পাতা:অতিথি (প্রথম বর্ষ ১৯৩০).pdf/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্থাভিল্লেখ । —শ্ৰীপ্রমথনাথ মিত্ৰ— ১৩, কপালকুণ্ডলা এ্যাভেনিউএ প্রত্যহ বিকাল বেলা আমাদের রীতিমত আডিডা বস্ত । সে দিন বোধ হয় ভাদ্রের ১৭ তারিখ হবে—প্রেসিডেন্সী কলেজের তোরণদ্বারে মহা হৈ চৈ আরম্ভ হয়েছে, মাঝে মাঝে সেম্—সেম্ শব্দের আওয়াজ গগন পবন, বিশেষ করে’ কলেজ ভবন মুখরিত ক’রে তুলছে-গাড়ী, ঘোড়া প্রচুর দাড়িয়ে রয়েছে সারে সারে দুই পাশে । আমার ব্যাপারটা বুঝে নিতে বেশী বিলম্ব হ’ল না—কারণ আমাদের সময়েও তো প্রেসিডেন্সী কলেজে Strikeএর কামাই ছিল না । সেদিন আডডায় আমাদের ঐ কলেজের ষ্ট্রাইক্‌ নিয়েই আলোচনা চলছিল—বিশেষ ক’রে জমে উঠেছিল তখন, যখন cafiz gvī statąHR 3rd year arts-43 a FÈ ছেলেকে পেলুম আমরা আমাদেরই আডিডায় । 翻 কিন্তু এ আডডা আমার টিক্ল না বেশীক্ষণ। মাথায় পাগড়ী বাধা কোমরে বেল্ট অণটা একটা জোয়ান বলকায় পুরুষ এসে আমার হাতে একখানা কার্ড দিলে। তাপনার ভুল বুঝবেন না—সে থানার কোন পাহারা নয় –সামান্ত একজন বেয়ারা মাত্র । দেখলাম কার্ডখfনার ও পুর ব্যাকা ব্যাক অক্ষরে ছাপ রয়েছে—মিসেস মৃণালিনী বাস্থ । রিই ওয়াচ টর পানে নিমেষের ভরে তাকিয়ে নিলামপরক্ষণেই পকেট থেকে পার্কারপেনট টেনে নিয়ে টাইম্‌ দিয়ে দিলাম সন্ধ্যা ৭টা—বেয়ারাকে ব’লে দিলাম, ৭টার সময় যাচ্ছি। যখন ৭টা বাজ তে মিনিট পনের বাকী আছে, তখন গাত্ৰোখান করলুম বন্ধুমহল থেকে । দু’একট। পোচ দিয়ে যে তখন কেউই একটা কথা বলেনি, তা আমি স্বীকার কতে পারিনে। তবে তাতে আমি দোষ ধরিনে। এই বিংশশতাব্দীর যুগেও ষাদি ছেলের অমন একটু ঠাট্ট ন ক’রে কথা কয়, তবে বিংশশতকীর মাহাত্ম্যই বা কোথায়, কিংবা সরস আমোদ অনুভবই বা করি কি রকমে ! যখন মিসে মৃণালিনী বাস্থর বিরাট প্রাসাদে এসে উপস্থিত হলাম, তখন সময়ট একটু উত্রেই গিয়েছিল— বাড়ীতে পা’ না দিতে দিতেই, শান্তি এসে গলাটা জড়িয়ে ধ’রে একট। চুমু দিলে—কচি কচি কথাগুলো বেরিয়ে প’ড়ল যুগ থেকে তা’র কেমন একট। সরলতার প্রতিমূৰ্ত্তি নিয়ে, বল্লে—বিষ্ণুদা, বিমুদা—আমাকে ও আজ নিয়ে যাবে না থিয়েটালে ? ঠিক সেই সময়েই ফিকে মেঘলা রংএর একখানা সাড়ী প’রে মিসেস মৃণালিনী বাম হাসতে হাস্তে আমার কাছে এলেন, হাতের চমৎকার purseটা ঘুরাতে ঘুরাতে বল্লেন—“বিনয়, আজ আমরা বিজয়া’ দেখতে যাচ্ছি নাট্যমন্দিবে। তোমাকে চাই আমরা আমাদের সঙ্গে। একটু সময় ক’রে নাও না ?” নতুন প্লে’টা দেখ বার আমার ও ইচ্ছে ছিল বড় কম নয়—আর তা’ ছাড়া থিয়েটার দেখা আমার একটা বাতিক হ’য়েই দাড়িয়েছিল। আমি তৎক্ষণাং সায় দিয়ে ব’লে উঠলাম —“মাত্র এই ? এর জন্যে সময় অসময় ?” তখন মিসেস মৃণালিনী বাস্থ ডাকলেন—বীথি। মুখ থেকে কথাটা প’ড়েছে কি পড়েনি, ঠিক এই রকম সময়েই আমি ব’লে উঠলাম—তবে, আমি আসছি বাড়ী থেকে ! কিন্তু মিসেস্ বামুর কথা সবটা শুনে নিজেই যেন কি রকম একটা লজ্জা পেলাম নিজের এই নিছক বোকার মত কথা কয়টায় ! তখন আমি বেরিয়ে পড়েছি। মিসেস বাম একটু সুর তুলে বল্পেন—“এস কিন্তু নিশ্চয়।” আমিও চেচিয়ে ব’লে গেলাম—‘নিশ্চয়’ । • • • • • • • • • • • তারপর যখন এলাম মিসেস্ বাস্থর বাড়ীতে, দেখলাম তারা সকলেই Ꮌ ☾