পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১১৩ বিরক্ত হইত, তাহা হইলে অতি ধীরভাবে তাহাকে তাহার ত্রুটীর বিষয় বুঝাইয়া দিত। এমন কি, অনেক সময় দেখিয়াছি যে অতি অভাগা ব্যক্তি টাকাকড়ি উড়াইয়া দিতেছে, এইজন্য, ব্ৰহ্মানন্দ লুকাইয়া তাহার স্ত্রীর হাতে টাকা পাঠাইয়া দিয়াছে। প্রথম অবস্থায় তাহার হাতে বিশেষ কিছু টাকা থাকিত না। দুই একটা টাকা যদি কেহ দিয়া যাইত, তাহা হইলে সেই টাকা রাখিয়া দিত এবং অভাগা ব্যক্তিদিগের পরিজনবর্গকে গােপনভাবে সেই অর্থ পাঠাইয়া দিত। এইসব বিষয় আমি অনেক দেখিয়াছি, সেইজন্যই উল্লেখ করিতেছি। | জপময়-ত ব্ৰহ্মানন্দ ব্ৰহ্মানন্দ কিছুদিন অহােরা মঠ ও মিশনের প্রসারণে চেষ্টা করিয়া আবার সাধনার দিকে মন নিবিষ্ট করিল। দিনের বেলা সকলের সঙ্গে বসিয়া সাধারণের মত আহার করিত এবং রাত্রিতে দুধ সাগু খাইত, কখনও বা একটু বড় সাগু ( Tapioca) খাইত। ব্রহ্মানন্দ এই সময় একটা কাঠের যােগও করাইয়াছিল। রাত্রিতে পাছে নিদ্রা আসে, সেইজন্য যােগদণ্ডতে হাত রাখিয়া সে অধিক রাত্ৰ পৰ্যন্ত জপ করিত। ব্ৰহ্মানন্দ জপ ছাড়িত না – নিরবচ্ছিন্ন জপ করিত। জপ করিবার জন্য তাহার নির্দিষ্ট স্থান ছিল না বা নির্দিষ্ট সময়ও ছিল না। কি বসিয়া আছে, কি পায়চারী করিতেছে, এমন কি খাইবার সময় ভাত দিতে দেরী আছে - সকল সময়ই ‘কর’ ফিরাইয়া জপ করিতে থাকিত।