পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১১৯ ‘কৈবল্য প্রেম’ বলা হয়। ব্ৰহ্মানন্দ জপ করিতে-করিতে ক্রমে এই অবস্থায় আসিয়াছিল - তখন সে আর পূর্বকার রাখাল রহিল না, পূৰ্ব দেহে স্বতন্ত্র ব্যক্তি হইয়া উঠিল। তীর্থঙ্কর ও দীপঙ্কর ব্রহ্মানন্দ | বৌদ্ধ-গ্রন্থে ‘তীর্থঙ্কর’ এই শব্দটীর বহুল প্রয়ােগ আছে। কথাটীর ভাবার্থ হইল যে, মহাপুরুষ বা তাপস যে স্থানটীতে বাস করেন, সেই স্থানটী তীর্থ হইয়া যায়। তীর্থঙ্কর কথাটীর উৎপত্তি নিরূপণ করিতে হইলে দেখা যায় যে, কোন তাপস একস্থানে বসিয়া জপ-ধ্যান করিলে, তাহার হৃদয় হইতে উদ্ভূত শক্তি সেইস্থানে আবদ্ধ ও সংবদ্ধ হইয়া থাকে এবং পরবর্তীকালে অপর কোন সাধক অজ্ঞাতসারে সেইস্থানে যাইলে, পূৰ্ব্ব-সঞ্চিত শক্তি বা চিন্তাধারা তাহাকে আচ্ছন্ন বা আশ্রয় করিয়া থাকে। এইরূপে জগতের নানা তীর্থ প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। ব্রহ্মানন্দ নিজের সাধনকালে একনিষ্ঠ হইয়া যে সকল স্থানে অতি কঠোর তপস্যা করিয়াছিল – সেই সকল স্থান ভবিষ্যতে তীর্থ হইবে। এইরূপ একমন ও একপ্রাণে তপস্যা করা অতীব বিরল। তাপস রাখাল ‘তীর্থঙ্কর’ হইয়াছিল। বৌদ্ধ-গ্রন্থে আর একটা শব্দ প্রচলিত আছে - “দীপঙ্কর অর্থাৎ জগতে বা মনুষ্য মধ্যে যিনি দীপ-স্বরূপ। ব্রহ্মানন্দ যে মনুষ্য মধ্যে দীপ-স্বরূপ, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। বৈজ্ঞানিক মত অনুসরণ করিলে বলা যায় যে, উচ্চমার্গের |