প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৯৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


వ8 অপরাজিত পি টু আসিয়া বলিল-ও কাকাবাব - মা আপনাদের কেরোসিনের তেলের বোতলাটা কোথায় জিজ্ঞেস করলে অপ, বিস্ময়ের, সরে বলিল - ঘরে কে রে, পিটু ? তোর মা ? --ও ! বৌঠাকরণে ? বলিতে বলিতে সে উঠিয়া দেখিল পিটুর মা ঘরের মেঝেতে সেন্টাভ শছিতেছে । - বৌ-ঠাকরণ, তা’ আপনি আবার কাজটি ক’রে কেন মিথ্যে-আমিই বরং Ges তেলের বোওলটা দিয়া সে আবার আসিয়া বারান্দাতে বসিল । পিন্টুর মা স্টেভ জবালিয়া চা ও খাবার তৈরী করিয়া পিটুর হাতে পাঠাইয়া দিল ও মোজেতে খাইবার ঠাঁই করিয়া ভাতের থালা ঢাকা দিয়া রাখিয়া গেল । পিটুর বাবা সারিয়া উঠিয়াছেন, তবে এখনও বড় দাবলি, লাঠি ধরিয়া সকালে বিকালে একটু-আধটু গোলদীঘিতে বেড়াইতে যান, নিচের একঘর ভাড়াটে উঠিয়া যাওয়াতে সেই ঘরেই আজকাল ইহারা থাকেন । ডাক্তার বলিয়াছে, আর মাসখানেকের মধ্যে দেশে ফেরা চলিবে । পরদিন সকালেও পিটুর মা ভাত দিয়া গেল। বৈকালে আফিস হইতে আসিয়া কাপড় জামা না। ছাড়িয়াই বাহিরে বারান্দাতে বসিয়াছে । বউটি সেন্টাভি ধরাইতে আসিল । অপ উঠিয়া গিয়া বলিল - রোজ রোজ। আপনাকে এ কাজটি করতে হবে না, বৌদি । আমি এই গোলদীঘির ধারের দোকান থেকে খেয়ে আসব চা । বউটি বলিল আপনি অত কুণ্ঠিত হচ্ছেন কেন ঠাকুরপো, আমার আর কি কথািট ? টুলটা নিয়ে এসে এখানে বসন, দেখােন চা তৈরী করি । এই প্রথম পিটুর মা তাহার সহিত কথা কহিল । পিটু বলিল-কাকাবাব, আমাকে গোলদীঘিতে বেড়াতে নিয়ে যাবে ? একটা ফুলের চারা তুলে আনিব, 'gዜoፃ ዏኛUU Öቸኛ ] বউটির বয়স লিশের মধ্যে, পাতলা একহারা গড়ন, শ্যামবণ, মাঝামাঝি দেখিতে, খব ভালও নয়, মন্দও নয় । অপ, টুলটা দয়ারের কাছে টানিয়া বসিল । বউটি চায়ের জল নামাইয়া বলিল--এক কাজ করি ঠাকুরপো, একেবারে চাটি ময়দা মেখে আপনাকে খানকতক লাচি ভেজে দি-ক’খানাই বা খান—একেবারে রাতের খাবারটা এই সঙ্গেই খাইয়ে দি-সারাদিন ক্ষিদেও ত্যে Cዏiር፰፻፱ ! মেয়েটির নিঃসঙ্কোচ ব্যবহারে তাহার নিজের সঙ্কোচ ক্ৰমে চলিয়া যাইতেছিল । সে বলিল - বেশ । কারন মন্দ কি । ওরে পিটু, ওই পেয়ালাটা নিয়ে আয় --থাক, থাক ঠাকুরপো, আমি ওকে আলাদা দিচ্ছি। কোটুলিতে এখনও চা আছে - আপনি খান । আপনাদের বেলনেটা কোথায় ঠাকুরপো ? --সািহত্য আপনি বড় কন্টে করছেন, বৌ-ঠাকরণ-আপনাকে এত কম্পট দেওয়াটা