্য। কোনও কোনও পুরাণ অনুযায়ী কৃষ্ণবিরােধী। পিতা শফলক ; মাতা গান্ধিনী। কৃষ্ণকে মথুরায় আনয়নের জন্য বিশ্বস্ত দূত হিসাবে ইনি কংস কর্তৃক নালয়ে প্রেরিত হইয়াছিলেন। পাণ্ডবদিগের প্রতি ধৃতরাষ্ট্রের মনােভাব জানিবার জন্য কৃষ্ণের অনুরােধে ইনি হস্তিনায়ও গিয়াছিলেন। বৃষ্ণি বংশীয় পঞ্চবীরের অর্চনাবিধি প্রবর্তনকালে ইনি পঞ্চবীরের অন্যতম ছিলেন বলিয়া কেহ কেহ মনে করেন। ইনি প্রথম জীবনে মথুরায় এবং শেষ জীবনে দ্বারকায় অবস্থান করেন। তার প্রসন্ন ভট্টাচার্য অক্ষক্রীড়া পাশাখেলা। দূতক্রীড়া বা জুয়া খেলাও এই নামে পরিচিত ছিল। মনে হয়, কেহ কেহ ইহা দ্বারা দাবা খেলাও বুঝিয়াছেন। কোজাগর পূর্ণিমার রাত্রিতে অক্ষদ্বারা জাগরণের যে বিধান আছে তাহার ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে রঘুনন্দন তঁাহার তীর্থতত্ত্বে চতুরঙ্গ বা দাবাখেলার বিবরণ উদ্ধৃত করিয়াছেন। কোজাগর পূর্ণিমায় অক্ষক্রীড়ার ব্যবস্থা থাকিলেও সাধারণতঃ ইহা নিন্দনীয় ছিল। মনুসংহিতায় (৭৪৭) ইহা দশ কামজ ব্যসনের অন্যতম। অক্ষক্রীড়ার ফলে পাণ্ডবদের দুরবস্থার কথা মহাভারতে বর্ণিত হইয়াছে। তথাপি অতি প্রাচীন কাল হইতে ভারতবর্ষে অক্ষক্রীড়া ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল। তবে দাবাখেলা সম্পর্কে যেমন নানা পুস্তকের সন্ধান পাওয়া যায় পাশাখেলা সম্পর্কে তেমন নয়। প্রাচীন ক্রীড়ার সহিত আধুনিক ক্রীড়ার পার্থক্য আছে। ভ্র বঙ্গীয় মহাকোষ ; Indian Historical Quarterly, vol. XIV. চিন্তাহরণ চক্রবর্তী | অক্ষপাদ অক্ষপাদ গােতম ন্যায়দর্শনের প্রবর্তক। ইনি দ্বিতীয় শতক অথবা তাহার কিছু পরে আবির্ভূত