প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“অপরাজিত ২২৯ “ভাড়া দিতে রাজী আছে। অপর রাজী হইয়া ঘোড়া আনিতে বলতে লোকটা বিস্মিত হইল। আর BB DBDBDD BDYS SDD DD BBBB EEED DDBD DBDB S ਲ নাছোড়বান্দা । সামনের এই সন্দর জ্যোৎস্নাভিরা রাত্রে জঙ্গলের পথে ঘোড়ায় চাপিয়া যাওয়ার একটা দদািমনীয় লোভ তাহাকে পাইয়া বসিল-জীবনে এ সংযোগ কটা আসে, এ র্কি ছাড়া যায় ? গোঁড় লোকটি জানাইল, আরও একটাকা খোরাকি পাইলে সে তলপি বাহিতে রাজী আছে। সন্ধ্যার কিছু পাবে আপ ঘোড়ায় চড়িয়া রওঁনা হইল-পিছনে মোট-মাথায় লোকটা । ন্নিগৰ্থ রাত্রি-স্টেশন হইতে অনুপদরে একটা বস্তি, একটা পাহাড়ী নালা, বাঁক ঘরিয়াই পথটা শাল-বনের মধ্যে ঢুকিয়া পড়িল! চারিধারে জোনাকি পোকা জলিতেছে। --রাত্রির অপব নিম্ন তবধতা, ত্রয়োদশীর চাঁদের আলো শালপলাশের পাতার ফাঁকে ফাঁকে মাটির উপর যেন আলো-অাঁধারের বাটি-কাটা জাল বানিয়া দিয়াছে। অপ; পাহাড়ী লোকটার নিকট হইতে একটা শালপাতার পাইপ ও সে-দেশী তামাক চাহিয়া লইয়া ধরাইল বটে, কিন্তু দ'টান দিতেই মাথা কেমন ঘরিয়া উঠিল-শালপাতার পাইপটা ফেলিয়া দিল । বন সত্যই ঘন -পথ অাঁকা বাঁকা, ছোট ঝরণা এখানে-ওখানে, উপল বিছানো পাহাড়ী নদীর তীরে ছোট ফানের ঝোপ, কি ফলের সবাস, রাত্রিচর পাখির ডাক । নিজনিতা, গভীর নিজনতা ! মাঝে-মাঝে সে ঘোড়াকে ছটাইয়া দেয়, ঘোড়া-চড়া অভ্যাস তাহার অনেকদিন হইতে আছে । বাল্যকালে মাঠের ছটা ঘোড়া ধরিয়া কত চড়িয়াছে, চাঁপদানিীতেও ডাক্টারবাবটির ঘোড়ায় প্রায় প্রতিদিনই চড়িত । সারারাত্ৰি চলিয়া সকাল সাড়ে সাতটায় উমেরিয়া পৌছিল । একটা ছোট ফুচ্‌মুট-পুস্টিফিস, ছোট বাজার ও কয়েকটা গালার আড়ত । ফরেস্ট রেঞ্জার ঔহলোকটির নাম অঞ্চনীমোহন বস। তিনি তাহাকে দেখিয়া বিস্মিত হইলেন - আসন, আসন, আপনি পত্র দিলেন না, কিছ না, ভাবলাম বোধ হয় এখনও BDBDB D DBYJADD BB MD DDuDuD0 S DD BBDD LLD আপনি ! পথেই একটা ছোট নদীর জলে স্নান করিয়া চুল আচড়াইয়া সে ফিটফাট হইয়া আসিয়াছে । তখনই চা খাবারের বন্দোবস্ত হইল। আপ লোকটিকে নিজের মনিব্যাগ শান্য করিয়া চার টাকা দিয়া বিদায় দিল । দাপরের আহারের সময় অবনীবাবার সন্ত্রী দজনকে পরিবেশন করিয়া খাওয়াইলেন । * অপ, হাসিমখে বলিল, এখানে আপনাদের জবালাতন করতে এলাম বৌঠাকরণ ! অবনীবাবার সন্ত্রী হাসিয়া বলিলেন, না এলে দঃখিত হতাম-আমরা কিন্তু জানি আপনি আসবেন । কাল ওকে বলছিলাম। আপনার আসবার কথা, “এমন কি আপনার থাকবার জন্যে সাহেবের বাংলোটা ঝাঁট দিয়ে ধয়ে রাখার কথাও