প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত ঘরিতে ঘারিতে দাপরের পর সে গেল কুতবা হইতে অনেক দরে গিয়াসউদ্দিন তোগলকের অসমাপ্ত নগরী-তোগলকাবাদে । গ্ৰীৰাম দাপরের খররৌদ্রে তখন চারিধারের উষ্ণর ভূমি আগােন রাঙা হইয়া উঠিয়াছে। দরি হইত্ত্বে তোগলকাবাদ দেখিয়া মনে হইল যেন কেনি দৈত্যের হাতে গাঁথা এক বিরাট পাষাণ-দােগ ! তৃণবিরল। উষরভূমি, পত্ৰহীন বাবলা ও কণ্টকময় ক্যাকটাসের পটভূমিতে খররৌদ্রে সে যেন এক বিবর-অসরিবীয সউচ্চ পাষাণ দাগ প্রাচীর হইতে সিন্ধা, কাথিয়াবাড়, মালব, পাঞ্জাব,--সারা আযাবতীকে ভ্ৰকুটি করিয়া দাঁড়াইয়া আছে । কোথাও সক্ষম কার্যকার্যের প্রচেষ্টা নাই বটে, নিম্ঠার বটে, রক্ষ বটে, কুন্তু সবটা মিলিয়া এমন বিশালতার সৌন্দয, পৌরুষের সৌন্দৰ্য, বিবরতার সৌন্দৰ্য-বা মনকে ভীষণভাবে আকলিট করে, হৃদয়কে বঞ্জামণিটিতে অাঁকড়াইয়া ধরে । সব আছে, কিন্তু দেহে প্ৰাণ নাই, চারিধারে ধবংস ঈশ্বপ, কাঁটাগাছ, বিশঙ্খলতা, বড় বড় পাথর গড়াইয়া উঠিবার পথ বজাই যা রাখিয়াছৌ-মািতমাখের ভ্ৰকুটি মাত্র । সাধ, নিজামউদ্দীনের অভিশাপ মনে পড়িল-ইয়ে বাসে গাজর, ইয়ে রাহে গজিরা পথীরায়ের দাগের চবতারার উপর যখন সে দাঁড়াইয়া-হি-হি, কি মশাকিল, . কি অদ্ভুতভাবে নিশ্চিন্দিপরের সেই বনের ধারের ছিরে পক্রেটা এ দাগের সঙ্গে DDDB BBDDD DBBYS DBDB DDDD BLB EEDDB DD SuBBLSBDu পড়িতে পড়িতে কতবার কল্পনা করিত, পথিবীরায়ের দাগ ছিরে পকূরের উচু ও-দিকের পাড়াটার মত বঝি !-- “এখনও ছবিটা দেখিতে পাইতেছে-কতকগলি গগলি শামাক, ও-পারের বাঁশঝাড়। যাক , চবতিরার উপর দাঁড়াইয়া থাকিতে থাকিতে দীর পশ্চিম আকাশের চারিধারের মহাশিশানের উপর ধসের ছায়া ফেলিয়া সাম্রাজ্যের উথান-পতনের কাহিনী আকাশের পটে আগমনের অক্ষরে লিখিয়া সময অপ্ত গেল । সে সব অতি পবিত্র, গোপনীয় মাহত অপর জীবনে-দেবতারা তখন কানে কানে কথা বলেন, তাহার জীবনে এরপে সব্যাপ্ত আর কাটা বা দিয়াছে ? ভন্ন ও বিস্ময় দই-ই হইল, সারা গায়ে যেন কাঁটা দিয়া উঠিল, কি অপােব অনভূতি ! জীবনের চক্রবালনেমি এতদিন যে কত ছোট, অপরিসর छिन, आअकाद्ध ग्रिन्द्र अश्या उाशा अनऊ ना ! নিজামউদ্দীন আউলিয়ার মসজিদ প্রাঙ্গণে সম্রাট-দহিতা জাহানারার তৃণাবত পবিত্র কবরের পাবে দাঁড়াইয়া মসজিদ দাবারে ক্লীত দিন-চার পয়সার গোলাপফুল ছড়াইতে ছড়াইতে অপর অশ্রা বাধা মানিল না। ঐ বয্যের মধ্যে, ক্ষমতার দশোেভর মধ্যে লালিত হইয়াও পণ্যবতী শাহজাদীর এ দীনতা, ভাবিকতা, তাহার কল্পনাকে মগধ রাখিয়াছে চিরদিন । এখনও যেন বিশ বাস হয় না যে, সে যেখানে দাঁড়াইয়া আছে সেটা সত্যই জাহানারার কবর-ভূমি। পরে সে মসজিদ হইতে একজন প্রৌঢ় মাসলমানকে ডাকিয়া আনিয়া কবরের শিরোদেশের মাবেল ফলকের সেই বিখ্যাত ফাসী। কবিতাটি দেখাইয়া বলিল, মেহেরবানি কারকে পঢ়িয়ে, হাম লিখি লেঙ্গে । প্রৌঢ়টি কিঞ্চিং বকশিশের লোভে খামখেয়ালী বাঙালীবাবটিকে খশী করার