প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অনাথবন্ধু.pdf/৪২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SDDD BDBLLL DDSDui iDDD OBDBHDB LKiSBD गका ७ अक्-क्याि श्रद्मश्ब्र श्रौत्रम कब्रङ मैौक आबांनপ্রদানের ব্যবস্থা দেখিতে পাওয়া যায়, যখন বর্জনীয় গুরুর লক্ষ্যসকল বলিয়া তদ্রুপ লক্ষণাক্রান্ত ব্যক্তিদিগের নিকট দীক্ষা নিষিদ্ধ, একথাও উক্ত হইয়াছে, যখন ব্ৰহ্মজ্ঞানই গুরুকারণের চরম উদ্দেশ্য, তখন উপরের লিখিত শ্লোকটি শিববাক্য কি কোন গুরুব্যবসায়ীর লেখা, তৎপ্রতি সন্দেহ হয়। যদি শিৰবাক্য বলিয়াও স্বীকার করা যায়, তাহা হইলেও বুদ্ধিতে হইবে, ইহা সাধারণ বিধি। সাধারণ অবস্থায় সাধারণ ও বিশেষ অবস্থায় বিশেষ বিধি পালনীয়। সাধারণ-বিধি অনুসারে পৈতৃক-গুরুবংশে দীক্ষিত হওয়াই উচিত। বিশেষবিধিদ্বারা বলা হইয়াছে যে, পৈতৃক-গুরুবংশে জ্ঞানদানে অক্ষম DD DBBDDD DBKBBD DD KDBBB DDDBBD DDB দীক্ষিত হইবে না ; তখন অন্যত্র জ্ঞানীগুরুর নিকটই দীক্ষিত হইবে । পৈতৃক-গুরুবংশে 'গুরুকরণের উপযুক্ত লোক না থাকিলেও বাধ্য হইয়া অজ্ঞানী ও অযোগ্য ব্যক্তিকেই গুরু করিতে হইবে, উক্ত শ্লোকের এইরূপ তাৎপৰ্য্য হইলে অন্যান্য তন্ত্রের শিববাক্যে দোষম্পর্শ করে। মহানিৰ্বাণতন্ত্রের প্রথম উল্লাসে শিব বলিয়াছেন :- “যথা ৰখা কৃতাঃ প্রশ্নঃ যেন যেন যদ যদা । ° v V53yt9fqot3sf; তথৈবােৰক্তং Ni fel C3 ” অর্থঃ-যে সময়, যে লোক আমাকে যেরূপ প্ৰশ্ন করিয়াছেন, আমি তৎকালে তঁহার উপকারের নিমিত্ত । তঁহার পক্ষে যাহা সঙ্গত, তাহাই বলিয়াছি। ইহা দ্বারাও স্পষ্ট বুঝা যায় যে, এক উপদেশ সাধারণভারে সকলের পক্ষে সমভাবে খাটে না। শিববাক্য সমুদয়ই সত্য, তরে পাত্র ও ক্ষেত্রবিবেচনায় গ্ৰহণ করিতে হইবে। গুরুত্যাগ শাস্ত্ৰে নিষিদ্ধ বলিয়া উল্লেখ আছে। আবার জ্ঞানলুব্ধ শিষ্যের জন্য দীক্ষাগুরু জ্ঞানদানে অক্ষম হইলে LOBDBDB DBBB DBYSS S DBDD BYDDD DB KS গুরুই ব্ৰহ্ম । তিনি কখনই ত্যজ্য নহেন । তঁহাকে পাইবার জন্য মনুষ্য গুরুর আশ্ৰয় লইতে হয় । মনুষ্যগুরু সেই পরামগুরুর মন্ত্রবিশেষ। প্ৰতিমাতে দেবতার পূজার হ্যায়, মনুষ্যগুরুর পুজায় ভগবানের পুজা-মনুষ্যগুরুর সেবায় ভগবানের সেবা হইয়া থাকে। পরে সদগুরুর রূপায় গুরুজ্ঞান হইলে আব্রহ্মস্তয় পৰ্যন্ত সমুদয়ই গুরুরূপে ভাসমান হয়। “গুরুরোকঃ শিবঃ সাক্ষাৎ গুরু সর্বার্থসাধকঃ । ” গুরুরেব পরং তত্বাং সৰ্ব্বং গুরুময়ং জগৎ ॥” i. (মুণ্ডমালাতন্ত্র । ) এই ভাবের উদয় হয় । সাধারণ মানুন্য "গুরুকে প্রথম হইতে যে মহাত্মা সাক্ষাৎ बिड़वक्रश बगिना