প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


bró অন্ধকারের আফ্রিকা চাকরকে এক পেয়ালা চা দিতে বলায় সে চা দিতে রাজি হল না। : মনিবকে সেবা করা যার একমাত্ৰ কাম্য সে তার সমশ্রেণীর লোককে কি করে সাহায্য করতে পারে ? আমিও চায়ের জন্য জোর করিনি, কম্বল মুড়ি দিয়েই শুয়ে পড়ি । সন্ধ্যা হয়ে গেছে। দোকান এখন বন্ধ হয়েছে। দোকানী চেলারামের ধর্মভাব জেগে উঠেছে, তাই আমার মত অতিথিকে ডেকে এক পেয়ালা চ দান করে কৃতাৰ্থ হলেন । রাতের খাওয়া বেশ ভালই হয়েছিল । 褒 পরের দিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই শুনলাম “জয় সীতায়াম, জয় রাম নাম * ভাবলাম। এরা অপরের জয় কীৰ্ত্তন করে। একবার নিজের জয়ের কথা ভাবে না। ভারতীয় বণিকদের কথা ভেবে আর লাভ নাই । এবার নিগ্রোদের কথাই ভাবা ভাল। সকালে “নাস্তা”র ব্যবস্থা হয়েছিল । ন্যস্ত করে আমি বিয়া হয়ে পড়লাম নিগ্ৰো পাড়ার দিকে । মন আমার চিন্তাকুল, ধ্রুকটু যেয়েই একটা নালার কাছে বসে মাটি পরীক্ষা করতে বসলাম । আধ ঘণ্টার মাঝেই আমার মাটি দেখা হয়ে গেল। যে দিকে চলেছিলাম সেদিকে পথ ছিল না-গাছের নীচে নীচে যেয়ে এক খানা গ্রামে পৌছাইলাম। গ্রাম সবে গড়তে আরম্ভ হয়েছে। কয়েকখানা ঘরও তৈরী হয়েছে। যে কয়খানা 7 ঘর তৈরী হয়েছে তা ভারতীয় ধরণের মেটে ঘাৱ । একজন মিন্ত্রিকে জিজ্ঞাসা করলাম “তোমরা কাঠের ঘর করা না কেন ? মিস্ত্রি বলল, “মহাশয় আমরা কাঠের ঘর কি করে তৈরী করব! সর্বপ্রথম আমৱা মহা গরীব দ্বিতীয়ত এদিকে কাঠের ঘর শুধু বিদেশীদেরই করতে দেওয়া হয়, আমাদের কাঠের ঘৱ গড়বার অধিকার নাই৷ ” “কেন এমন হয় বলতে পায় ?” লোকটি বলল