প্রধান মেনু খুলুন

বছর-পঞ্চাশ পূর্বের একটা কাহিনী

বছর-পঞ্চাশ পূর্বের একটা দিনের কাহিনী ঠাঙাড়ের কথা শুনেচে অনেকে এবং আমাদের মতো যারা বুড়ো তারা দেখেচেও অনেকে। পঞ্চাশ-ষাট বছর আগেও পশ্চিম বাংলায়, অর্থাৎ হুগলী বর্ধমান প্রভৃতি জেলায় এদের উপদ্রব ছিল খুব বেশি। তারও আগে, অর্থাৎ ঠাকুরমাদের যুগে, শুনেচি, লোক-চলাচলের প্রায় কোন পথই সন্ধ্যার পরে পথিকের পক্ষে নিরাপদ ছিল না। এই ছত্ৰপ্তরা ছিল যেমন লোভী তেমনি নিৰ্দ্দয়। দল বেঁধে পথের ধারে ঝোপ-ঝাড়ে লুকিয়ে থাকতো, হাতে থাকতে বড় বড় লাঠি এবং কাচা বাশের ভারি ছোট-ছোট খেটে, তাকে বলতে পাবড়া! অব্যর্থ তার সন্ধান। অতর্কিতে পায়ে চোট খেয়ে সে যখন পথের উপর মুখ থুবড়ে পড়তে, তখন সকলে ছুটে এসে জুমদাম্ করে লাঠি মেরে তার জীবন শেষ করতো। এর ভাবা-চিন্তা বাচবিচার নেই! এদের হাতে প্রাণ দিয়েচে এমন অনেক লোককে আমি নিজের চোখেই দেখেচি । ছেলেবেলায় আমার মাছ ধরার বাতিক ছিল খুব বেশি। অবশু মস্ত ব্যাপার নয়, —পুটি, চ্যাল প্রভৃতি ছোট ছোট মাছ। ভোর না হতেই ছিপ-হাতে নদীতে গিয়ে হাজির হতাম। আমাদের গ্রামের প্রান্তে হাজা-মজা ক্ষুদ্র নদী, কোথাও কোময়ের বেশি জল নেই, সমস্তই শৈবালে সমাচ্ছন্ন—তার মাঝে মাঝে যেখানে একটু ফাক, সেখানেই এই সব ছোট ছোট মাছ খেলা করে বেড়াত। বড়শিতে টোপ গেঁথে সেইগুলি ধরাই ছিল আমার বড় আনন্দ একলা নদীর তীরে মাছের সন্ধানে ঘুরতে ঘুরতে কতদিন দেখেচি কাদায় খাওলায় মাখামাখি মানুষের মৃতদেহ। কোনটার মাখা থেকে হয়তো তখনো রক্ত করে জলট রাঙা হয়ে আছে। নদীর দুই তীরেই ঘন বনজঙ্গল, কি জানি কোথাকার মানুষ, কোথা থেকে ঠ্যাঙাড়েরা মেরে এনে এই জনবিরল নদীর পাকে পুতে দিত। এর জন্য কখনো দেখিনি পুলিশ আসতে, কখনো দেখিনি গ্রামের কেউ গিয়ে থানায় খবর দিয়ে এসেচে। এ ঝঞ্চাট কে করে । তারা চিরদিন গুনে আসচে পুলিশ ঘাটাতে নেই,—তার ত্রিসীমানার মধ্যে যাওয়াও বিপজ্জনক। বাঘের মুখে পড়েও দৈবাং বীচ যায়, কিন্তু ওদের হাতে কাচ নয়। কাজেই এ দৃশ্ব যদি কারও চোখে পড়তে, সে চোখ ফিরিয়ে নিঃশবে অন্যত্র সরে যেত। তারপরে রান্ত্রি এলে, শিয়ালের দল বেরিয়ে মহা-সমারোহে ভোজনাদি শেষ করে নদীর জলে আঁচিয়ে মুখ ধুয়ে ঘরে ফিরে যেত, মড়ার চিহ্নমাত্র থাকত না। একদিন আমার নিজেরও হয়তো ঐ দশ ঘটত, কিন্তু ঘটতে পেলে না। সেই গল্পটা বলি । २»é শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ আমার বয়স তখন বছর-বারো। সকালে ছুটির দিনে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে বসে ঘুড়ি তৈরী করচি, কানে গেল ও-পাড়ার নয়ন বাগদীর গলা। লে আমার ঠাকুরমাকে বলচে, গোটা-পাচেফ টাকা দাও না দিঠিাকরুণ, তোমার নাতিকে দুধ খাইয়ে শোধ দেব। ঠাকুরমা নয়নটাকে বড় ভালবাসতেন, জিজ্ঞাসা করলেন, হঠাৎ টাকার কি দরকার হ’লো, নয়ন ? সে বললে, একটি ভাল গরু আনৰ, দিদি। বসন্তপুরে পিলিমার বাড়ি, পিসতুত তাই বলে পাঠিয়েচে, চার-পাচটি গরু সে রাখতে পারচে না, আমাকে একটি দেবে। কিছু নেবে না জানি, তবু গোটা-পাচেক টাকা সঙ্গে রাখা ভালো । ঠাকুরমা জার কিছু না বলে পাচটা টাকা এনে তার হাতে দিলেন, সে প্রণাম করে চলে গেল । আমি