প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত NAS) . কিন্তু বাধ্য হইয়া সে রান্ত্রিটা সেখানে কাটাইতে হইল, কারণ অপণারা গোল বৈকালের ট্রেনে। কোনদিন লাচি হয় না। কিন্তু দাদার কাছে স্বামীকে ছোট হইতে না হয়, এই ভাবিয়া অপণা দিইদিনই রাত্রে লাচির ব্যৱস্থা করিয়াছিলআজও স্বামীর খাবার আলাদা করিয়া ঘরের কোণে ঢাকিয়া রাখিয়া গিয়াছে । লচি ক’খানা খাইয়াই অপর উদাস মনে জানালার কাছে আসিয়া বসিল । খাব BDLDD DDDS DB DBD S BBDB BBB gDgD DB Bg DDDBB শান্য ঘর, শান্য শয্যাপ্রান্ত-অপাের চোখে প্রায় জল আসিল । অপণা সব বঝিয়া তাহাকে এই কন্টের মধ্যে ফেলিয়া গেল । বড়লোকের মেয়ে কিনা ?*** আচ্ছা বেশ • • • অভিমানের মাখে সে এ কথা ভুলিয়া গেল যে, অপর্ণা আজ ছ'- মাস এইশান্য বাড়িতে শান্য শয্যায় তাহারই মািখ চাহিয়া কাটাইয়াছে ! পরদিন প্রত্যুষে অপ, কলিকাতা রওনা হইল। সেখানে দিনচারেক পরেই ঔপণার এক পত্ৰ আসিল,-আপ সে পত্রের কোনও জবাব দিল না। দিন পাঁচ-ছয় পরে অপণার আর একখানা চিঠি । উত্তর না পাইয়া ব্যাপ্ত আছে, শরীর ভাল আছে তো ? অসখ-বিসখের সময়, কেমন আছে পত্রপাঠ যেন জানায়, নতুবা বড় দভাবনার মধ্যে থাকিতে হইতেছে । তাহারও কোন জবাব গেল না । মাসখানেক কাটিল । কাতিক মাসের শেষের দিকে একদিন একখানা দীঘ পত্র আসিল । অপণা লিখিয়াছে-ওগো, আমার বকে এমন পাষাণ চাপিয়ে আর কতদিন রাখবে, আমি এত কি অপরাধ করেছি। তোমার কাছে ?• • • আজ একমাসের ওপর হ’ল তোমার একছত্র লেখা পাই নি, কি ক’রে দিন কাটাচ্ছি, তা কাকে জানাব ? দ্যাখো, যদি কোন দোেষই ক'রে থাকি, তুমি যদি আমার উপর রাগ করবে। তবে ত্ৰিভুবনে, আর কার কাছে দাঁড়াই বল তো ? অপ ভাবিল,-বেশ জব্দ, কেন, যাও বাপের বাড়ি !-আমাকে চাইবার দরকারী কি, কে আমি ? সঙ্গে সঙ্গে একটা অপব পালকের ভাব মনের কোণে দেখা দিল-পথে, ট্রামে, আফিসে, বাসায়, সব সময়, সকল অবস্থাতেই মনে না হইয়া পারিল না যে, পথিবীতে একজন কেহ আছে, যে সব দা তাহার জন্য ভাবিতেছে, তাহারই চিঠি না পাইলে সে-জনের দিন কাটিতে চাহে না, জীবন কিংবাদ লাগে । সে যে হঠাৎ এক সন্দেরী তরণীর নিকট এতটা প্রয়োজনীয় হইয়া উঠিয়াছে’-এ অভিজ্ঞতা সম্পণে অভিনব ও অদ্ভুত তুহার কাছে । অতএব তাঙ্কাকে আরও ভাবাও, আরও কমন্ট দাও, তাহার রজনী আরও বিনিদ্র করিয়া তোল । সতরাং অপণার মিনতি ব্যথা হইল । অপর চিঠির জবাব দিল না । এদিকে অপদের অফিসের অবস্থা বড় খারাপ হইয়া আসিল । কাগজ উঠিয়া যাইবার যোগাড়, একদিন সর্বত্বাধিকারী তাহদের কয়েকজনকে ডাকিয়া পাঠাইলেন, কি করা উচিত সে-সম্বন্ধে পরামর্শ । কথাবাতার গতিকে বঝিল কাগজের পরমায়, আর বেশী দিন নয় । তাহার একজন সহকমী বাহিরে আসিয়া