পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৬৭ কি বা করিলাম ! কেবলমাত্র পথে ঘুরিয়া বেড়ান, ভিক্ষা করিয়া খাওয়া—ইহাই কি জীবনের উদ্দেশ্য হইল। কৈ কিছুই ত পাইলাম না। পেটে ক্ষুধার আগুন, বুকের ভিতর বৈরাগ্যের আগুন, মস্তকের উপর সূর্যের আগুন—এই তিন আগুনে দগ্ধ হইতেছি। ফল হইল—ভিক্ষা করিয়া খাওয়া। কৈ কিছুই ত হইল না ! মনের যা পূৰ্ব্বচিন্তা তা সবই ত । রহিয়াছে।” এই সময় গৌতমের মন অতীব আলােড়িত হইল। তাপস রাখাল যখন বৃন্দাবনে ভিক্ষা করিয়া খাইত, তখন তাহার মনেও অনেকটা এইরূপ ভাব আসিয়াছিল। সেইজন্য সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হইয়া কঠোর তপস্যা করিয়াছিল। | বৃন্দাবনে বলরাম বাবুর কুঞ্জ ও বংশীবট যমুনাতটের বাড়ীতে তাপস রাখাল অনেকদিন ছিল। পরে এই বাড়ীতে রামকৃষ্ণ মিশনের সেবাশ্রম হইয়াছিল, আমি তখন এই বাড়ীতে ছিলাম। বৃন্দাবনে অবস্থানকালের কথাপ্রসঙ্গে তাপস রাখাল একবার বলিয়াছিল—“এক আসন, এক জপ, এক উদ্দেশ্য—এইটা না করলে আসন জাগ্রত হয় না। আসনকে জীবন্ত করতে হয়, তা হলে জপ-ধ্যানের অনেক অনুকূল ভাব আসে।” তাপস রাখাল বৃন্দাবন হইতে কখন কখন নন্দগ্রাম ও বর্ষনায় যাই। সেখানে মাধুকরী করিয়া খাইত ও অনবরত জপ করিত। নন্দগ্রাম হইতে বর্ষনায় যাইতে হইলে পথে একটী বড় মাঠ পড়ে। গ্রীষ্মকালে মাঠটী অতিশয় উত্তপ্ত হইয়া উঠে। মাঠের মাঝখানে একটা ক্ষুদ্র গ্রাম, নাম