শুনেছিলাম বসন্তপুরে ভালো ছিপ পাওয়া যায়, স্বতরাং নিঃশব্দে তার সঙ্ক নিলাম। মাইল-দুই কাচা পথ পেরিয়ে গ্রাও ট্রাঙ্ক রোড ধরে বসন্তপুরে যেতে হয়। মাইল-খানেক গিয়ে কি জানি কেন হঠাৎ পিছনে চেয়ে নয়ন দেখে আমি । ভয়ানক রাগ করলে, বললে আমার জন্ত সে দশখান। ছিপ কেটে আনবে ; তবু কোনমতে আমি ফিরে যেতে রাজি হলাম না। অনেক কাকুতি-মিনতি করলাম, কিন্তু সে শুনলে না। আমাকে ধরে জোর করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে এল। কান্নাকাটিতে ঠাকুরমা একটু নরম হলেন, কিন্তু নয়নটা কিছুতে সম্মত হ’লে না। বললে, দিদি, যেতে আসতে কোশ-আটেক পথ বৈ নয়, জ্যোছন রাত-স্বচ্ছদে নিয়ে যেতে পারতাম, কিন্তু পথটা ভালো নয়, ভয় আছে। বেলাবেলি যদি ফিরতে না পারি, তখন একলা গরু সামলাবো, না ছেলে সামলাবো, না নিজেকে সামলাবো-কি কল্পৰ বলত, দিদি । পখে তয়টা যে কি তা এ অঞ্চলের সবাই জানে। ঠাকুরমা একেবারে বেঁকে দাড়ালেন, বললেন, না, কখনো না। যদি পালিয়ে যাল, তোর ইস্কুলের মাস্টারমশাইকে চিঠি লিখে পাঠাবো, তিনি পঞ্চাশ ঘা বেত দেবেন। নিরুপায় হয়ে আমি তখন অন্য ফন্দি আটলাম। নয়ন চলে গেলে, পুকুরে নেয়ে জাসি বলে তেল মেখে গামছা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। নদীর ধারে ধারে বন-জঙ্গল ও আম-কঁঠাল বাগানের ভিতর দিয়ে মাইল দুই-আড়াই ছুটতে ছুটতে যেখানটায় আমাদের কাচা রাস্ত এসে পাকা রাস্তায় মিলেচে সেখানটায় এলে দাড়িয়ে রইলাম। মিনিট-শেক পরে দেখি নয়ন আসচে। সে আমাকে দেখে প্রথম খুব বকলে, তারপর আমি কি করে এসেচি শুনে হেসে ফেললে। বললে, চলো ঠাকুর, যা আদেষ্ট্রে আছে তাই হবে। এতদূর এসে জার তো ফিরতে পারিনে। ९*** , दोलनjकनं★लब्र, अंञ्च.

 ; नङ्गनश गांज्ज्ञैब्रि ७कफे cमांकन cषरक भूक्लि-न्छकि बांऊांनी किन्न चांबांब्र কোচার খুটে বেঁধে দিলে, খেতে খেতে প্রায় দুপুরবেলা দু’জনে ৰসস্তুগুৱে এলে ওর পিলির বাড়িতে পৌঁছলাম। পিসির অবস্থা স্বচ্ছল। বাড়ির নীচেই কুজী নদী ; ছোট, কিন্তু জল আছে, জোয়ার ভাটা খেলে। স্নান করে এলাম, ওদের বড়-ৰোঁ কলাপাতায় চিড়ে গুড় দুখ কলা দিয়ে ফলারের যোগাড় করে দিলে। খাওয়া হলে নয়নের পিসি বললে, ছেলেমানুষ, চার-পাচ কোশ পথ হেঁটে এসেচে, আৰায় জেতে হবে। এখন শুয়ে একটু ঘুমুক, তার পরে বেলা পড়লে যাবে। তার ছোট ছেলে ছিপ কেটে আনতে গেল ।

নয়ন আর আমি দু’জনেই পথ হেঁটে এমনি ক্লান্ত হয়েছিলাম যে, জামাদের ঘুম যখন ভাঙলো তখন চারটে বেজে গেছে। বেলার দিকে চেয়ে নয়নদা একটু চিভিত হ’লো, কিন্তু মুখে কিছু বললে না। মিনিট-দশেকের মধ্যেই আমরা বেরিয়ে পড়লাম। যাবার সময় সে প্রণামী বলে পিসিকে টাকা পাচটি দিতে গেল, কিন্তু তিনি নিলেন না, ফিরিয়ে দিলেন। বললেন, তোর ছেলেমেয়েদের বাতাসা কিনে দিস। আমার কাধে ছিপের তাড়া, নয়নের বঁ হাতে গরুর দড়ি, ডান হাতে চার হাত লম্বা বাশের লাঠি । কিন্তু গরু নিয়ে দ্রুত চলা যায় না, কোশ-দুই না যেতেই সন্ধ্যা উত্তরে আকাশে চাদ দেখা দিলে। রাস্তার দু’ধারেই বড় বড় অশখ বট পাকুড় গাছ ভালে ডালে মাথায় মাথায় ঠেকে এক হয়ে আছে। পথ অন্ধকার, শুধু কেবল পাতার ফাকে জ্যোৎস্কার মান আলো স্থানে