ब्रिभांग कब्रिज iिcनन, विनि अकृ pala ܚܝܝܣܒܦܣܩܝ [ প্ৰথম বৰ্ষ, অগ্ৰস্থায়ণ, ১৩৯%। ܣܦܩܝ - ܚܣܡܚܒܝܒܩܚܒܝܫܬܡ কথাই শাস্ত্র এবং গুরু-আদেশই সাধন বলিয়া অব্যভিচারবুদ্ধিতে তাহ প্ৰতিপালন করিতে পারেন, তঁহার পক্ষে এত বিচার-আচার দেখিবার কিছুই প্রয়োজন হয় না। অব্যভিচার ভক্তি অতি উপাদেয়। গুরুর প্রতি অব্যভিচার ভক্তি হইলে ভক্তিযোগে সিদ্ধিও অতি নিকট হইয়া আসে। qक िकथों आपक्ष “তোম যায়সে রামকো ত্যায়সে তোমকে রাম।” অর্থাৎ তুমি রামকে যে ভাবে দর্শন করিয়া থাক, রামও তোমাকে সেই ভাবে দর্শন করিয়া থাকেন। উপরে যে অব্যভিচার ভক্তির কথা বলা হইল, সে ভক্তি কয় জনের আছে ? লক্ষ লক্ষ লোকের মধ্যে সেরূপ ভক্ত: BBD BD DBB DB DBDD DBBDD S S SDBBuDDB YS শাস্ত্ৰে যে সকল কথা লিখিত হইয়াছে, তাহা সন্দিগ্ধচিত্ত অথচ সাধনেচ্ছ ব্যক্তিদিগের জন্যই বিবেচনা করিতে হইবে। डैशटलद्ध ऊछझे भांश ७ जूखिा । গুরুবিচারসম্বন্ধে বহু তন্ত্রে বহু প্ৰকার উক্তি আছে। এই সামান্য প্ৰবন্ধে সে সকল বিশদরূপে বলা অসম্ভব । দীক্ষাগ্ৰহণের পূর্বে বিবেচনাপূর্বক সদগুরু নির্ণয় করা উচিত, এই প্ৰবন্ধে ইহাই মাত্র বলা আমার উদ্দেশ্য । গুরু ত্যাগ করিয়া নূতন গুরু কর, ইহা আমার মনোগত ভাবএ কথা যেন কেহ মনে না করেন। পৈতৃক-গুরুবংশে সদগুরু থাকিলে তঁহাকেই গুরুত্বে বরণ করাই সৰ্ব্বাপেক্ষা শ্ৰেয়ঃ । কারণ র্তাহারা পুরুষানুক্রম শিষ্যবংশের হিতৈষী । আমার বলার তাৎপৰ্যা এই যে, যে উদ্দেশ্যে গুরুকরণ, নির্দিষ্ট গুরু হইতে সে উদ্দেশ্য সফল হইবে কি না, তাহা দীক্ষাগ্ৰহণের পূর্বে দেখা আবশ্যক। গুরুতে একান্ত নির্ভর করিতে পারিলেই সহজেই গন্তব্যস্থানে পৌছান যায়। মহাত্মা তুলসীদাস এক সময় কোন লোককে র্যাতায় দাইল ভাঙ্গিতে দেখিয়া বলিয়াছিলেন যে, “যে সকল দাইল ধাতার DBDDBDD DBBBD DDDD DBBSBLDS DDBBBDDSBDDB ভাঙ্গিতেছে ; আর যেগুলি কীলক ধরিয়া আছে, তাহারা ভাঙ্গিতেছে না। অতএব ইহা দ্বারা আমি বুঝিলাম যে, যে সকল সাধক সাধনজন্য নানা পথ ঘুরিয়া বেড়ায়, তাহারাই মারা যায় ; আর র্যাহারা কেবল গুরুর উপর নির্ভর করিয়া থাকে, তঁহাদের কেহই পেষণ করিতে পারে না ।” DDBS BDDD K SBBD BDD DDD DBB SBB BDDuDYDB BBBB DBB DDD DD DBB DY তাহার বাক্যে কি প্রকারে শ্রদ্ধা জন্মাইতে পারে ? সুতরাং DBLBBBD BD DBSDBB KD DDB DDDS DBY সেন নবগুণবিশিষ্ট ব্যক্তিদিগকে কৌলীন্যমৰ্য্যাদা দিয়াছিলেন। ঐ মৰ্যাদা কালক্রমে বংশপরম্পরাগত হইয়া দেশের কত অনিষ্টই করিয়াছে। গুরুকরণও সেইরূপ বংশপরম্পরাগত হইয়াছে। শিব ইহা বলেন নাই। তিনি স্পষ্টীক্ষরে লিখিয়াছেন—