প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


surfurfare SSh পরে সে বলিল-আমি সাত তারিখে পাটনায় যাব, বা বলে, তোমাকে আর মোকে এসে নিয়ে যাব মাস-দাই পরে, সনেীতি। তোমার বাবাকে বলে রেখেছি। মেয়েটি নতমখে বলিল-আচ্ছ একটা কথা বলব ? কিছ মনে করবে না ?” --বেল না, কি মনে করব ?-- -আচ্ছা, আমার এই পা নিয়ে তুমি যে বিয়ে করলে, যদি আমার পা না সারে ? দ্যাখ, তোমার গা ছয়ে সত্যি বলছি আমার ইচ্ছে ছিল না বিয়ের । মাকে কতবার বঝিয়ে বলেছি, মা এই তো আমার পায়ের দশা, পরের ওপর অনাথক কেন” বোঝা চাপানো সারাজীবন-তা মা বললেন তুমি নাকি খব --তোমার নাকি খাব ইচ্ছে। আচ্ছা কেন বল তো এ মাতিতোমার হ’ল ? , দেবব্রত বলিল-স্পষ্ট কথা বললে তুমিও কিছ মনে করবে না। সনেীতি ? তাহলে বলি শোন, তোমার এই পায়ের দোষ যদি না হত। তবে আমি অন্য জায়গায় বিয়ে ক’রে ফেলতুম-যেদিন থেকে শানেছি পায়ের দোষের জন্য তোমার * বিয়ে এই তিন বছরের মধ্যে হয় নি-সেদিন থেকে আমার মন বলেছে। ওখানেই বিয়ে করব, নয় তো নয় । অন্য জায়গায় বিয়ে করলে মনে শান্তি পেতাম না। সনিীতি। সেই ষে তোমাকে দেখে গিয়েছিলাম, তারপর বিয়ে তখন ভেঙে গেল, কিন্তু তোমার মািখখানা কতবার যে মনে হয়েছে - ‘কেন কে জানে-আমি কাব্যি করছি নে সনেীতি, ওসব আমার আসে না, আমি সত্যি কথা বলছি। তারপর সে আজ ওবেলার চাটুয্যে-বাড়ির বিধবা মেয়েটির কথা বলিল । বলিল --দাখ এও তো কাব্যের কথা নয়-আজ বিয়ের আসনে বসে কেবলই সেই ছোট মেয়েটার কথা মনে হয়েছে । ছোট পিসিমা তাকে তাড়িয়ে দিয়ে আজ আমার অধোঁক আনন্দ মাটি করেছেন সনেীতি -তোমার কাছে বলছি, আর কাউকে বলো না যেন । এ কেউ ব্যাকবে না, আমার মা-ও বোঝেন নি। शङ्ग्रिहठ छ्र छ९ बर्कान्नप्ता ब्राशि नशैफ्नो बाछिल । কাজলের মশকিল বাধে।” রোজ সন্ধ্যার সময় । খাওয়া-দাওয়া হইয়া গেলে তাহার মামৗমা বলেন, ওপরে চলে যাও, শায়ে পড় গিয়ে । কাজল বিপন্নমখে রোয়কের কোণে দাঁড়াইয়া শীতে ঠিক-ঠক করিয়া কাঁপিতে থাকে। ওপরে কেউ নাই, মধ্যে একটা অন্ধকার সিড়ি, তাহার উপর দোতলায় পাশের ঘরটিতে আলনায় একরাশ লেপকাঁথা বাঁধা আছে। আধ-অন্ধকারে সেগলো এমন দেখায় ! আগে আগে দিদিমা সঙ্গে করিয়া লইয়া গিয়া ঘাম পাড়াইয়া ও রাখিয়া আসিতেন ! দিদিমা আর নাই, মামৗমারা খাওয়াইয়া দিয়াই খালাস। সেদিন সে সেজ দিদিমাকে বলিয়াছিল । তিনি ঝঞ্জকার দিয়া বলিয়া উঠিলেন, আমার তো আর খেয়ে দেয়ে কােজ নেই, এখন তোমায় যাই শোওয়াতে ৷ একা এটুকু আর যেতে পারেন না, সেদিন তো পীরপরের হাটে একা পালিয়ে যেতে পেরেছিলে ? নিরাপায় হইয়া ভয়ে ভয়ে সিড়ি বাহিয়া সে উপরে উঠে। কিন্তু ঘরে ঢুকিতে আর সাহস না করিয়া প্রথমটা দোরের কাছে দাঁড়াইয়া থাকে। কোণে কড়ির