স্থানে পথের উপর এসে পড়েচে । নয়ন বললে, দাদাভাই, তুমি আমার বা দিকে এসে তোমার বা হাতে গরুর দড়িটা ধরে, জানি থাকি তোমার ভাইনে । কেন নয়নদা ? না, এমনি। চলো যাই । আমি ছেলেমানুষ হলেও বুঝতে পারলাম নয়নদার কণ্ঠস্বরে উদ্বেগ পরিপূর্ণ। ক্রমশঃ পাকা রাস্তা ছেড়ে আমরা কাচা রাস্তায় এসে পড়লাম। দু'পাশের বনজঙ্গল আরও ঘন হয়ে এলো, বহু প্রাচীন স্ববৃহৎ পাকুড়গাছের সারি মাথার উপরে পাতার অবিচ্ছিন্ন আবরণে কোথাও ফাক রাখেনি যে একটু চাদের আলো পড়ে । সন্ধ্যায় কৃষাণ-বালকেরা এই পথে গরুর পাল বাড়ি নিয়ে গেছে, তাদের খুরের খুলে এখনও নাকে-মুখে ঢুকচে, এমনি সময়ে স্বমুখে হাত পঞ্চাশ-বাট দূরে দীির্শ কণ্ঠের DD BBDSDB BBS BB BBB BBS BB BBD DDD DD BBS BDD সঙ্গে লাঠির ধূপ-ধাপ, হৰ্ষ-দাম্ শব্দ। তার পরে সমস্ত নীরব। - नङ्गमझी छक श्छ भैiझिरग्न दल८ण, यां:-८*रु इप्प्ल cभंडण । । क् िcoष श्”ष्ण नग्नशं ? , Uቕባ . owدسrtهو . . ... শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ ७कफे बाश्य। बाण किडूक५ ठूण करब मैफ़िछ cन कि उवाण, उदि त्र বললে, চলে দাদাভাই, আমরা একটু সাবধানে যাই। গরু বায়ে, নয়ন-দা ডাইনে, আমি উভয়ের মাঝখানে । ছেলেবেলা থেকে শুনে জাসচি, দেখেও আলচি মাঝে মাঝে, স্বতরাং বালক হলেও বুঝলাম সমস্ত। ‘কে কোথায় আছে। রক্ষে করে !' তখনও দু’কানে বাজছে—ভয়ে ভয়ে বললাম, নয়ন, ওরা যে সব সামনে দাড়িয়ে, আমরা যাবো কি করে ? মারে যদি— না, দাদাভাই, আমি থাকতে মারবে না। ওরা ঠ্যাঙাড়ে কি-না-আমাদের দেখলেই পালাবে । ওরা ভারি ভীতু। গরু, আমি ও নয়নটাদ তিনজনে ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম। ভয়ে আমার পা কাপছে—নিশ্বাস ফেলতে পারিনে এমনি অবস্থা। গাছের ছায়া আর ধুলোর জাধারে এতক্ষণ দেখা যায়নি কিছুই, পনেরো-বিশ হাত এগিয়ে আসতেই চোখে পড়লো জন পাঁচ-ছয় লোক যেন ছুটে গিয়ে পাকুড় গাছের আড়ালে লুকোলো। নয়নদা হঠাৎ দাড়িয়ে পড়ে হাক দিলে—সে কি ভয়ানক গলা—বললে, খবরদার বলচি তোদের । বামুনের ছেলে সঙ্গে অাছে—পাবড়া ছুড়ে মারলে তোদের একটাকেও জ্যাস্ত রাখবো না—এই সাবধান করে দিলাম । কেউ জবাব দিলে না। আমরা আরো খানিকটা এগিয়ে দেখি একটা লোক উপুড় হয়ে রাস্তার ধুলোয় পড়ে। অল্প-স্বল্প চাদের আলো তার গায়ে লেগেছে, নয়ন ঝুকে দেখে হায় হায় করে উঠলো ! তার নাক দিয়ে কান দিয়ে মুখ দিয়ে রক্ত করে পড়চে, শুধু পা দুটাে তখনও থর থর করে কাপচে। কাধের ভিক্ষের বুলিটি তখনও কাধে, কিন্তু চালগুলি ছড়িয়ে পড়েচে ধুলোয় । হাতের একতারাটি লাঠির ঘায়ে ভেঙে চুরে খানিকটা দূরে ছিটকে পড়ে আছে। নয়নদা সোজা হয়ে উঠে দাড়ালো, বললে, ওরে নারকী, নরকের কীট। তোরা মিছিমিছি একজন বৈষ্ণবের প্রাণ নিলি ? এ তোরা করেচিস কি ! তার ক্ষণেক পূর্বের ভীষণ কণ্ঠ সহসা যেন বেদনায় ভরে গেল । কিন্তু ওদিক থেকে সাড়া এলে না। নয়নের এ দুঃখের প্রধান হেতু সে নিজে পরম বৈষ্ণব। তার গলায় মোট মোটা তুলসীর মালা, নাকে তিলক, সৰ্ব্বাঙ্গে নানাবিধ ছাপ-ছোপ । বাড়িতে তার একটি ছোট ঠাকুর-ধর আছে, সেখানে মহাপ্রভুর ইপট প্রতিষ্ঠিত। সহস্রবার ইষ্ট-নাম জপ না করে সে জলগ্ৰহণ করে