পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৪৫ প্রকম্পন বিভিন্ন প্রকার হইয়া থাকে, গতিবেগ বিস্তীর্ণ হইয়া থাকে, চিন্তাশক্তি অপেক্ষাকৃত স্নিগ্ধকর ও সাম্যভাবে পরিপূর্ণ হয় এবং নিম্নমার্গের সংহারক ভাব চলিয়া যায়। চিন্তাশক্তি যখন তদূদ্ধে, কারণ-দেহতে যায়, অর্থাৎ, অতি সূক্ষ্ম-স্নায়ু দিয়া প্রবাহিত হইয়া থাকে, তখন নূতনপ্রকার ভাব ও চিন্তাস্রোত বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। ব্যোম ও পাপ বর্ণনা করিতে হইলে মলিন বর্ণ দিবে, যশ ও কীর্তি বর্ণনা কালে শুভ্রবর্ণ দিবে “মালিন্যং ব্যানি পাপে যশসি ধবলতা বর্ণতে হাস্যকীৰ্ত্তেী।” বহু প্রাচীনকাল হইতে আমাদের অলঙ্কার শাস্ত্র এসকল বিষয় উপলদ্ধি করিয়াছিল। স্কুল বা নিম্নপ্রকার স্পন্দন হইলে মলিন বর্ণ হয়। এইজন্য, দুশ্চিন্তাকারীর মুখে মলিন বর্ণ দৃষ্ট হয়। স্পন্দন যখন সাম্যভাবে - State of equilibrium বা সাম্যস্পন্দনে – Rhythmical vibration'এ-উপনীত হয়, তখন জ্যোতির্ময় বা Effulgent বর্ণ প্রকাশ পায়। এইরূপ বিভিন্নপ্রকারের স্পন্দনের জন্য বিভিন্ন প্রকার বর্ণ ও তাহাদের পরস্পরের মধ্যে সামঞ্জস্যভাব ( Gradation) উদ্ভূত হয়। এই স্পন্দন হইতেই সমস্ত গুণরাশি সৃষ্ট হইতেছে। বৈজ্ঞানিক মতে আমরা অশ্রুতপূৰ্ব বা অজ্ঞাতপূর্ব গুণের আবিষ্কার করিতে পারি, অর্থাৎ, নূতন প্রকার স্পন্দন হইতেছে - এইটা উপলদ্ধি করিতে পারি, কিন্তু প্রকম্পমান