প্রধান মেনু খুলুন

বাংলা বইয়ের দুঃখ কুমার মুনীজদেব রায় মহাশয়ের বক্তৃতা শুনে আর কিছু না হোক অন্ততঃ একটি উপকার আমরা পেয়েচি । ইউরোপের নানা গ্রন্থাগার সম্বন্ধে তিনি বা বললেন হয়ত फांद्र चटनक कषाहे जांयांटक्ब्र यzन षांकरव मा । किरू जांज उँीब वक्लउ उरब আমাদের মনে জেগেচে একটা আকুলতা । ইউরোপের গ্রন্থাগারের অবস্থা যে-রকম উন্নত, সে-রকম অবস্থা যে আমাদের দেশে কবে হবে--তা কল্পনাও করা যায় না। তৰে বেটুকু হওয়া সম্ভব, তার জন্তে আমাদের চেষ্টা করা উচিত। চারিদিক থেকে অভিযোগ ওঠে, আমাদের গ্রন্থাগারে ভাল বই নেই,-অাছে কেবল ৰাজে নভেল। আমাদের লেখকের জ্ঞানগর্ত বই লেখেন না। তারা কেবল গল্প লেখেন। কিন্তু তারা লিখবেন কোথা থেকে ? এই অতিনিন্দিত গল্পলেখকদের দৈন্তের সীমা নেই। অনেকেরই উপস্তাসের হয়ত দ্বিতীয় সংস্করণ হয় না । ষা বা লাভ হয় গে ধে কার গর্তে গিয়ে ঢোকে তা না বলাই ভাল । অনেকের হােত ধারণাই নেই যে, এইসব লেখক-সম্প্রদায় কত নিঃস্ব, কত নিঃসহায় । বিলাতে কিন্তু গল্পলেখকদের অবস্থা অন্তরকম । তারা ধনী । তাদের এক একজনের আয় আমরা কল্পনা করতেও পারিনে। অল্প সময়ের মধ্যে তাদের পুস্তকের সংস্করণের পর সংস্করণ হয় । কারণ ও-দেশে অস্তুতঃ সামাজিকতার দিক থেকেও লোক বই কেনে। কিন্তু আমাদের দেশে সে বালাই নেই। ও-দেশে বাড়িতে গ্রন্থাগার রাখা একটা আভিজাত্যের পরিচয় । শিক্ষিত সকলেরই বই কেনার অভ্যাস আছে । না কিনলে নিন্দে হয়,—হয়ত বা কৰ্ত্তব্যেরও ক্রটি ঘটে। আর অবস্থাপন্ন লোকদের ত কৰাই নেই। তাদের প্রত্যেকেরই বাড়িতে এক একটা বড় গ্রন্থাগার আছে। পড়ার লোক থাকুক বা না-থাকুক-গ্রন্থাগার রাখাই যেন একটা সামাজিক কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগা জাত আমরা। আমাদের শিক্ষিতদের মধ্যেও পুস্তকের প্রচলন নেই। অনেকে হয়ত মাসিক পত্রিকার পৃষ্ঠা থেকে সমালোচনার ছলে শুধু গালিগালাজের উপকরণ সংগ্রহ করে নেন। যদি খোজ নেন ত দেখতে পাবেন তাদের অনেকেই মূল বইখানা পৰ্যন্ত পড়েননি। আমি নিজেও একজন সাহিত্যব্যবসায়ী । নানা জায়গা থেকে আমার ডাক আসে। অনেক বড়লোকের বাড়িতে थांमेि ८णहि । cर्षांच निदब cऋषफ़ि, उँटक्द्र जां८इ णबद्दे-८नहे ८करुण शशंत्रांब्र । बरे cकमा उँटक्द्र चटबटकब्र कांटहरे चनशब शंका जांब्र किङ्करे नञ्च । वैदिरब वा ५कखरे जाटह, डीबा कदइकथांना झन्झटक बरे वाहेरब्रब्र परब्र गांविरब ब्रां८षन । क्रूि ৰাঙ্গ বই মোটেই