প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


बभाविड BBBOS BOODBDBS SDD BB S BDBS DS DYS SzBBB মিছরিপানার গেলাসটা যে ! সে দিশেহারা অবস্থায় টুকরাগালো তাড়াতাড়ি খটিয়া খটিয়া তুলিল; পরে অন্য জায়গায় ফোঁ; লে পাছে কেটের পায়, তাই তাড়াতাড়ি আরব্য উপন্যাস যাহার মধ্যে আছে সেই বড়-কাঠের সিন্দাকটার পিছনে গোপনে রাখিয়া দিল । এখন সে কি করে । কাল যখন গোলাসের খোঁজ পড়িবে বিকালবেলা, তখন সে কি জবাব দিবে ?, কাহারও কাছে কোন কথা বলিল না, বাকী দিনটুকু ভাবিয়া ভাবিয়া কিছ: ঠিক করিতেও পারিল না ; এক জায়গায় বসিতে পারে না, ডুদ্বিগ্ন মখে ছটফট করিয়া বেড়াগ্ন-ঐ রকম একটা গেলাস আর কোথাও পাওয়া যায় না ? একবার সে এক খেলড়ে বন্ধকে চুপি চুপি বলিল-ভাই তো-তোদের বাড়ি একটা পাথরের গো-গেলাস আছে ? কোথায় সে এখন পায় একটা শোিবত পাথরের গেলাস ? রাত্রে একবার তাহার মনে হইল সে বাড়ি ছাড়িয়া পলাইয়া যাইবে । কলিকাতা কোন দিকে ? সে বাবার কাছে চলিয়া যাইবে কলিকাতায়-কাল বৈকালের পাবেই। কিন্তু রাত্রে পালানো হইল না। নানা দঃস্বপ্ন দেখিয়া সে সকালে ঘাম ভাঙিয়া উঠিল, দাই-তিন বার কাঠের সিন্দাকটার পিছনে সন্মাপণে উকি মারিয়া দেখিল, গোলাসের টুকরাগলা সেখান হইতে কেহ বাহির করিয়াছে কিনা। বড় মামীিমার সামনে আর যায় না, পাছে গেলাসটা কোথায় জিজ্ঞাসা করিয়া বসে । দাপরের কিছু পর বাড়ির রাস্তা দিয়া কে একজন সাইকেল চড়িয়া যাইতেছে দেখিয়া সে নাট-মন্দিরের বেড়ার কাছে ছটিয়া দেখিতে গোল-কিন্তু ‘সাইকেল দেখা তাহার হইল না, নদীর বাঁধাঘাটে একখানা কাহাদের ডিঙিনৌকা লাগিয়াছে, একজন ফস চেহারার লোক একটা ছড়ি ও ব্যােগ হাতে ডিঙি হইতে নামিয়া ঘাটের সিড়িতে পা দিয়া মাঝির সঙ্গে কথা কহিতেছে-কাজল অবাক হইয়া ভাবিতেছে, লোকটা কে, এমন সময় লোকটা মাঝির সঙ্গে কথা শেষ করিয়া এদিকে মািখ ফিরাইল । সঙ্গে সঙ্গে কাজল অলপক্ষণের জন্য চোখে যেন ধোঁয়া দেখিল, STBBBDDBS BB DDLBO DBDD BDuD DDBDB DDD DBB DDDD DDD বাঁধাঘাটের দিকে হুটিল। যদিও অনেক বছর পরে দেখা, তবও কাজল চিনিয়াছে লোকটিকে-তােহর বাবা ! অপ, খলনার স্টীমার ফেল করিয়াছিল। নত বা সে কাল রাত্রেই এখানে পেস্থিত। সে মাঝিদের জিজ্ঞাসা করিতেছিল, পরশ ভোরে নৌকা এখানে আনিয়া তাহাকে বরিশালের মটীমার ধরাইয়া দিতে পরিবে কিনা। কথা শেষ করিয়াই ফিরিয়া চাহিয়া সে দেখিল একটি ছোট সশ্রী বালক ঘাটের দিকে দৌড়িয়া আসিতেছে । পুরক্ষণেই সে চিনিল। আজ সারা পথ নৌকায় সে ছেলের কথা ভাবিয়াছে, না জানি সে কত বড় হইয়াছে, কেমন দেখিতে হইয়াছে, তাহাকে ভুলিয়া গিরাছে, না মনে রাখিয়াছে ! ছেলের আগেকার চেহারা তােহর মনে ছিল না। এই সকেদর বালকটিকে দেখিয়া সে যােগপৎ প্রীত ও বিধিমত হুইল-তাহার সেই তিন বছরের ছোট খোকা এমন সদশ্যন লাবণ্য ভরা বালকে পরিণত