পাতা:অধিকার-তত্ত্ব.pdf/৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ూు অধিকার-তত্ত্ব । 繆 কিন্তু সে নাম এইক্ষণ জাতিবাচক, এজন্য তাছা পরিত্যাগ করিয়া তাহারা “ ব্রাহ্ম ” নাম লইতেছেন । ৮ । এইক্ষণ যাহারা ব্রহ্মোপাসক হওয়াতে ব্রাহ্ম নাম গ্রহণ করিতেছেন এবং ব্রাহ্ম-পরিবার সৃষ্টি করিতেছেন ভাবীকালে সেই ব্রাহ্মণদিগের ন্যায় তাহারদিগেরও অধোগতি হুইবেক । ঐ ব্রাহ্ম নাম অগ্রে ব্যক্তি-বাচক পরে পরিবার-বাচক, পরে গোত্র-বাচক হইতে হইতে ক্রমে জাতি-বাচক হইয়া দাড়াইবে । সেই জাতির মধ্যে অনেকের জ্ঞানাভাব হইবেই । জ্ঞানাভাবে নবতর পৌত্তলিকতার উৎপত্তি হইবেক । অণবণর নবতর সংস্কারের ও উপাধির প্রয়োজন হইবেক । তাদৃশ নুতনত্ব জন্য আবার বিবাদ ও দলাদলি হইতে থাকিবেক । এইরূপে আদিকাল হইতে উপাধি লইয়া বিরোধ হইয়া আসিতেছে এবং ভবিষ্যতেও হইবেক । এই জন্য অামারদের ইচ্ছা এই যে, যিনি কনিষ্ঠ অধিকারী তিনি দেবদেবীর উপাসনা সহকারে ক্রমে ব্রহ্মজ্ঞানে আমুন, যিনি ব্রহ্মজ্ঞানী তিনি ব্রহ্মোপাসনা কৰুন ও দুৰ্ব্বলদিগকে ক্রমে সবল করিয়া তুলুন । দেশের লোক জ্ঞানী ও ধাৰ্ম্মিক ইউক। ব্রাহ্ম-পরিবার বা ব্রাহ্ম-জাতি সৃষ্টি দ্বারা এ দেশের জাতি সংখ্যাকে বৃদ্ধি করার প্রয়োজন নাই । যে পরিবার-মধ্যে অধিকাংশ লোক ব্রহ্মোপাসক, র্তাহারদিগকে “ ব্রাহ্ম-পরিবার " বা “ ব্রাহ্মগোত্র “ বলিবার প্রয়োজন নাই। যদি ভাহা বল, তবে যখন সেই পরিবারে দৈবাৎ কোন পাষণ্ড জন্ম গ্রহণ করিবে, তখন সেও পাষগুতার মধ্যে ব্রাহ্ম নামের অহঙ্কার প্রকাশ করিবে ।