না। ছেলেবেলায় পাঠশালায় বর্ণ-পরিচয় হয়েছিল, এখন সে নিজের চেষ্টায় বড় অক্ষরে ছাপা বই অনায়াসে পড়তে পারে! প্রদীপের আলোকে ঠাকুর-ঘরে বসে বটতলায় প্রকাশিত বৈষ্ণব ধৰ্মগ্রন্থ প্রত্যহ অনেক রাত্ৰি পৰ্যন্ত সে স্থর করে পড়ে। মাংস সে थांद्र नौ, जहङ्ग जाएइ, डबिञ्चाउ ७कश्नि बांइ *ईड cहप्फ cषष्व । Հ** বাল্যকালের গল্প ষ্ঠার বৈষ্ণব হবার ছোট একটু ইতিহাস আছে, এখানে সেটুকু বলে রাখি। এখন ভায় বয়ল চল্লিশের কাছে, কিন্তু যখন পচিশ-ত্রিশ ছিল, তখন ভাকাতির মামলায় জড়িয়ে সে একবার বছর-খানেক হাঙ্গত-বাস করে। ঠাকুরমার এক পিসতুতো ভাই ছিলেন জেলার বড় উকিল, তাকে দিয়ে বহু তরি ও অর্থব্যয় করে ঠাকুরমা ওকে খালাস করেন । হাজত থেকে বেরিয়েই সে সোজা নবদ্বীপ চলে যায় এবং তথায় কোন এক গোস্বামীর কাছে দীক্ষা নিয়ে, মাথা মুড়িয়ে, তুলসীর মালা ধারণ করে সে দেশে ফিরে আসে। সেদিন থেকে সে গোড়া বৈষ্ণব । নয়ন যখন তখন এসে জামার ঠাকুরমাকে ভূমিষ্ট প্রণাম করে যেত। ব্রাক্ষণের বিধবা, স্পর্শ করার অধিকার নেই, যে-কোন একটি গাছের পাতা ছিড়ে তার পায়ের কাছে রাখত, তিনি পায়ের বুড়ো আঙ্গুলটি দুইয়ে দিলেই, সেই পাতাটি সে মাথায় বারবার বুলিয়ে বলত, দিদিঠাকরুণ, আশীৰ্ব্বাদ করো যেন এবার মরে সৎ জাত হয়ে জন্মাই, যেন হাত দিয়ে তোমার পায়ের ধুলো নিয়ে মাখায় রাখতে পারি। ঠাকুরমা সঙ্গেহে হেসে বলতেন, নয়ন, আমার আশীৰ্ব্বাদে তুই এবার বামুন হয়ে জন্মাবি। নয়নের চোখ সজল হয়ে উঠত, বলতো, অত আশা করিনে দিদি, পাপের জামার শেষ নেই, সে-কথা আর কেউ না জামুক তুমি জানো । তোমার কাছে গোপন করিনি। ঠাকুরমা বলতেন, সব পাপ তোর ক্ষয়ে গেছে নয়ন । তোর মত ভক্তিমান, ভগবৎ-বিশ্বাসী ক’জন সংসারে আছে । এ-পথ কখনো ছাড়িলনে রে, পরকালের ভাবনা নেই তোর। নয়ন চোখ মুছতে মুছতে চলে বেত, ঠাকুরমা হেঁকে বলতেন, কাল দুটি প্রসাদ খেয়ে বাস নয়ন, তুলিসনে যেন । w এ-সব আমি নিজের চোখে কতবার দেখেচি ৷ স্বতরাং যে-বৈষ্ণবের সে প্রাণপণে সেবা করে, তার হত্যায় ও ষে মর্যাম্ভিক ক্রুদ্ধ ও বিচলিত হবে তাতে বিস্ময়ের কিছু নেই। বললে,—নিরীহ বোষ্টম ভিক্ষে করে সঙ্ক্যেবেলায় স্বরে ফিরছিল, ওর কাছে কি পাৰি যে মেরে ফেললি বল তো ? ছ’গও চার গণ্ডার বেশি ত নয়। ইচ্ছে করে তোদেরও এমনি ঠেঙিয়ে মারি। - এবারে গাছের আড়াল থেকে জবাব এলো—দু’গণ্ডা চার গণ্ডাই বা দেয় কে.রে ? তোর চোদ পুরুষের ভাগ্যি যে এ-যাত্রা বেঁচে গেলি। ধৰ্ম্ম-কথা শোনাতে হবে না —পালা-পালী- - কথা তার শেষ না হতেই নয়ন যেন বাঘের মত গর্জে উঠল—বটে রে হারামজাদা ! পালাবো ? তোদের ভয়ে ? তখন ট্যাক থেকে পাঁচটা টাকা বার করে এएाष्ठद्म किं श्न् आन् कप्झ ७ शप्रछा धूळेीश्च निष्णा काणाश,-अङ७ग्ल1 कैश्tिद्म बांश्च। DDBBB BB BBBS BBBS DDD BBBBB BB BDD DS BB BB BBBBB

      • अंब्र९-नांहिङ-न84श्

