প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SO অপরাজিত খানিকক্ষণ পরে বাড়ির মধ্যে ঢুকিয়া পড়িয়া একেবারে জ্যাঠাইমাকে পাইল দরজার সামনের রোয়াকে ৷ প্ৰণাম করিয়া পায়ের ধলা লইল, জ্যাঠাইমার মাখে যে বিশেষ প্রীতি বিকশিত হইল না, তাহা আপ ছাড়া যে-কেহ বঝিতে পারিত । তাহার সংবাদ লইবার জন্য তিনি বিশেষ কোন আগ্রহ প্রকাশ করিলেন না, সে-ই নিজের সঙ্কোচ ঢাকিবার জন্য অতসাঁদ কবে শৰ্মশরবাড়ি গিয়াছে, সনেীল বাকি কোথায় বাহির হইয়াছে প্রভৃতি ধরণের মামলী প্রশ্ন করিয়া যাইতে লাগিল । তারপর জ্যাঠাইমা কোথায় চলিয়া গেলেন, কেহ বাড়ি নাই, সে দালানের একটি বেণ্ডিতে বসিয়া এক্লখানা এল রায়ের ক্যাটালগ নাড়িয়া চাড়িয়া দেখিবার ভান করিল। বইখানার মধ্যে একখানা বিবাহের প্রীতি-উপহার, হাতে লইয়া বিস্ময়ের সহিত দেখিল-সেখানা সরেশের বিবাহের ! সে দঃখিতও হইল, আশচষও হইল, মাত্র মাসখানেক আগে বিবাহ হইয়াছে, সরেশন্দা তাহার ঠিকানা জানে, সবই জানে, অথচ কি জ্যাঠাইমা, কি সরেশন্দা, কেহই তাহাকে জানায় शै । ‘ন যযৌ ন তস্থৌ অবস্থায় বেলা সাড়ে দশটা পর্যন্ত বসিয়া থাকিয়া সে জ্যাঠাইমার কাছে বিদায় লইয়া চলিয়া আসিল ; জ্যাঠাইমা নিলিপ্তি, অনমনস্ক সারে বলিল-আচ্ছা তা’ এসো-থাক থাকত-আচ্ছা । ফুটপাতে নামিয়া সে হাঁপ ছাড়িয়া ধাঁচিল । মনে মনে ভাবিল-সারেশাদার বিয়ে হয়ে গিয়েছে ফালগন মাসে, একবার বললেও না। --অথচ আমাদের আপনার লোক-অ্যাজ দ্যাখো না নববষের দিনটো খেতেও বললে না খানিকদরে আসিতে আসিতে তাহার কেমন হাসিও পাইল। আচ্ছা যদি বলতাম, জেঠমা আমি এখানে এবেলা খাবো তাহলে—সঁহ-হি-তাহলে কি হতো ! বাসার কাছে পথে সন্দির-ঠাকুর হোটেলওয়ালার সঙ্গে দেখা ৷ দ'দবার নাকি সে অপাের বাসায় গিয়াছে, পায় নাই, আজ পয়লা বৈশাখ, হোটেলের নতুন খাতা-টাকা দেওয়া চাই-ই। সন্দির-ঠাকুর চীৎকারের সরে বলিল-ভাতের তো এক পয়সা দিলে না-আবার লাচি খেলে বাবা, ন'দিন-সাত আনা হিসাবে সাত নং তেষটি অনা-তিন টাকা পনেরো অনা-অ্যাজ তিন মাস ঘোরাচ্ছে, আজি খাতা মহরিৎ-না দিলে হবেই না বলে দিচ্ছি । অপাের দোষ-লোভে পড়িয়া সে কোথা হইতে শোধ দিবে না ভাবিয়াই ধারে BDSDBD D Du DBBDDBS S BBkBDSDBB DD D DBB EEK DDD জটিয়া গেলা-পথে দাঁড়াইয়া অপদস্থ হওয়ার ভয়ে সে কোথা হইতে দিবে বিন্দবিসর্গ না ভাবিয়াই বলিল, বৈকালে নিশ্চয়ই সব শোধ করিয়া দিবে। বৈকালে একটা বিজ্ঞাপনে দেখিল কোন স্কুলে একজন ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করা শিক্ষক দরকার, টাটকা মারিয়া দিয়া গিয়াছে, এখনও কেহ ছেড়ে নাই । খাজিয়া তখনি বাহির করিল, মেছয়াবাজারের একটা গলির মধ্যে কাহীদের ভাড়া বাড়ির বাহিরের ঘরে স্কুল-আপার প্রাইমারী পাঠশালা। জনকতক বন্ধ বসিয়া, দাবা খেলিতেছেন, একজন তাহার মধ্যে নাকি স্কুলের হেডমাস্টার । অঙ্কের শিক্ষক--দশ টাকা মাহিনী-ইত্যাদি । বাজার যা তাতে ইহাই যথেস্ট ।