প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* অরণ্যে b”፩b তা হল না, কথাগুলি একটু ধীরে চলতে লাগল। সবাক চিত্রে গিয়ে যদি কথা শুনতে না পারা যায়। তবে সিনেমা 'দেখে লাভ কি ? এরা তা বুঝে না, আপনি আপনি ব্যবসায়ের কথা বলছিল। এদের বক্‌বকি আমার ভাল লাগছিল না। তাই সিনেমা শেষ হবার পূর্বেই ঘরে ফিরে এসেছিলাম । চুনিয়া স্বর্ণখনিতে অনেক নিগ্রো বাস করে তাদের প্রার্থনার জন্যে একটা চাচা হবে, তারই প্ল্যান নিয়ে এক পাদরী বেশ মসগুল হয়ে উঠেছিলেন । তার কার্ধ প্রণালী আর ভাৱতে অব্রাহ্মণের বাড়িতে ব্ৰাহ্মণের কার্যপ্ৰণালী একই ধরণের বলে মনে হল। যত গীর্জা আছে তার পাদরী হল সবাই শ্বেতকায় কিন্তু শ্বেতকায়দেয় গির্জায় কোন কৃষ্ণকায় প্ৰবেশ করতে পারে না। বিষয়টা একদম আমাদের সংগে মিলে যায় দেখে এক দিকে যেমন আনন্দ হল তেমনি অন্যদিকে ভয় হল, আফ্রিকাতেও ভারতের দূষিত বাতাস প্রবেশ করেছে দেখে। চুনিয়া ছেড়ে আসবার পূর্বে একদিন একটি স্বর্ণখনিতে গেলাম। দেখলাম মাত্র চার হাত মাটির নীচে সোনা পড়ে আছে। নিগ্ৰোৱা “শ্লো” মেশিন দিয়ে তাই পরিষ্কার করছে ‘ওরা বস্তায় ভরে বস্তাগুলি যেখান সোনা গলান হয়। সেখানে পাঠাবার বন্দোবস্ত করছে। মাটি খুঁড়ে সোনা বুয়রই করুক আত্মার যেই করুক সোনার দাম নির্ণর করার অধিকার বৃটিশ ধনীদের হাতেই রয়েছে, আর কারো সে অধিকার নাই। র্সে দিনই বিকাল বেলা একটি উলুবনের দিকে পায়ে হেটে চলছিলাম। মনে হচ্ছিল। কেউ যেন আমার দিকে আসছে। আমি মাগন্তকের এ অপেক্ষ না করে নিজেই আঙ্গিয়ে গেলাম। অনেকক্ষণ