DD DDSBBD DDDBB BD DD BD DDD BB BB BDD DD ক’টাকে জন্মের মতো রাস্তায় গুইয়ে রেখে তৰে ঘরে যাবো । শেতলার নয়ন ছাতি জামি—জার কেউ নয়। বলি, নাম শুনেছিল, না এমনিই লাঠি হাতে ভিখিরী যেৱে বেড়াল ? হারামজাদা শিয়াল-কুকুরের বাচ্চারা । - গাছের তলা একেবারে স্তৰ। মিনিট-দুই স্থির থেকে নয়ন পুনরায় অধিকতর কটু ভাষায় হাক দিলে—কি রে জালবি, না টাকাগুলো ট্যাকে নিয়েই ঘরে বাৰো ? কোন জৰাব নেই। পথের উপরে দু-তিন গাছ পাবড় পড়ে ছিলো, নয়ন একে একে কুড়িয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে বললে,—চলে দাদা, এবার ঘরে বাই। রাত হয়ে এলো, তোমার ঠাকুরমা হয়ত কত ভাবচেন। ওরা সব শিয়াল-কুকুরের ছানা বই ত নয়, মাছবের কাছে আলবে কেন ? তুমি একগাছা ছিপ-হাতে তেড়ে গেলেও সবাই हूर नाजांव शांक्षांखांझे । ইতিমধ্যেই আমার ভয় ঘুচে সাহল বেড়ে গিয়েছিল, বললাম—যাবে তেড়ে নয়না। নয়ন হেলে ফেলল। বললে,—থাকগে দাদা, কাজ নেই! কামড়ে জিতে পারে । জামরা জাবার পথ চলতে লাগলাম। নয়নের মুখে কথা নেই, আমার একটা প্রশ্নেয়ও সে ই-না ছাড়া জবাব দেয় না । খানিকটা এগিয়েই একটা বড় গাছতলায় অন্ধকার ছায়ার এসে সে থমকে দাড়াল, বললে,--না দাদাভাই, চোখে দেখে ছেড়ে বাওনা হবে না। বামুন-বোষ্টমের প্রাণ নেওয়ার শোধ আমি দেবো। কি করে শোধ দেবে নয়নদা ? এক ব্যাটাকেও কি ধরতে পারবো না ? তখন দু'জনে মিলে তারেও ঠেড়িয়ে बांब्रtबी ! ঠেডিয়ে মারার জানলে আমি প্রায় আত্মহারা হয়ে উঠলাম। একটা নতুন ধরণের খেলার মত। ওদের সম্বন্ধে কত ভয়ঙ্কর কথাই না শুনেছিলাম ; কিন্তু সব মিছে। নয়না যেতে দিলে না, নইলে আমিই তেড়ে গিয়ে নিশ্চয়ই একটাকে ধরে ফেলতে পারতাম ! বললাম,-তুমি বেশ করে এক ব্যাটাকে ধরে থেকে, আমি একাই ঠেক্তিয়ে মায়বো । কিন্তু আমার ছিপ যদি ভেঙে যায় ? নয়ন পুনরায় হেসে বললে,—ছিপের ঘায়ে মরবে না দাদা, এই লাঠিটা নাও, বলে সে সংগৃহীত পাবড়ায় একগাছা আমার হাতে দিয়ে ৰললে–গঙ্ক নিয়ে এইখানে একটু দাড়াও দাদাভাই, আমি এখুনি দু'এক ব্যাটাকে ধরে জানচি। কিন্তু চেঁচামেচি কাজাকাটি শুনে ভয় পেয়ো নৰেন । । नांः, डश्च नःि । এই ষে হাতে লাঠি রইল । ・さ নয়ন বাকী পাৰজা হুটো কোলে চেপে ধরলে, তার বড় লাঠিটা রইল ডান হাতে, उोच नद्र बांचा cशक बन्नग्न शंद्र cर्षीन शबांधकि क्लि क्रिस्य ब्जन cनश्छिक । woo, बोलाकुम्लेच्ने गिल्ल । DHHHH HHBBD DDHHH DDB BB mDDD DD BBB BB BB DDD DDDD টক্টাফ হাউড়ে, খুলি বেড়ে তারা খুজে দেখছিল কি আছে। . . . . . হঠাৎ একজনের চোখে পড়লো অনতিদূরে গাছের জাড়ালে দাড়িয়ে নয়ন। গভৰে টেচিয়ে উঠলো—কে দাড়িয়ে ওখানে ? —জামি নয়ন ছাতি। জমনি দাড়িয়ে থাক্। ছুটে পালাবি কি মরবি। কিন্তু, কথা শেষ না হতেই অনেকগুলো ছুটোছুটি শুনতে পেলাম এবং প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই জম্মুট জার্ভস্বরে কেঁদে উঠে কে যেন হুড়মুক্ত করে একটা ঝোপের উপর পড়ে গেল । নয়ন চেচিয়ে বললে—এক ব্যাটারে পেয়েচি দাদাভাই, জারগুলো পালালো । শুভ-সংবাদে সেইখানে দাড়িয়েই লাফাতে লাগলাম। আমি চেচিয়ে বললাম, —ওকে ধরে আনো নয়নদা, আমি ঠেড়িয়ে মারব। তুমি মেরে ফেলো না বেন। —না দাদা, তুমিই মারো। আবার একটা করুণ ধ্বনি কানে এলো, বোধ করি নয়নের লাঠির খোচার ফল । মিনিট-দুই পরে দেখি একটা লোক খোড়াতে খোড়াতে আসচে, তার পিছনে নয়নটাঙ্গ। কাছে এসে সে হাউ-মাউ করে কেঁদে উঠে আমার পা জড়িয়ে ধরলে। নয়ন টান মেরে তাকে