প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


•ፍ፱ዩ፡ জপজিন্ত সেদিনকার সেই জানালার পাশের খাটেই লীলা শ্যইয়া। সংজ্ঞা নাই, পাণ্ডুর, কেমন যেন বিবণী-ঠোঁট ঈষৎ নীল। একখানা হাত খাটের বাহিরে ঝলিতেছিল -সে তুলিয়া দিল। গায়ে রেশমের বরাফি-কাটা বিলাতী লেপ। কি অপােবাঁ যে দেখাইতেছে লীলাকে "মরণাহত মাতুপান্ডুর মাখের সৌন্দৰ্য যেন এ পথিবীর নয়-কিংবা হরিদ্রাভি হাতীর দাঁতে খোদাই মািখ যেন। দেবীর মত সৌন্দৰ্য আরও অপাথিবি হইয়া উঠিয়াছে। তাহার মনে হইল। লীলা ঘামিতেছে। তবে বোধ হয়। আর ভয় নাই, বিপদ কাটিয়া গিয়াছে । চাপি চাপি বলিল-ঘামছে কেন ? ডাক্তারবাব বললেন-ওটা মারফিয়ার সিমটম। মিনিট-দশ কাটিল। অপ বাহিরের বারান্দাতে আসিয়া দাঁড়াইল। পাশের “ঘরে লোকেরা একবার ঢুকিতেছে, আবার বাহির হইতেছে, অনেকেই আসিয়াছে, BDB DDD tD DBDBDB D DD S D DDDD DBEESDDBB B মাত্র কােল এখান হইতে বর্ধমানে কি কাজে গিয়াছেন । লীলা সত্যই অভাগিনী ! এমন সময় নীচে একটা গোলমাল । একখানা গাড়ির শব্দ উঠিল । ডাক্তার সাহেব আসিয়াছেন-তিনি উপরে উঠিয়া আসিলেন, পিছনে কেদারবাব ও কিমলেন্দা। অনেকেই ঘরে ঢুকিতে যাইতেছিল, কেদারবাব নিষেধ করিলেন। মিনিট সাতেক পরে ডাক্তার সাহেব চলিয়া গেলেন। বলিয়া গেলেন- Too late, কোনও আশা নাই । আরও আধঘণ্টা। এত লোক। -আপ ভাবিল, ইহারা এতকাল কোথায় g? WATES too late ! Too late !"*** লীলা মারা গেল বেলা দশটায়। অপ, তখন খাটের পাশেই দাঁড়াইয়া। এতক্ষণ লীলা চোখ বজিয়াই ছিল, সে সময়টা হঠাৎ চোখ মেলিয়া চাহিল। --তারা -গলা বড় বড়, তাহার দিকেও চাহিল, অপর দেহে যেন বিদ্যুৎ খেলিয়া গেললীলা তাহাকে চিনিয়াছে বোধ হয় ৷-“কিন্তু পরীক্ষণেই দেখিল-দৰ্দিষ্ট অৰ্থহীন, আভাহীন, উদাসীন, অথবাভাবিক। তারপরই লীলা যেন চোখ তুলিয়া কড়িকাঠে, সেখান হইতে আরও অস্বাভাবিকভাবে মাথার শিয়রে কানিসের বিটের দিকে ইচ্ছা! DDD D BDBB D BOK DDBDDYiBDDDD DBB BBB BDB চোখ ঘরাইতে পারে না । তারপরেই সবাই ঘরের বাহির হইয়া আসিল । কেবল বিমলেন্দ ছেলেমানষের भऊ bौदकाल कड़िशा कॉमिक्षा ऐलि। অপও ফিরিল । হায়রে পাপ, হায় পণ্য ! কে মানদণ্ডে তোেল করিবে ? মািখ-মাখ-মাখ-মাখ‘লীলার বিচার করিবে কে ? এই সব মাখের দল ? দঃখের মধ্যে তাহার হাসি আসিল ।