পাতা:অন্ধকূপ-হত্যা-রহস্য - মুজিবর রহমান.pdf/৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“অন্ধকূপ-হত্যা”-রহস্য প্রয়ােজন নাই.••••••••যাহারা এ সব ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তাহারা বলেন যে, তাহারা কমপক্ষে দুইশত লােককে ডুবিয়া মরিতে দেখিয়াছেন। যে মুহূর্তে মুসলমানগণ ( Moors ) দুর্গ অধিকার করেন, সেই মুহূর্তে অনেক নােক সাঁতার দিয়া নৌকা ধরিবার চেষ্টা করিতে গিয়া ডুবিয়া মরিয়াছে। দুর্গমধ্যে ধৃত ১৬০ জন ইউরােপীয়কে একটা ক্ষুদ্র কক্ষে তাহারা এমনই ভাবে অবিদ্ধ করিয়াছিল যে, তাহারা কেবল হস্তোত্তোলন করিয়া দাড়াইবার স্থান মাত্র পাইয়াছিল। প্রথম রাত্রেই ১৩২ জন শ্বাসরুদ্ধ হইয়া প্রাণত্যাগ করে”। (৪৪) পত্ৰখানিতে পত্রপ্রেরকের নাম পাওয়া যায় না, তবে ইহা পাঠ করিয়া মনে হয়, পত্রপ্রেরক পত্রখানি ঢাকার কোন বন্ধুর নিকট লিখিতেছেন। ২৪। (খ) চন্দননগরস্থিত ফরাসী কুঠীর অধ্যক্ষ বঁসেট কর্তৃক লিখিত ও ডুপ্লের নিকট প্রেরিত একখানি ফরাসী চিঠির অনুবাদ। ৮ই অক্টোবর, ১৭৫৬। “...•••••এই সুবা (সুবাদার)•••••"সম্প্রতি যে সব টাকা খরচ করিয়াছেন, তাহা সংগ্রহের নিমিত্ত ইউরােপীয় জাতিগণের সহিত ঝগড়া বাধাইবার সুবিধা খুঁজিতেছিলেন। তিনি একটা বিশেষ শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী সংগ্রহ করিয়া ইংরাজগণের কাসিমবাজার কুঠী অধিকার করিবার জন্য তথায় যাইয়া উপস্থিত হন। “( কাসিমবাজারন্থিত) ফরাসী কুঠীর অধ্যক্ষ মসি য়ে ল্য নবাবের আদেশে এবং নিজের দায়িত্বে সমস্ত ইংরেজ মহিলাগণকে তাহার কুঠীতে আশ্রয় দিয়াছিলেন। নবাব তখন তাহার সমগ্রবাহিনীসহ কলিকাতা অবরােধ করিবার জন্য সেইদিকে চলিলেন। আপনি চন্দননগরের (৪৪) Hill: Vol. 1 pp. 48-53 ৫ । । ৪৬