প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অন্ধকারের আফ্রিকা.djvu/৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্ধকারের আফ্রিকা নিয়ম। ফ্লোওয়াজ আরবী কি পারসী শব্দ হবে তা জানি না। তবে কথাটা সোহেলী ভাষায়ও স্বান পেয়েছে। চুনিয়া স্বর্ণখনিতে নিগ্রোদের দুর্দশা, বুয়দের রাজকীয় হালচাল, এবং ভারতবাসীর “বেনেবুদ্ধি” দেখে সেখানে থাকতে মোটেই ইচ্ছা হচ্ছিল না। এদিকে চুনিয়াতে রটে গিয়েছিল “আমি যার বাড়িতেই যাই, তার বাড়িতেই লক্ষ্মী নামীয় দেবতাটি আমার পেছন পেছন ছুটে গিয়ে তার বাড়ীতে চলে যান।” মবিয়ার অন্য আর এক সিন্ধি ধনীর কানে সেই কথাটি লোকমুখে পৌঁছেছিল। তিনি বিলম্ব সইতে না পেরে, মোটর যোগে এসে আমাকে বললেন “আমাদের সেখানে চলুন, লোক আপনাকে দেখবার জন্য' উৎগৃব হয়ে রয়েছে।” এই কয়টি কথা বলেই তিনি আমাকে নিয়ে মোটরে বসালেন এবং আমার সাইকেল খান এবং পিঠঝোলাটা নিজেই মোটরের পেছনে বঁাধলেন। মবিয়ায় পেঁৗছতে আমাদের দেৱী হল না । সেদিনই বিকাল বেলা ইণ্ডিয়ানদে: সকলের সংগে দেখা সাক্ষাৎ করলাম এবং সময় কাটার জন্য কয়খঃ, নবেল কিনে एळ 1 মবিয়া হতে আমার মায়া যাবার কথা ছিল। পথে টিকুউ বলে একটি বড় গ্রাম আছে। তাও দেখার প্রবল ইচ্ছা ছিল। মবিয়া ইতে মায়া পৰ্যন্ত যে বড় পথটা গিয়েছে তার আগাগোড়াই ক্রমেই নীচের দিকে চলেছে। সাইকেলে চলতে কষ্ট নহবার কোন সম্ভাবনাই ছিল না, কিন্তু ডিসোজা নামে আর এক গোয়ানী ভদ্রলোক আমাকে ধরে বসলেন। তার বাড়িতে তঁরই সংগে যেতে হবে এবং কয়দিন থাকতেও হবে, * আমি, রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু মবিয়ায় সিন্ধি মহাশয় আমাকে ছাড়ছিলেন না । তায়ঞ্চ নাকি বিক্রি বেশ ভাল হছিল। মবিয়ায় এরোপ্লেনের ঘাট, মায় ইণ্ডিয়ানদের কষয় এবং সৎকার S8 ཅི་ &ჯ--