তুলে দাড় করালে। এখন তার মূৰ্ত্তি দেখে আমি ভয়ে শিউরে উঠলাম। মুখে তার কালি মাখানে, তাতে সাদা সাদা চুণের ফোটা দেওয়া। যেমন রোগ তেমনি লম্বা, পরণে শতছিন্ন স্তাকড়া। তখনও কাদছিল। তার গালে নয়ন প্রচণ্ড এক চড় মেরে বললে,—চুপ কর হারামজাদা ! যা জিজ্ঞাসা করি সত্য জবাব দে । ক'জন ছিলি ? তাদের কি নাম, কোথায় ঘর বল ? লোকটা প্রথমে বলতে চায় না, কিন্তু পিঠে একটা গু তো থেয়ে সঙ্গীদের নাম-ৰাষ গড় গড় করে বলে গেল । নয়ন বললে,—মনে থাকবে, ভূলবে না। এখন বল, বোষ্টমঠাকুর পড়ে গেলে নিজে তুই ক’ৰা বাড়ি দিয়েছিলি ? পাচ-সাত ঘা হবে বোধ হয় । नइनकँॉन नैोउ कज़-अम्ल करग्न दणप्ल, चांक्री, नाक-नांउ च-हे नरें । ७दांब्र टैिक তেমনি করে শে, যেমন করে বোষ্টম ঠাকুরকে শুয়ে থাকতে দেখলাম। দাদাভাই, এগিয়ে এসো,—ঐ খেটে দিয়ে পাচ-সাত ঘায়েই সাবাড় করা চাই কিন্তু। দেখবো কেমন হাতের জোর । তুই ব্যাট দেৱি করচিল কেন ? - স্তয়ে পড়—বলেই তার কান ধরে টেনে স্বাস্তায় বসালে । এবং নিজে লে শোবার পূর্বেই প্রচণ্ড গোটা দুই-তিন লাৰি পঠে মেয়ে পথের ধুলোয় লুটিয়ে দিলে। বললে—দেরি করো না দাদা, তাক করে মারে। দু-তিন দ্বার বেশি লাগবে না। अंब्र६-जांहिछ-ज९6यह S DDDDB BBB DB BB BBBS BBBB BB BB BBBS BB GBH HHDDS কাটা দিলে, নতুন খেলা শুরু করবে। কি, ভয়ে হাত-পা কাপতে লাগল, ষ্টা কাজ হয়ে বললাম,—আমি পারবো না, নয়ন-জা । * পারবে না ? তবে আমি শেষ করে দিই। না নয়নদা, না, মেরো না । কিন্তু লোকটা লাথি খেয়ে সেই যে শুয়ে পড়েছিল, আর নড়ে-চড়েনি। প্রাণভিক্ষেও চায়নি—একটা কথা পৰ্য্যন্ত না । বললাম, চলো, ওকে বেঁধে নিয়ে থানায় দিই গে । শুনে নয়না যেন চমকে উঠল। থানায় ? পুলিশের হাতে ? ই ! ও যেমন মানুষ মেরেচে, তারাও তেমনি ওকে ফাসি দিক । যেমন কৰ্ম্ম cउस्थान पाल्नु ! নয়ন খানিকক্ষণ চুপ করে রইল, তার পরে একটা লাঠির ঠেলা দিয়ে বললে,—ওরে eர், ! কিন্তু কোন সাড়া নেই। নয়ন বললে, ব্যাটা মরে গেল নাকি ? যে দুৰ্ব্বল সিং —দুদিন হয়ত পেটে একমুঠো অন্নও নেই—আবার পথে এসেচে লোক ঠ্যাঙাতে। যা ব্যাট, দূর হ। উঠে ঘরে যা । সে কিন্তু তেমনি রইল পড়ে। নয়ন তখন হেঁট হয়ে তার নাকে হাত দিয়ে বললে, না মরেনি। অজ্ঞান হয়ে আছে। জ্ঞান হলে আপনিই ঘরে যাবে। চল দাদা, আমরাও ঘরে যাই । অনেক দেরি হয়ে গেল, ঠাকুরমা ভাবচে । পথে যেতে যেতে বললাম, কেন ছেড়ে দিলে নয়নদা, পুলিশে ধরিয়ে দিলে বেশ হতো। ८कन झांक्षांखांहे ? বেশ ফালি হয়ে যেত। খুন করলে ফাসি হয় আমাদের পড়ার বইয়ে লেখা আছে । আছে না-কি দাঙ্গা ? আছে বই কি। চলে না, বাড়ি গিয়ে তোমাকে বই খুলে দেখিয়ে দেব। নয়ন বিশ্বয়ের তান করে বললে, বলে কি দাদা, একটা মাছুষ মারার বদলে জায় একটা মাহৰ মারা ? ই, তাই তো। সেই তো তার উচিত সাজা ? জামরা পড়েচি ৰে। নয়ন একটুখানি ছেলে বললে,—কিন্তু, সব উচিতই যে সংসারে হয় না, দাদাভাই । cकन एइ मां मञ्चनकी ? বাল্যকালের গল্প নয়ন হঠাৎ জবাব দিলে না, একটু ভেবে বললে,—বোধ হয় জগতে সবাই ধরিয়ে জিতে পারে না বলে । কেন যে পারে না, কেন যে মানুষে এ অস্কায় করে, সে তত্ত্ব সেদিনও জানিনি, আজও না। তবু, এই