পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৪৮ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান এইজন্য, শিশু বা কুকুর কুচিন্তাযুক্ত ব্যক্তিকে দেখিলে ত্রস্ত হয়। মন যখন স্কুল-স্নায়ুতে যায়, তখন তাহার বিকাশ-পরিধি অধিকতর ব্যাপ্তভাবে পরিদৃষ্ট হয়। ক্রমে, যখন চিৎশক্তি অতি সূক্ষ্ম-স্নায়ু বা কারণ-স্নায়ুতে যায়, তখন তাহার বহিমুখী বিকাশশক্তি অধিকতর পরিব্যাপ্ত হয় এবং পরিব্যাপ্ত হইয়া পুনরায় স্বকেন্দ্রে প্রত্যাবর্তন করে। ইহাকেই বলে ‘আকর্ষণী শক্তি। উদাহরণ স্বরূপ ইহা বলা যাইতে পারে যে, মানুষের শিরােদেশ হইতে যেন একটী ছাতার মত আবরণী শক্তি বিস্তৃত থাকে। কোন ব্যক্তি নিজে মাত্র সেই ছাতার ভিতর বাস করিতে পারে, দ্বিতীয় ব্যক্তির বাস করিবার স্থান তাহাতে আর কুলায় না। কেহ বা ছাতাতে নিজে বাস করিয়াও অপর দশজনকে আশ্রয় দিতে পারে। কাহারও বা এই ছাতা এত বিশাল যে, লক্ষ লক্ষ লােক তাহার ভিতর আশ্রয় পাইয়া থাকে। এক ব্যক্তির কথা শুনিলে সকলে বিরক্ত হইয়া চলিয়া যায়, আর এক ব্যক্তির কথা শুনিতে বহুদূর হইতে লােকের সমাগম হয় কেন ? চলিত কথায় বলা হয় যে, ইহা ‘মাধুৰ্য বা নব ভাব’-এর জন্য হইয়া থাকে। বৈজ্ঞানিক মত হইল, সূক্ষ্ম-শরীরের বিস্তৃতির উপর বিভিন্ন লােকের মধ্যে তারতম্য নির্ধারিত হইয়া থাকে। আমরা যে ভাললােক, সৎলােক, সাধুলােক, মহাপুরুষলােক, সিদ্ধলােক, এমন কি অবতার ইত্যাদি বিভিন্ন স্তরের লােকের নাম করিয়া থাকি, তাহা এই সূক্ষ-শরীর বিস্তৃত করা ছাড়া আর কিছুই নয়। যিনি যতদূর পর্যন্ত এই সূক্ষ্ম