প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৯৬৩ ৷৷ অন্ধকারের আফ্রিকা ধরমশালার প্রিংএর খাটে গদিআটা বিছানার শুতে বেশ আরাম। খাবারেরও সুব্যবস্থা হয়ে থাকে। নিরামিশ খাবারেরই বন্দোবস্ত হয় কারণ হিন্দুরা মাছ মাংস খায় না, মুসলমানরা আবার জবাই করার পক্ষপাতী। ডিসোজা জবাই করা ভাল মনে করেন না, সেজন্যই নিরামিশেরই ব্যবস্থা হয়ে থাকে। টিকুউ-তে অনেক ইউরোপীয়ানও বাস করেন। তঁরা ভারতীয় গ্রামের বহুদূরে একটি পাহাড়ের উপর বাড়িঘর করেছেন। তঁদের বাসস্থানে গেলে আফ্রিকার সম্বন্ধে মামুলী একটি ধারণা। আপনি এসে যায়। এক দিকে ন্যাসা হ্রদের দৃশ্য এবং তারপরই আবার পর্বতগুলি অন্যদিকে উচু হতে উচু হয়ে পশ্চিম দিকের দিগন্থের সংগে গিয়ে মিশেছে। জার্মান, বৃটিশ ডাচ, এ সকল জাতের লোক তাদের ঘরে অবসর সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে পৃথিবীর সৌন্দর্য ভোগ করে। তাদের বাড়ি ঘর এবং বসবাসের ব্যবস্থা দেখলে মনে হয়, তারাই জৰ্ণ ; কি করে সুখে দিন কাটাতে হয়। তাদের স্ত্রীলোকগণও অলস ৭ । কাপড় কাচা, পাক করা, ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দেওয়া, এমন কি অনেক সময় ংগল হতে শুকনা কাঠ পর্যন্ত কুড়িয়ে আনতে আমিই দেখেছি। এদিকের নিগ্রোরা আবার ইউরোপীয়ানদের বয় অথবা বাবুর্চির কাজ ৰুরতে নারাজ । তারা বলে, এসব কাজ হল স্ট্রীলোকের ৷ স্ত্রীলোকের কাজ স্ত্রীলোক করবে, পুরুফ তাদের কাজে ভাগ বসাবে কেন ? ইউরোপীয়ানরা এদিকের নিগ্রোদের এসব কাজে নামাতে আজ পর্যন্ত পারেন নি। বাস্তবিক এ বিষয়ে নিগ্রেীরা যেন ইউরোপীয়ানদের সমকক্ষ ন্মিগ্রীলোককেও ইউরোপীয়দের বাড়িতে কোনও কাজ করতে দেখা যায় না। তারা বলে স্ত্রীলোক হয়ে যারা চাকুরি করে তারা বারবনিতাদের মতই, দরকার হয় কাজ করে সাহায্য করব, কিন্তু অর্থের