কেনেন না । * - < •әq चeथकांचिख ज्ञछबांबली उfरे बांख्णांइ-बांटक जांननांब्रां छांबनड बरे वणदध्न-cण दब बा, कांब्रन विकी নেই। বিক্ৰী হয় না বলেই প্রকাশকের ছাপাতে চান না। তারা বলেন, ও-সবের কোন চাহিদা নেই—নিয়ে এস গল্প। লোকে ভাৰে, গল্প লেখাট বড়ই সোজা । ७छांशशांबैौ नाफ़ांब cणांक cषयन अक्ष श्राद्धैौबटक नब्रांब* cज्ञइ-८ठांरक श्रिब्र আর কিছু হবে না, বা তুই হোমিওপ্যাৰি করগে ৰা। অথচ হোমিওপ্যাধির মত णख कांज धूद कमहे श्रां८छ्। ७ब्र कांब्रन इ८ष्इ, cष जिनिगकै गकरणब्र cफ़रब नङ डांटकरे অনেকে সবচেয়ে সহজ ধরে নেয় । ভগবান সম্বন্ধে কথা বলা যেমন দেখি, তার সম্বন্ধে আলোচনা করতে কারও কখনো ৰিম্ভে-বুদ্ধির অভাব ঘটে না । গল্পলেখকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে কি হবে ? টাকার অভাবে কত ভাল ভাল কল্পনা-কত বড় বড় প্রতিভা ৰে নষ্ট হয়ে ষায়, তার খবর কে রাখে । ৰোঁবনে আমার একটা কল্পনা ছিল,—একটা উচ্চাশা ছিল ষে ‘দ্বাদশ মূল্য’ নাম দিয়ে আমি একটা volume তৈরী করব। যেমন সত্যের মূল্য, মিথ্যার মূল্য, মৃত্যুর মূল্য, দুঃখের মূল্য, নরের মূল্য, নারীর ল্য—এই রকম মূল্য-বিচার। তারই ভূমিকা হিসাবে তখনকার কালে ‘নারীর মূল্য’ লিখি। সেটা বহুদিন অপ্রকাশিত পড়ে থাকে। পরে ‘ৰঘুনা" পত্রিকায় প্রকাশিত হয় বটে, কিন্তু সেই ‘দ্বাদশ মূল্য’ আর শেষ করতে পারিনি, তার কারণ—অভাব । আমার জমিদারী নেই, টাকা নেই, তখন এমন কি ভূ-বেলা ভাত জোটাবার পয়সা পৰ্য্যস্ত ছিল না, প্রকাশকের উপদেশ দিলেন, ও-সব চলবে না । তুমি বা তা করে তার চেয়ে ছুটে গল্প লিখে দাও,—তবু হাজারখানেক কাটৰে । আমাদের জাতির বৈশিষ্ট্যই বলুন, কিংবা স্বর্ভাগ্যই বলুন, বই কিনে আমরা লেখকদের সাহায্য করি না । এমন কি ধাদের সঙ্গতি আছে তারাও করেন না । বরং অভিযোগ করেন, গল্প লিখে হবে কি ? অথচ আজ অন্তঃপুরে যেটুকু স্ত্রীশিক্ষার প্রচার হয়েচে, তা এই গল্পের ভেতর দিয়েই । - কত বড় বড় কবি উৎসাহের অভাবে নাম করতে পারেননি। পরলোকগত সত্যেন দত্তর শোক-বাসরে গিয়ে দেখেছিলুম, অনেকে সত্যিই কারচেন। তখন অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে বলেছিলুম,—কড়া কথা বলা আমার অভ্যাস আছে, এরকম ক্ষেত্রে কড়া কথা মাঝে মাঝে বলেও থাকি—সেদিনও বলেছিলুম, এখন আপনার BD BBBD S DDD DDD B BS DDD DDD DD BB DDD DD DDD হয়নি। অনেকে বোধ করি তার পুস্তকের নাম পৰ্যন্ত জানেন না। অৰচ জাজ এলেচেন