প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/২৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


سجاهلا ۔ * „r -ه- n" a অনাথবন্ধু head la-ahma खैडान BS DBB BDBD DBDB DuuD DDD ESS BED গৃহস্থের পক্ষে কঁচের ছিপিওয়ালা বড় শিশিতে বা কোন শিশিতে ভাল করিয়া ছিপি অ্যাটিয়া তাহাতে বীজরক্ষা করাই উচিত। কদাচ এক শিশি ভৰ্ত্তি করিয়া বীজ রাখিৰে না । আধ শিশির অধিক বীজ রাখা উচিত নয়। বীজগুলি রৌদ্রে বেশ শুকাইয়। তবে তাহ ঠাণ্ডা করিয়া শিশিতে পুরিবে। মেঘের সময় বা বর্ষার দিনে বীজ খুলিয়া দেখিবে না । বীজে ঠাণ্ড লাগিলে উহার উৎপাদিকাশক্তি কমিয়া बांध बां जमश्र जमश्र (qहकदांल नट्टे श्शा शांश्ङ७ १liद्ध। অনেকে নাশারী প্ৰভৃতি হইতে বীজ খরিদ করিয়া থাকেন। বিশেষ বিশ্বাসী ব্যক্তিদিগের নিকট হইতে বীজ খরিদ করাই কৰ্ত্তব্য । যে সকল বীজ তৎক্ষণাৎ রোপণ করা না হইবে, সেই সকল বীজ কখনও ঠাণ্ডা দিনে খুলিবে না, গরমের দিনে খুলিয়া অবশিষ্ট বীজ ভাল করিয়া শিশির ভিতর সাবধানে রাখিবে । সভ্য দেশে মেণ্ডেলের পদ্ধতি অনুসারে গাছের নানারূপ পরীক্ষা করা হইতেছে-কত ක්‍රේෂ්න් বর্ষ, আশ্বিন, ७२७ ।। ANNMNM


YB BD BBD DDBDBDSDSBBDD LLL DB BBDD বিষয়ের আলোচনা নিম্প্রয়োজন । আপাততঃ আমি গৃহস্থের ঘরে কি কি আবশ্যক। তরকারী এই সময় রোপণ করা যাইতে পারে, তাহার কথা বলিব এবং সঙ্গে সঙ্গে একটু আধটু সারের কথাও বলিব। একটা কথা এইখানেই বলিয়া রাখি,-যাহারা কোন জমীতে প্ৰথম চাষ দিবেন, সেই জমী কোদলাইলে বা লাঙ্গল দিলে যদি তাহাতে আগাছার শিকড় অধিক আছে দেখিতে পান, তাহা হইলে তাহার উপর কিছু চুণ ছড়াইয়া দিবেন ; তাহা হইলে জমীর উৎপাদিকাশক্তি বেশ বৃদ্ধি পাইবে। পাঁচালীমাটি বা বোদ-মাটিতে চুণ ছড়াইয়া দেওয়া আবশ্যক ; তাঙ্গা হইলে ফসল ভাল হয়। একটু বিস্তীর্ণ জমীতে চাষ করিলে তাহাতে খইলের সার, পাতা-সার, গোময়ের সার প্রভৃতি দেওয়া আবশ্যক। পল্লীগ্রামে অনেক স্থলে উইয়ের ঢ়িবি। থাকে, সেই ঢিবির মাটি বেশ করিয়া গুড়াইয়া জমীতে দিলে বীজের শীঘ্র শীঘ্ৰ অন্ধুর জন্মে। গাৰ্হস্থ্য তারকারী । গিমি-কুমড়া । গিমি-কুমড়া খাইতে ঠিক চাল-কুমড়ারই মত। ইহার গুণও ঠিক ঐ রূপ। ইহা ফলেও বেশ । ইহা উপকারী তারকারী। বেলে-জমীতে এই কুমড়ার আবাদ করিতে হয়। নদীর চরে পলি-মাটিতে ইহা বেশ ভাল হয় । কিন্তু যদি কাহারও বাড়ীতে আটালে-মাটি