কথাটাই ভাবতে ভাবতে খানিকটা পথ চলার পরে জিজ্ঞাসা করলাম,—আচ্ছা নয়নদা, ওরা ফিরে গিয়ে আবার তো মানুষ মারবে ? নয়ন বললে, না দাদা, আর মারবে না। আমি বেঁচে থাকতে এ-কাজ ওরা আর কখনো করবে না । জবাবটায় বেশ প্রসন্ন হতে পারলাম না। ফাসি হওয়াই ছিল আমার মনঃপুত । বললাম,—কিন্তু ওরা বেঁচে তো গেল। শাস্তি তো হলো না । নয়ন অন্তমনস্ক হয়ে কি ভাবছিল, বললে, কি জানি,—হবে হয়তো একদিন । পরক্ষণে সচেতন হয়ে বললে,—আমি তো এর উত্তর জানিনে দাদাভাই, তোমার ঠাকুরমা জানেন। তুমি বড় হলে তাকে একদিন জিজ্ঞাসা ক'রো। আমার কিন্তু বড় হবার সবুর সইল না, বাড়িতে পা দিয়ে সমস্ত বিবরণ, শুধু হাতপা কাপার অবাস্তর কথাগুলো বাদ দিয়ে—অঙ্গ-প্রতঙ্গের যথোচিত সঞ্চালনে আমাদের ঠ্যাঙাড়ে-বিজয়-কাহিনী বর্ণনা করে ঠাকুরমাকে সবিস্তারে বুঝিয়ে দিলাম—গরু কিনতে গিয়ে আজ কি কাণ্ড ঘটেছিল। আগাগোড়া মন দিয়ে শুনে তিনি কেবল একটা নিশ্বাস ফেলে আমাকে বুকের কাছে টেনে নিয়ে স্তন্ধ হয়ে রইলেন। নয়ন এতক্ষণ চুপ করে শুনছিল। আমার বলা শেষ হতে টাকা পাচটি ঠাকুরমার পায়ের কাছে রেখে বললে,—গরুটা এমনিই পেলাম। তোমার টাকা তোমার কাছেই ফিরে এল দিদি। না নিলেন পিসিম, না নিলে তোমার মেজবোঁয়ের ভাইদের দল পথে । ঠাকুরমা একটু হেসে বললেন, দেখা হলে মেজবোঁকে জানাব। কিন্তু ও টাকা আমিও নেবো না নয়ন। ও তোর ঠাকুরের ভোগে লাগাগে যা। কিন্তু একটা কথা আজ তোকে বলি নয়ন, এখনো তেমন বোষ্টম হতে তুই পারলিনে। কেন দিদি ? তারা কি টাকা বাজিয়ে লোক তোলায় ? ধর যদি লোভ সামলাতে না পেরে ছুটেই জালত ? * তাহলে আরও গোট পাঁচ-ছয় মরত। তাতে নয়নের পাপের ভরায় কতটুকুট বা তার চাপত, দিদি ? ঠাকুরমা চুপ করে রইলেন। এ ইঙ্গিতের অর্থ জানেন তিনি, আর জানে নয়ন নিজে। কিন্তু সেও জার কিছু বললে না। দূর থেকে তাকে ভূমিষ্ঠ প্ৰণাম করে পাচটি মাখায় ঠেকিয়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল । Qevo লালু জামাদের সহরে তখন শীত পড়েছে, হঠাৎ কলেরা দেখা দিলে। তখনকার নি ওলাউঠার নামে মাছৰে ভয়ে হতজ্ঞান হতো। কারও কলেরা হয়েচে শুনতে পেলে লেপাড়ায় মাছৰ থাকতো না। মারা গেলে দাহ করার লোক মেলা দুটি হতো। কিন্তু সে দুর্দিনেও আমাদের ওখানে একজন ছিলেন ধার কখনো আপত্তি ছিল না! গোপালখুড়ো তার নাম, জীবনের ব্রত ছিল মড়া পোড়ানো। কারও অস্থখ শক্ত হয়ে উঠলে তিনি ডাক্তারের কাছে প্রত্যহ সংবাদ নিতেন। আশা নেই শুনলে খালি পায়ে গামছা কাধে তিনি ঘণ্টা-দুই পূৰ্ব্বেই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হতেন। আমরা জনকয়েক ছিলাম তার চালা। মুখ ভার করে বলে যেতেন, ওরে, আজ রাত্রিটা একটু সতর্ক থাকিস, ডাকলে যেন সাড়া পাই। রাজারে শ্মশানে চ–শাস্ত্রবাক্য মনে আছে ত ? —জাজে, আছে বই কি। আপনি ডাক দিলেই গামছা সমেত বেরিয়ে পড়ব । —বেশ বেশ, এই ত চাই। এর চেয়ে পুণ্যকৰ্ম্ম সংসারে নেই। আমাদের দলের মধ্যে ছিল লালুও একজন। ঠিকেদারির কাজে বাইরে না গেলে লে কখনো না বলত না ? সেদিন সন্ধ্যাবেল বিষ্ণু-মুখে খুড়ে এসে বললেন, স্ট্রি পণ্ডিতের পরিবারটা বুঝি রক্ষে পেলে না । ९ সবাই চমকে উঠলাম। অতি গরীব বিষ্ট্র ভট্টচাষের কাছে