প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৩০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


# জানজিবার R করেন। এরূপ বেনামী সম্পত্তি বৃটিশের ভারতেও অনেক আছে। অতএব সুলতান কেমন এবং কিরূপে তিনি রাজ্য শাসন করেন জািনবার জন্য আমি মোটেই চেষ্টা করি নি। তিনি কেমন সুখে দিন কাটাচ্ছেন তা জেনেছি। এবং জেনে, সুখী হয়েছি । তঁকে মাসিক বেশ মোটা এলাউন্সিই দেওয়া হয়। সুলতানের সংগে একদিন পথে দেখা হয়ে যায় । লোকটির চোখের তারা নীল, নাক খাগনাসা, আজানুলম্বিত বাহু, কপাল বেশ উঁচু, দেখলেই মনে হৱ লোকবি জাতে "সিমেটিক” । বাংলা দেশের লোক যেমন গৌরাঙ্গ ভক্ত। এখানকার লোকও বিশেব করে অৰ্দ্ধ-নিগ্রো এবং ভারতীয়রা সেইরূপ ‘সিমেটিক’ অথবা গৌরাঙ্গ শ্রেণীর লোঙ্কের পদানত হয়ে থাকতে ভালবাসে। সেজন্যই অৰ্দ্ধ-নিগ্রো এবং ভারতীয়রা সুলতানকে শুধু সম্মান করে না, রীতিমত ভক্তি করে। রাজভক্তি হল পদদলিত জাতির পৈতৃক সম্পত্তি। সুলতানেব। বাড়িটাকে একটা দুৰ্গ বললেও বেশী বলা হবে না । আরবগণ দুর্গকে “কোত” বলে। জানজিবার সমুদ্র হতে অতি অল্প উচুতে অবস্থিত বলেই দুর্গটি সমুদ্রতীরেই গঠন করা হয়েছিল। আরবদের তখনকার দিনে সমুদ্রেও আধিপত্য ছিল সেজন্যই দুর্গও সমুদ্রতীর থেকে দূরে তৈরী করা হয় নি; দুর্গের পেছন দিক দিয়ে একটা পথ গিয়েছে। দূর থেকে সুলতান, দর্শন করে ছোট পথ ধরে চল্লাম। প্রথমত কতকগুলি দোকান পেলাম। দোকানগুলির মালিক আরব । এদিকের আরবগণ দাড়ি-গোঁফের পক্ষপাতী নয়। এখানকার ভারতীয় এবং নিগ্রেী মুসলমানদের মাঝে প্ৰবল ধারণা রয়েছে দ্বাড়ি-গোফ লা রাখলে স্বৰ্গে যাওয়া যায় না । সেজন্যই বোধ হয়। এখানকার আরবদের হিন্দিদের মধ্যে কেউ কেউ বিধর্মও বলে।