প্রধান মেনু খুলুন

রবীন্দ্র-জয়ন্তী উপলক্ষে মানপত্র

শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ কায়কে নব নব আাশ ও মাশ্বাসে পরিপূর্ণ করিয়া আপনার আমহান কাব্য-বীণার নিত্যকাল বান্ধত হইতে থাকুক, ইহাই বিশ্বেশ্বরের চরণে প্রার্থনা। ইতি— রেসুন, ২৫শে বৈশাখ, ১৩২৩ বঙ্গাৰ ভবদীস গুণমূখ রেলুন-প্রবাসী বল্প-সস্থানগণ।

রবীন্দ্র-জয়ন্তী উপলক্ষে মানপত্র।

তোমার প্রতি চাহিয়া আমাদের বিয়ের সীমা নাই। , তোমার সপ্ততিতমবর্ষশেষে একান্তমনে প্রার্থনা করি, জীবনবিধাতা তোমাকে শতাব্ব দান করন, আজিকার এই জয়ন্তীউৎসবের দৃতি জাতির জীবনে অক্ষয় হউক। বাণীর দেউল আাজি গগন স্পর্শ করিয়াছে। বঙ্গের কত কবি, কত শিল্পী, কত না। লেব ইহার নির্মাণকল্পে দ্রব্যসম্ভার বহন করিয়া আানিয়াছেন। তাহাঙ্গেয় স্বল্প ও সাধনার ধন, তাহাদের তপতা তোমার মধ্যে আজি সিদ্ধিলাভ করিয়াছে। তোমার পূর্ববর্ভাঁ সেইসকল সাহিত্যাচাৰ্য্যগণকে তোমার অভিনন্দনের মাঝে অভিনন্দিত করি। স্বাত্মার নিগৃঢ় রদ ও শোভা, কল্যাণ ও ঐশ্বৰ্য্য তোমার সাহিত্যে পূর্ণবিকশিত হইয়া বিশ্বকে মুখ করিয়াছে। তোমার সৃষ্টির সেই বিচিত্র ও অপরূপ আলোকে বকীয় চিভের গভীর ও সত্য পরিচয়ে কৃত-হইয়াছি। হাত পাতিয়া জগতের কাছে আামরা নিয়াছি অনেক, কিন্তু তোমার হাত দিয়া দিয়াছিও অনেক। হে সার্বভৌম কবি, এই শুভদিনে তোমাকে শাস্ত-মনে নমস্কার করি। তোমার মধ্যে ফুক্ষরের পরম প্রকাশকে আজি নতশিরে বারংবার নমস্কার করি। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১১ই পোষ, ১৩৩৮। । • গিরীন্দ্রনাথ সরকার রচিত ‘ব্ৰহ্মাদেশে শরৎচত্ৰ’ নিবন্ধে ( পৃ: ২২২-৩৩) দেখা যায় যে ১১৬ খৃষ্টাকে জাপান হইয়া জামেরিকা যাত্রার পথে রবীন্দ্রনাথ এই যে বেলুনে উপস্থিত হইলে,পাবিৰল ঘানীয় জুবিলীস্থলে এক বিরাট গ্রনসভার তিনি সংবদ্ধিত হন। রেজুন-প্রবাসী বাঙালীদের পক্ষ খইয়ে কবি নবীনচন্দ্র সেনের পূম ব্যারিস্টার নির্মলচত্রা সেন একখানি অভিনবনপর পাঠ করেন। এই গজিন-রচনা করিয়াছিলেন শরত্র। শরৎচত্রা নিজেও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৩১২