বাঙলা ইস্কুলে আমরা ছেলেবেলায় পড়েছিলাম। নিজে সে চিরক্কল্প এবং চিরদিন স্ত্রীর প্রতি একান্ত নির্ভরশীল। জগতে আপনার বলতে কেউ নেই,—তার মত নিরীহ অসহায় মানুষ সংসারে জামি দেখিনি। e রাজি আন্দাজ আটটা ; ঘড়ির খাটে বিছানা-সমেত পণ্ডিত-গৃহিণীকে আমরা স্বর থেকে উঠানে নামালাম। পণ্ডিতমশাই ক্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইলেন। সংসারে কোন-কিছুর সঙ্গে সে চাহনির তুলনা হয় না এবং সে একবার দেখলে সার-জীবনে cउाण वाग्न ना । - স্বজহ তোলার সময় পণ্ডিতমশাই আন্তে আন্তে বললেন-আমি সঙ্গে না গেলে दूषधिब कि शव ? - কেউ কিছু বলবার আগে লালু বলে উঠল, ও কাজটা আমি করব, পণ্ডিতৰশাই। আপনি আমাদের গুরু, সেই সম্পর্কে উনি আমাদের না। আমরা সবাই Seo বাল্যকালের গল্প DDBB BBBB BB BBBS BB BBB DDBD S BBSDDD DBBSBBDD পখ, হাপাতে ইাপাতে সেটুকু আসতেও তার আধ ঘন্টার বেশি সময় লাগতে " " পণ্ডিতমশাই একটু চুপ করে থেকে বললেন, নিয়ে যাবার সময় ওর মাথায় একটু সিন্ধর পরিয়ে দিবিনে, লালু ? . . . .”. নিশ্চয় দেব, পণ্ডিতমশাই, নিশ্চই দেব, বলে এক লাফে সে ঘরে ঢুকে কোঁটা বারে করে আনলে এবং যত সিচুর ছিল সমস্তটা মাথায় ঢেলে দিলে : ; "হরিবোল দিয়ে আমরা গৃহ হতে গৃহিণীর মৃতদেহ চিরদিনের মত বার করে নিয়ে এলাম,—পণ্ডিতমশাই খোলা দোরের চৌকাঠে হাত দিয়ে তেমনি চুপ দাড়িয়ে রইলেন । ..' গঙ্গার তীরে শ্মশান অনেক দূর, প্রায় ক্রোশ-তিনেক। সেখানে পৌঁছে যখন আমরা শব নামালাম, তখন রাত দুটো। লালু খাট ছয়ে মাটিতে পা ছড়িয়ে বসল। কেউ কেউ যেখানে-সেখানে ক্লাস্তিতে চিৎ হয়ে ওয়ে পড়ল। শুক্ল দ্বাণীর পরিস্ফুট জ্যোৎস্নায় বালুময় বহুদূর-বিস্তৃত শ্মশান অত্যন্ত জনহীন। গঙ্গার ওপার থেক্ষে কনকনে উত্তরে হাওয়ায় জলে ঢেউ উঠেছে, তার কোন-কোনটা লালুর পায়ের নীচে পৰ্য্যন্ত আছাড় খেয়ে খেয়ে পড়ছে। সহর থেকে গরুর গাড়িতে পোড়াবার কাঠ আসে, কি জানি সে কতক্ষণে পৌছাবে। আধ ক্রোশ দূরে পথের ধারে ডোমজের বাড়ি ; আসার সময়ে আমরা তাদের হাক দিয়ে এসেছি, তাদের আসতেই বা না জানি কত দেরি । ; সহসা গঙ্গার ওপারে দিগন্তে একটা গাঢ় কালো মেধ উঠে প্রবল উত্তরে হাওয়ায় হু হু করে সেটা এপারে ছুটে আসতে লাগল। গোপালখুড়ো সতয়ে বললেন, লক্ষণ ভালো ঠেকচে না রে,—বৃষ্টি হতে পারে। এই শীতে জলে ভিজলে আর রক্ষে থাকবে না । .* কাছে আশ্রয় কোথাও নেই, একটা বড় গাছ পৰ্য্যন্ত না। কতকটা দূরে ঠাকুরবাড়ির আমবাগানে মালীদের ঘর আছে বটে, কিন্তু অতখানি ছোট। ত সহজ নয়। দেখতে দেখতে আকাশ গেল ছেয়ে, চাদের আলো ডুবল অন্ধকারে, ওপার থেকে বৃষ্টিধারায় সে সে শব্দ এলো কানে, ক্রমশঃ সেটা নিকটতর হয়ে উঠল। আগাম দু-দশ ফোটা সকলেরই গায়ে এসে পড়ল তীরের মত, কি-করি কি-করি ভাবতে ভাৰতেই মূলধারায় বৃষ্টি নেমে এলো! মড়া রইল পড়ে, প্রাণ বাচাতে কে যে কোথায় ছুট দিলে তার ঠিক-ঠিকানা নেই। . জল থামলে ঘণ্টাখানেক পরে একে একে সবাই ফিরে এলাম। মেঘ গেছে কেটে, চাদের আলো ফুটছে দিনের মত। ইতিমধ্যে গরুরগাড়ি এমে পৌঁছেছে, গাড়ায়ান কাঠ এবং শবদাহের অস্কাঙ্ক উপকরণ নামিয়ে দিয়ে ফিরে স্বাৰায় উদ্যোগ করছে। \© • () * † جولسواج