প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/২০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কৃষি। কৃষিই ধনোৎপাদনের প্রধান উপায়। অন্য উপায়ে ধনাগম ঠাইতে পারে, কিন্তু কৃষির উপরই আর সকল পথ নির্ভর করে। কৃষি না থাকিলে শিল্প থাকিতে পারে না। প্রায় চৌদ্দ আনা শিল্প কৃষির মুখাপেক্ষী। থ’লে, ব্যাগ, ক্যাম্বিস প্রভৃতি শিল্পজ পণ্য। এই থ’লে, ব্যাগ, ক্যাম্বিস। প্রভৃতি প্ৰস্তুত করিতে পাট, শণ প্ৰভৃতির প্রয়োজন। ক্লষি বা চাষবাস না হইলে পাট জন্মে না। পাট না জন্মিলে BBS DDDS DBDDD uBDD DBB BDH DBBDL BDD একবার একেবারেই পাট ও শণ না জন্মে, তাহা হইলে সে বৎসর পাট শণ হইতে প্ৰস্তুত পণ্য আর প্রস্তুত হইতে পারে না। সেইরূপ ইক্ষু হইতে চিনি, কার্পাস হইতে কাপড়, কাঠ হইতে আসবাব প্ৰভৃতি শিল্পজ পণ্য গ্রস্তুত তয় । ইক্ষু, কার্পাস, কাঠ প্ৰভৃতি কৃষিজ পণ্য। সুতরাং পন উপার্জনের হিসাবে শিল্প অধিক লাভজনক ও নিশ্চিত ফলপ্ৰদ হইলেও, কৃষিই উহার বনিয়াদ, তাহা অস্বীকার করিবার উপায় নাই । কৃষিবিদ্যা কাহাকে বলে, তাহা আর কাহাকেও বলিয়া দিতে হইবে না। জমী চষিয়া বীজ ছড়াইয়া শস্য-বৃক্ষাদি উৎপাদিত করাকেই কৃষি বলে। কৃষিই মানবজাতির খাদ্যসংগ্রহের একটি প্রধান উপায়। ভারতবাসীর খাদ্য প্রধানতাই কৃষির দ্বারাই উৎপন্ন হইয়া থাকে। ধান, গম, দাইল, তরকারী, শাকসব্জী, সমস্তই কৃষিজ পণ্য। যুরোপের মাংসাশীজাতিরা পশুপালনও কৃষির অন্তর্গত বলিয়া মনে করেন, আমাদের দেশের লোকেরা তাহা মনে করেন। না । যাহা হউক, আমরা পশুপালনকে স্বতন্ত্র বিষয় বলিয়াই १०ा कविद । যুয়োপীয়রা বলিয়া থাকেন যে, মানুষ অসভ্য ও বন্য অবস্থায় পশুহনন করিয়াই ক্ষুধার জালা জুড়াইত। ক্রমে তাহার এক স্থানে বসবাস করিতে শিখিলে, কৃষিকৌশল উদ্ভাবিত করে। প্ৰথম অবস্থায় কৃষিবিদ্যা অতি সামান্য ব্যাপ্লার মাত্র ছিল। যুরোপীয়দিগের ধারণা যে, মিশরের নীল নদীর তীরেই মানবজাতি প্ৰথমে বসবাস করিতে আরম্ভ করিয়াছিল। প্রতি বৎসর নীল নদীর জল উদ্বেল ঐ প্লাবিত ভূমির উপর অনেকটা পুরু। পলি পড়ে, বহু সহস্ৰ বৎসর পূর্ক্সে ঐ অঞ্চলের লোকেরা, জমীর জল সরিয়া BB DBBDD BD DDDDDDL DD DBB BB BBS রূপ সামান্যভাবে ऊँoद्ध दौख छज़ाईग्रों निड। জমীতে আগাছা জন্মিলে সেই আগাছগুলিও মারিয়া ফেলিত ; শেষে শস্য সুপাক হইলে, তাহা কান্তে দিয়া প্ৰবৰ্ত্তিত হইবার বহু পূর্বে