প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


w অন্ধকারের আফ্রিকা তাদের এই বাহাদুরী। কিন্তু চলবে না, কারণ বর্তমান সময়ের নিগ্রোহ্বা श् হয়ে প্রাদেশিকতা করতে রাজি নয়। চাকুরির মােহ তাদের অতি অল্পই দেখতে পাওয়া যায়। চাকুরির মোেহই প্ৰভেদের মূল কারণ । ৱাতে শুইবার সময় আমি মশাৱী খাটালাম। তারু এবং তার সাখী তিন জন বাইরেই শুয়ে থাকল। আমি ভাবছিলাম গভীর রাত্রে হয়ত বন্য জীব এসে উৎপাত করবে, কিন্তু এদিকে বন্য জীবের কোন উপদ্রব নাই, অথচ আমাদের দেশের লোক অনেকেই বলেছিলেন, এদিকে এত বন্য জীব রয়েছে যে দিনের বেলায়ই সিংহ মানুষ আক্রমণ করে। নেকড়ে বাঘ এদিকে অনেক দেখতে পাওয়া যায়। এসব নেকড়ে মানুষকে বেশ ভয় করে। ঘুম থেকে উঠে মনে পড়ল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের প্রথম ভাগের কথা । তিনি এক স্থানে লিখেছিলেন “যত কয় তত নয়।” আনুমানিক পনার মাইল পথ আগের দিন আমরা চলেছিলাম। আজ যাতে কুড়ি মাইল পথ চলতে পারি। সেজন্য সকাল কেলাই কিছু পাক করে নিয়ে পথে বের হলাম। এ দিকের পথটি “ যেন একটু ভাল বলেই মনে হতে লাগল। এক সংগে পাঁচ-ছ মাইল পথ চলে আমি পথের কাছে বিশ্রাম করতাম, তারপর তারু এবং তার সাখীরা অনেকক্ষণ পর যখন আসত তখন তারাও কতক্ষণ বিশ্রাম করত, তারপর আবার আমরা পথে বের হতাম। এমনি করে আমরা বেলা চারটা পৰ্যন্ত পথ চলে একটি শুষ্ক নদীতীরে রাত কাটাবার জন্য মশাৱী খাটালাম। ". নদী সর্বত্ৰ শুকিয়ে যায় নি। আমরা যে স্থানে মশাৱী থাটিয়ে ছিলাম তার অল্প দূরে জল আটকে রয়েছিল। জল বড়ুই পরিষ্করণ