প্রধান মেনু খুলুন


রথযাত্র। রথযাত্রার দিন কাছে । তাই রাণী রাজাকে বললে, “চল রথ দেখতে যাই।” রাজা বললে, “আচ্ছা ।” ঘোড়াশাল থেকে ঘোড়া বেরল, হাতিশাল থেকে হাতী। ময়ূর-পংখী যায় সারে সারে, আর বল্লম-হাতে সারে সারে সিপাই সান্ত্রী। দাস দাসী দলে দলে পিছে পিছে চলল। কেবল বাকি রইল একজন। রাজবাড়ির ঝর্ণটারকাঠি কুড়িয়ে আনা তার কাজ । সর্দার এসে দয়া করে তাকে বললে, “ওরে তুই যাবি ত আয় ।” সে হাত জোড় করে’ বললে, “আমার যাওয়া ঘটবে না।” রাজার কানে কথা উঠল, সবাই সঙ্গে যায় কেবল রথযাত্রা ১৩৫ খানে পৌছল মন্ত্রী তাকে ডেকে বললে, “ওরে দুঃখী, ঠাকুর দেখবি চল ।” সে হাত জোড় করে বলল, “কত চলব ? ঠাকুরের দুয়ার পর্য্যন্ত পৌছই এমন সাধ্য কি আমার আছে ?” মন্ত্রী বললে, “ভয় কিরে তোর, রাজার সঙ্গে চলবি।” সে বললে, “সৰ্ব্বনাশ | রাজার পথ কি আমার পথ ?” মন্ত্রী বললে, “তবে তোর উপায় ? তোর ভাগ্যে কি রথযাত্রা দেখা ঘটবে না ?” সে বললে, “ঘটবে বই কি ! ঠাকুর ত রথে করেই আমার হুয়ারে আসেন।” মন্ত্রী হেসে উঠল। বললে, “তোর হুয়ারে রথের চিহ্ন কই ?” দুঃখী বললে, “র্তার রথের চিহ্ন পড়ে না।” মন্ত্রী বললে, “কেন বল ত ?” দুঃখী বললে, “তিনি যে আসেন পুষ্পক রথে।” মন্ত্রী বললে, “কই রে সেই রথ ?” দুঃখী দেখিয়ে দিলে, তার দুয়ারের দুই পাশে দুটি সূৰ্য্যমুখী ফুটে আছে। காஷ்பூழ்மதம் இகம்