পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/১৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ১৬৫ সিদ্ধযােগীর লক্ষণ বলিয়া উক্ত আছে - সে সমস্তই তাহাতে প্রকাশ পাইতে লাগিল। সে যে উচ্চমার্গের মােগী ও ধ্যানী - ইহা সর্বকাৰ্যতেই বিকাশ পাইতে লাগিল। এই সময় তাহার শক্তি সঞ্চার করিবার ক্ষমতা আসিল। ইহা আমি বিশেষভাবে জানি, সেইজন্য নিঃসঙ্কোচচিত্তে বলিতেছি যে, সে ইচ্ছা করিলেই শক্তি সঞ্চার করিতে পারিত। আর একটা ভাব দেখিতাম যে, তাহার দেহের ভিতর হইতে একটী শক্তি যেন চারিদিকে প্রধাবিত হইত। | এইরূপে ব্রহ্মানন্দ মােগমার্গের চরম অবস্থায় উঠিয়া, অবশেষে বিসূচিকা রােগে আক্রান্ত হইয়া বলরামবাবুর বাড়ীতে দেহত্যাগ করে। আমি কয়েকদিন দেখিতে গিয়াছিলাম। দেখিলাম, সে বড় ঘরটীতে শুইয়া রহিয়াছে, মুখে ঔষধ দেওয়া হইলে ফেলিয়া দিতেছে, কিন্তু গঙ্গাজল দেওয়া হইলে পান করিতেছে। শ্যামাদাস কবিরাজ মহাশয় এই দেখিয়া বলিলেন, “ইনি সিদ্ধযােগী, একে ওষুধ দেবার দরকার নেই।” ২৭শে চৈত্র, সােমবার, ১৩২৮ সাল, রাত্রি আটা পঁয়তাল্লিশ মিনিটের সময় তাহার দেহত্যাগ হয়। তাহার নশ্বর দেহ বেলুড়মঠে অগ্নি-সংস্কার করা হয়। ব্ৰহ্মানন্দের তিরােধানের পূর্বদিন, রবিবারে, সারদানন্দ, সান্ন্যাল মহাশয় প্রভৃতি আমরা সকলে একসঙ্গে বসিয়া তাহার বিষয় কথাবার্তা কহিতেছিলাম। আমার বরাবর ধারণা ছিল বে, ব্ৰহ্মানদের বয়স আমাদের দুই ভাইয়ের মাঝামাঝি, | : ৭