ভারতে কৃষিকৌশল উদ্ভাবিত হইয়াছিল। ইতিহাসপাঠে জানা যায় যে, কয়েকজন হিন্দু ভারত হইতে মিশরে গমন করিয়া, তথাকার সভ্যতাকে প্রভাবিত করিয়াছিল। সেইজন্যই মনে হয় যে, মিসরবাসীরা ভারতবাসীর নিকট হইতে কৃষিবিদ্যা শিক্ষা করিয়াছিল। এখন সে ইতিহাস বিস্মৃতির। তমোময় গুহায় আত্মগোপন করিয়াছে। সুতরাং কৃষির ইতিহাস আলোচনা ९eर्थन्म खानदार्थक । কৃষির প্রারম্ভিকালের ইতিহাস এখন সম্পূর্ণ অজ্ঞাত থাকিলেও, বর্তমান সময়ে কৃষিবিদ্যার যে যথেষ্ট উন্নতি সংসাধিত হইয়াছে, তাহার প্রমাণ দিকে দিকে দেদীপ্যমান। SHS KHBBDD DBDBDL LDB DBDB DBDDB DB BDD ব্যাপারে পরিণত হইয়াছে। এই উন্নতির ফলে পূর্বে ফ্রান্স বা জাৰ্ম্মােণীতে যে ভূমিতে বিঘাকরা দশ মণ গম জন্মিত, এখন সেই ভূমিতে বিশ্বকরা পচিশ মণ গম জন্মিতেছে। কৃষির এই উন্নতি নিতান্তই আবশ্যক। একটা কথা আছে, যেখানে একগাছি তৃণ জন্মে, সেইখানে যে দুইগাছি তৃণ জন্মাইতে পারে, সে মানবজাতির যত উপকার করে, এত উপকার আর কেহই করিতে পারে না ; য়ুরোপ ও মার্কিণ কৃষির উন্নতিবিধান করিয়া যথেষ্ট পরিমাণে সে উপকারসাধন করিয়াছেন । আমাদের দেশে সে উপকার বিশেষভাবে সাধিত হয় নাই। আমাদের দেশে কৃষির পুরাতন ব্যবস্থাই প্ৰবৰ্ত্তিত রহিয়াছে। সুতরাং জমীর ফসল যাহাতে বৃদ্ধি হয়, তাহার জন্য বিশেষ চেষ্টা হয় নাই। ইহাতে আমাদের যে কি পরিমাণ ক্ষতি হইতেছে, তাহার ইয়ত্ত করা যায় না । সমগ্ৰ ভারতে প্ৰায় বিশ কোটী বিঘা জমীতে ধানের চাষ হয় ; যদি চাষের উন্নতিসাধন দ্বারা বিঘাপ্রতি দেড় মণ ধানের ফসল বৃদ্ধি করা যায়, তাহা হইলে এই ভারতেই ত্রিশ কোটা মণ অধিক ধান জন্মে। ইহাতে যে কত সুবিধা হয়, তাহা নিতান্ত নির্বোধিও বুঝিতে পারে। প্ৰায় বারো কোটা दिशा डूमिड श्रम अग्र-Gछे बादब्रा cकी बिघा अभौद्र উন্নতি করিলে ইহার ফলন যে দ্বিগুণ হয়, সে বিষয়ে সন্দেহ করিবার কোন কারণই নাই। % সুতরাং কৃষির উন্নতির দ্বারা ভারতের যে কত %াের উন্নতি সাধিত হইতে পারে, তাহা ভাবিলে বিস্মিত হইতে DDSS DiuBDBBD D gi BS DB BDE K KBDBD আশী জন প্ৰত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভর করে, সে দেশের কৃষির উন্নতির জন্য জনসাধারণ ও জমীদারদিগের পক্ষ হইতে তেমন চেষ্টা হয় না । ইহাই বিস্ময়ের বিষয়। পাশ্চাত্যপণ্ডিতগণ বলেন যে, শিল্পোৎপাদনে তিনটি বিষয় নিতান্ত আবশ্যক। ঐ তিনটি-ক্ষেত্র, শ্রম ও মূলধন।