প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


nVf अश्ब्राजिऊ ছিল, প্রতিমার চােখের মত টানা, আয়ত সন্দর চোখ দটির উপর দীঘি, ঘনকালো, জোড়াভুরার মাঝখানটিতে টিপ মানাইয়াছে কি সন্দির। অপর মনে হইল-এই মাখের জন্যই জগতের টিপ সন্টি হইয়াছে-প্রদীপের স্নিগ্ধ আলোয় এই টিপ-পরা মাখখানি বার-বার সাতৃষ্ণ চোখে চাহিয়া দেখিবার জন্যই । অপণা বলে-ছাই দেখাচ্ছে, এ বয়েসে কি টিপ মানায় ? কি করি পরে { ছেলে, বললে তো আর কথা শািনবে না। তুমি ! ţi --না গো পরের মেয়ে, শোনো একটু সরে এসো তো--ভারী দলটু-এক, জবালাতনও তুমি করতে পাের!:-- অপ বলিল-আচ্ছা, আমায় দেখতে কেমন দেখায় বলো না। সত্যি -কেমন •श् ग्रभात ? ऊाळा, न! ८°'षान्त भाऊ ? অপণার মািখ কৌতুকে উক্তজবল দেখাইল – নাক সিটকাইয়া বলিল-বিশ্ৰী, পেচার মত { অপ, কৃত্ৰিম অভিমানের সরে বলিল-আর তোমার মািখ তো ভাল, তা হলেই হয়ে গেল। যাই, শাইগে যাই। --রাত কম হয় নি-কাল ভোরে আবার বধ, খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল। এই রান্ত্রিটা গভীর দাগ দিয়া গিয়াছিল। অপর মনে । মাটির ঘরের আনাচেকানাচে, গাছপালায় বাঁশবনে, ঝিম ঝিম নিশীথের একটানা বর্ষার ধারা । চারিধারই নিস্তবধ । পবেদিকের জানােলা দিয়া বিষাসজল বাদল রাতের দমকা হাওয়া মাঝে মাঝে আসে-মাটির প্রদীপের আলোতে, খড়ের ঘরের মেঝেতে মাদর বিছাইয়া সে ও অপর্ণা ! অপ বলিল - দাখো আজ রাত্রে মায়ের কথা মনে হয়-মা যদি আজ থাকতেন : অপণা শান্ত সরে বলিলা-মা সবই জানেন, যেখানে গিয়েছেন, সেখান থেকে সবই দেখছেন। পরে সে কিছ. ক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া চোখ তুলিয়া সত্বামীর মখের দিকে চাহিয়া বলিল-দাখো, আমি মাকে দেখেছি। অপ, বিসময়ের দক্ষিত্রিটতে স্ত্রীর দিকে চাহিল। অপণার মাখে শান্ত, স্থির বিশ্ববাস ও সরল পবিত্রতা ছাড়া আর কিছ নাই । অপণা বলিল-শোন, একদিন কি মাসটায়, তোমার সেদিন চিঠি এল দােপর বেলা। বিকেলে আচিল পেতে পানচালার পিড়েতে শায়ে ঘামিয়ে পড়েছি।-- সেদিন সকালে উঠোনের ঐ লাউগাছটাকে পতেছি, কgি কেটে তাকে উঠিয়েছি, খেতে অনেক বেলা হয়ে গিয়েছে, বাকলে ঐ সাবপ্নে দেখছি-একজন কে দেখতে বেশ সদর, লালপোড়ে শাড়ি-পাবা, কপালে সিদর, তোমার মাখের মত আদল, আমায় আদর করে মাথার চুলে হাত বলিয়ে বলছেন-ও অ্যাবাগীর মেয়ে, অবেলায় শয়ো না, ওঠা, অসখি-বিসাখ হবে। আবার ? তারপর তিনি তাঁর হাতের সিদরের কোঁটো থেকে আমার কপালে সিদর পরিয়ে দিতেই আমি চমকে জেগে উঠলামএমন সাপটে আর সত্যি বলে মনে হ’ল যে, তাড়াতাড়ি কপালে হাত দিয়ে দেখতে গেলাম সিদর লেগে আছে কিনা-দেখি কিছুই না-বািক ধড়াসা করে উঠল-- চারদিকে অবাক হয়ে চেয়ে দেখি সন্ধ্যে হয়ে গিয়েছে-বাড়িতে কেউ নেই-খানিক