পাতা:অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান - মহেন্দ্রনাথ দত্ত.pdf/৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অজাতশত্রু শ্রীমৎ স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজের অনুধ্যান ৭৩ এত প্রবল বেগে আসিল যে, নরেন্দ্রনাথ তিন দিন বিভাের অবস্থায় রহিল এবং নিজের অবস্থা ভাবিতে লাগিল। এই সকল ব্যাপার কোন বারেতে হইয়াছিল আমার স্মরণ নাই। হৃষীকেশে নরেন্দ্রনাথের কোন ভাল চিকিৎসা হইবার সম্ভাবনা নাই দেখিয়া সকলে মীরাটে চলিয়া আসিল। মীরাটে সকলে কয়েক মাস একসঙ্গে থাকিবার পর, নরেন্দ্রনাথের ইচ্ছা হইল একলা নিঃসঙ্গ হইয়া তপস্যা ও ভ্রমণ করিবে। এইজন্য মীরাট হইতে সকলে ছত্রভঙ্গ হইল। সারদানন্দ বরানগরের মঠে ফিরিয়া আসিল ; অন্যান্য সকলে নিজ নিজ ইচ্ছামত স্থানে চলিয়া গেল। তাহার পর বহুদিন পর্যন্ত পরস্পরের সহিত আর সাক্ষাৎ হয় নাই। তাপস রাখাল এই সময় কিছুদিন রাজপুতানায় ছিল। ক্ষেত্রীর রাজার নিজ-কৰ্ম্মসচিব ( Private secretary) মুন্সী জগমােহনলালের সহিতও বেশ ঘনিষ্ঠভাবে আলাপ হইয়াছিল। ক্ষেত্রীর রাজা ও জগমােহনলাল উভয়েই স্বামিজীর শিষ্য। এইজন্য উভয়েই রাখালকে শ্রদ্ধা করিতেন। সর্দার হরি সিং-এর সহিতও অনেক কথাবার্তা হইয়াছিল। সর্দার হরি সিং ক্ষেত্রীর রাজার প্রজা ও সৈনিক বিভাগের একজন উচ্চ কর্মচারী। রাখাল সর্দার হরি সিং-এর বিষয় অনেক গল্প বলিত। দু'একটা গল্প এস্থলে উল্লেখ করিতেছি