আক্রপাত করতে । w - चांबांटक्ब्र वफ़टणांकब्रां कश् िचखङः जांभांजिक कर्डवण हिणांटवe बद्दे ८कटनन, चमर्षी९ वां८ख cवद्दनब्र cणषकटकब्र जांशंयण शब-७वन cछडे करब्रन, खां८ष्ठ जॉरिट७Jब्र উদ্ধৃতিই হবে । লেখকেরা উৎসাহ পাবেন, পেটে খেতে পাবেন, নিজেরা নামা বই vstand موهسيبوا শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ পড়বার অবসর পাবেন না। এর ফলে তাদের জ্ঞানবৃদ্ধি হবে, তবে ত তারা ‘জ্ঞানগঞ্জ বইতে লিখতে পারবেন। ब्रांब व शांनटञ्चब्र वक्लष्ठां तtन थांब्र ७कल्ले कष cवी कtब्र जांबांटक्ब्र नजरब्र नटफ़ ৰে, ও-দেশের বা কিছু হয়েচে, তা করেচে ও-দেশের জনসাধারণ । তারা মস্ত লোক। তাদেরই মোটা মোটা দানে বড় বড় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেচে । আমরা aथांब्रहे नब्रकांब्रटक शांणांशांणि श्रेिं । क्रूि ७हे थांबांटबद्धहे cश्लवङ्कब्र ऋठिछ७iब्र তরল কতটুকু ! তিনি দেশের জন্তে কত করেচেন। র্তার স্বতি-রক্ষার জন্তে কত আবেদনই না বেরুল। কিন্তু সে ভিক্ষাপাত্র আজও আশানুরূপ পূর্ণ হ’ল না ; অথচ ইলংওে ওয়েস্টমিনস্টার এবি'র এক কোণে ফাটল ধরে, সেখানকার উীন কুড়ি লক্ষ পাউণ্ডের জন্তে এক আবেদন করেন। কয়েক মাসের মধ্যে এত টাকা এল যে, শেষে তিনি সেই কাও বলা করতে বাধ্য হয়েছিলেন। অথচ দাতার নাম ৰাজাবার জন্তে ৰে দান করেননি তা স্পষ্ট বোঝা যায়, কারণ কাগজে কারোরই নাম বেরোয়নি। এতটা সম্ভব হয় তখনই যখন লোকের মধ্যে স্বদেশ সম্বন্ধে একটা প্রবুদ্ধ মন গড়ে ওঠে। जामाब्र थार्थना, कूभांब्र यूनैौअरबब ब्रांब भशनब शैर्षबौदौ इडेन । उँीब्र ७हे थांबक কাজে উত্তরোত্তর সাফল্যলাভ করুন। ওঁর কথা শুনে আমাদের মনে জাগে আকুলতা। ধার যে পরিমাণ শক্তি লাইব্রেরী-আন্দোলনের জন্তে তাই জেন ত দেশের কাজ অনেক এগিয়ে যাবে। আমাদের নিজেদের দেখার হয়ত অবসর ঘটবে না। কিন্তু আশা হয় আজকের দিনে যারা তরুণ-ধারা বয়সে ছোট, তারা নিশ্চয়ই একাজের কিছু ফল দেখতে পাবেন । ‘কোয়গর পাঠচক্রে'র চেষ্টায় এই ষে মূল্যবান কথা শুনা গেল, তার জন্তে বক্তা এবং সভ্যদের আত্তরিক ধন্যবাদ দিই। আজ বড় আনঙ্গ পেলাম,—শিক্ষা পেলাম, মনের মধ্যে ব্যথাও পেলাম। কোথায় ইউরোপ আর কোথায় আমাদের দুর্ভাগা দেশ ! যুগযুগাত্তের পাপ সঞ্চিত হয়ে আছে। একমাত্র ভগবানের বিশেষ করুণা ছাড়া পরিত্রাণের আর ত কোন আশা দেখি না ।* —"বিচিত্ৰা’ আশ্বিন, ১৩৪২

  • কোন্নগর পাঠচক্ৰে সভাপতির অভিভাষণ

•әq