পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


L ১৫৬ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান বিভ্রান্ত-চিন্তাযুক্ত যুবক বলিয়া ধারণা করিয়া থাকে ; এইরূপে, পরস্পরের সহিত পুরানাে সখ্য ও অবাধ মেলামেশা ধীরে ধীরে শিথিল হইয়া পড়ে। ক্রমে, দিন যতই অগ্রসর হইতে থাকে, তাঁহার চিন্তার গভীরতা ও মানসিক বিষণ্ণতা ততই বৃদ্ধি পাইতে থাকে। আমােদপ্রিয় যুবক বন্ধুগণ তখন তাহার সঙ্গ পরিত্যাগ করে এবং বাতুল ও বিকৃত মস্তিষ্ক বলিয়া তাহার নামে নিন্দা ও অপবাদ রটাইয়া থাকে। এইরূপে, চিন্তাকুলতা, গম্ভীর প্রকৃতি এবং জীবনের উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ গতি সম্বন্ধে যে আলােক, মাঝে মাঝে ভঁহার হৃদয়-আকাশে উদ্ভাসিত হইয়া উঠে – এ সকলই মিলিত হইয়া তাহার মন হইতে পুরাতন সহগামীদিগের সঙ্গলাভের ইচ্ছা এবং যুবােচিত হাস্যকৌতুক ও লঘুচিত্ততাকে একেবারে অপসারিত করিয়া দেয়। দেখিতে পাওয়া যায় যে, তখন এই স্বল্পবয়স্ক তরুণদেহে ঋষির জ্ঞান-প্রবীণ মুখদীপ্তি প্রতিভাসিত হইয়া উঠিয়াছে। ভাবী মহাপুরুষ ব্যক্তি দেখিতে পান — সর্বত্রই দুঃখরাশি সঞ্চিত, কিন্তু জীবনের অভিজ্ঞতা ও বয়সের অপ্ৰাচুৰ্যতা যেন তঁাহার হস্ত-পদ শৃঙ্খলিত করিয়া রাখে। অনেক সময় তাঁহার ভাবধারা ও কাৰ্য্য-সাধন-প্রণালী জনসাধারণ কর্তৃক অগ্রাহ্য ও অকর্মণ্য বলিয়া ধাৰ্য্য হইয়া থাকে। এই প্রকারে সর্বতােভাবে ব্যর্থকাম ও বাধাপ্রাপ্ত হইয়া তিনি নিজেকে হতবুদ্ধি ও উদ্দেশ্যহীন বলিয়া ধিত করিতে থাকেন; তাঁহার মন হতাশ ও নিরাশাচ্ছন্ন হইয়া পড়ে এবং কোন এক বিষয় - 4