পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৪ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান দীক্ষা হইল, সে মঠে থাকিয়া, প্রসাদ পাইয়া বৈকালে চলিয়া যাইল। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “ওকে দীক্ষা দিলে না?” উত্তরে ব্রহ্মানন্দ বলিল, “ধ্যান ক’রুলে, ঠাকুর যেন হাত নেড়ে, আঙুল দিয়ে একজনকে দেখালেন, অপটীকে হাত নেড়ে প্রত্যাখান ক’বুলেন। এইজন্যে অপর ব্যক্তির দীক্ষা হলাে না।” যে ব্যক্তিটী দীক্ষা পাইয়াছিল, সে মঠে কয়েক বৎসর পর একবার আসিয়াছিল। এতদ্ব্যতীত তাহাদের সম্বন্ধে আর কিছু জানা নাই। সম্ভবতঃ, এইটা হইল ব্ৰহ্মানন্দের প্রথম দীক্ষা-দান। ব্ৰহ্মানন্দের উচ্চ অবস্থা বা সমাধি ভাবটী যত অধিক আসিতে লাগিল, তাহার শিষ্য সংখ্যাও তত বাড়িতে লাগিল। বহুসংখ্যক লােক তাহার কাছে দীক্ষা পাইয়াছিল। স্বামিজীর তিরােধানের কয়েক বৎসর পর পর্যন্ত কাহাকেও সন্ন্যাস দেওয়া হয় নাই। অবশেষে, সকলের অনুরােধে ব্ৰহ্মানন্দ সন্ন্যাস দিতে লাগিল। ঠাকুর-ঘরে ঢুকিবার অমত ব্ৰহ্মানন্দ মঠে ঠাকুরের ঘরেতে বা দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুরের শয়ন-ঘরে যাইতে সঙ্কোচ বােধ করিত। সাধারণ লােক অসংষতচিত্তে ঠাকুর-ঘরে যাইয়া, এদিক-ওদিক মাথা ঘুরায় ও তাহার পর চলিয়া আসে। তাহাতে তাহাদের মনে যে বিশেষ শ্রদ্ধা-ভক্তি আছে, তাহা প্রকাশ পায় না। কিন্তু, ব্ৰহ্মানন্দের অন্য ভাব ছিল। ব্রহ্মানন বলিত, “তিনি (শ্রীরামকৃষ্ণদেব )