থাকে, আর তঁাহার যদি এই কুমড়া-রোপণ করিবার ইচ্ছা হয়, তাহা হইলে তঁহাকে একটি প্ৰশস্ত গৰ্ত্ত খনন করিতে হইবে। আর সেই গৰ্ত্তটি অৰ্দ্ধেক বালী আর অৰ্দ্ধেক গোবর-সার, গোয়ালঘরের ওঁচলা আবৰ্জনা প্রভৃতি দিয়া পূর্ণ করিবে । বালীর সহিত ঐগুলি বেশ ভাল করিয়া মিশাইয়া দিবে। এইরূপ করিয়া কিছুদিন ফেলিয়া রাখিবে। পরে কাৰ্ত্তিক অগ্রহায়ণ মাসে সেই মাটিতে গিমিকুমড়ার বীজ পুচিবে। বীজ পুতিবার পূর্বে জমীর মাটি বেশ করিয়া গুড়া করিয়া দিবে এবং সমতল করিয়া লইবে । জমীর কারকিৎ ভাল করিয়া করা চাই । তিন চারি হাত অন্তর চারিটি করিয়া বীজ পুতিবে। সাধারণ গৃহস্থের পক্ষে দুই তিনটি গাছই যথেষ্ট। বীজরোপণ করিবার পর কয়েক দিন উহাতে জলসেচন করিতে হয় । কয়েক দিন পরে ইহার চারা বাহির হয়। দেখিবে, ক্ষেতে বা গাছের গোড়ায় যেন জল না জমে। চারাগুলি একটু বড় হইলে উহার চারি পাশের জমীর ঘাসগুলি উপড়িাইয়া ফেলা উচিত। SBDB KBD DBuBBD BBB BDDSS SBDDB BDD DDDDS অনেক কুমড়া ফলে। এই কুমড়া বেশ পরিপুষ্ট হইলে ইহা অনেক দিন রাখা যায়। ইহার গুণ অনেক, খাইতে ও সুস্বাদু। দীর্ঘকাল রাখা যায় বলিয়া ইহাতে অনেক দিনের জন্য গৃহস্থের ঘরে তারকারীর অভাব দূর করে। , সাবধানত :-জনীতে যেন জল না জমে। জমীর জল বাহির করিয়া দিবার জন্য ছোট ছোট নালা কাটিয়া দিবে। ঘাসগুলি মারিয়া দিবে। গৌড়ী, শামুক ইহার বড় শত্রু। গাছের দিকে একটু নজর রাখা চাই। এই গাছ ও তরকারী করিতে খরচ কিছুই নাই ; কেবল গৃহস্থের সামান্য একটু পরিশ্রম। কিন্তু আজকাল তরি তারকারীর যেরূপ দর, তাহাতে এক একটা ভাল গাছে গড়ে চারি টাকা পাচ টাকা লাভ হয় । চাষীর ক্ষেতে অধিক গাছ জন্মে বলিয়া আয় কিছু কম হইয়া থাকে। বিলাতী কুমড়া বা মিঠে কুমড়া বড় সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। তরকারী। সকল রকম মাটিতেই ইহা জন্মে। কেবল যে স্থানে জল জমে, সে স্থানে ইষ্ঠা জন্মে না। দো-আঁশ-মাটিতে ইহা অধিক ফলে, কিন্তু আটালে-মাটিতে ইহার ফল বড় মিষ্ট হয়। সকল সময়ই এই বীজ রোপণ করা যায়, তবে কাৰ্ত্তিক অগ্রহায়ণ মাসেই বিলাতী কুমড়ারোপণের বিশেষ অনুকুল সময়। একটু যত্ন করিয়া গাছ পুতিলে-কিছু সার দিলে এই কুমড়াগাছে যথেষ্ট ফল হয়। আমি একটি কুমড়াগাছে ৭২টি কুমড়া ফলিতে দেখিয়াছি। তন্মধ্যে ১৮টি কুমড়া খুব বড়। পাইট করিলে সাধারণতঃ এক একটা গাছে ১৫টি হইতে ২৫টি