পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৪ অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান হাঁসের ডিম ফ্যাটাইয়া তাহাতে মাখিল এবং সেগুলি জলে সিদ্ধ করিয়া ঘি, নুন দিল। বেশ ঝরঝরে ভুনী খিচুড়ি হইয়াছিল। সন্ধ্যার সময় রাখাল থালা করিয়া আমাকে খিচুড়ি দিয়া গেল, আমি তাহা খাইতে লাগিলাম ; খাইতে এমন সুস্বাদু হইয়াছিল যে এখনও আমার উহার কথা বেশ মনে আছে। | ধোকা খাওয়া সিমলার বাজারে একটা লােক ধোঁকা তৈয়ার করিয়া বিক্রয় করিত। একখানি কঁসিতে অল্পমাত্র, সের খানেক, ধোঁকা তৈয়ার করিত। সে কি করিয়া ধোঁকা তৈয়ার করিত জানি না, কিছুতেই তাহার অনুকরণ করা যাইত না। তাহার ধোকা এত উৎকৃষ্ট হইত যে, সন্ধ্যা হইলেই আমরা বাটি লইয়া উহা কিনিতে যাইতাম। এক পয়সায় দু’খানি ধোঁকা ও দু’চামচ রস পাওয়া যাইত। কিন্তু একটু দেরী করিলেই ধোঁকা ফুরাইয়া যাইত। আর হিং, মৌরী ও আদা দিয়া কলাইয়ের ডালের বড় কচুরির মত চাবড়ী করিত, সেই চাবড়ীও বেশ ভাল হইত। বেলুড় মঠে একদিন সন্ধ্যার সময় রাখাল হঠাৎ আমাকে বলিল, “ওহে ভাই, ওহে! ছেলেবেলায় সিমলার বাজার থেকে যে ধোঁকা কিনে এনে খেতুম, মনে আছে?” আমি হাসিয়া বলিলাম, “তােমার ত বেশ মনে আছে। ছেলেবেলায় কোথায় কি ধোঁকা খেয়েছিলুম তাও দেখছি তােমার মনে রয়েছে।”