প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/২৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


versistfurs दाश्भ পৱিচ্ছেদ কাজল এই কয়মাসেই বেশ লেখাপড়া শিখিয়াছে । বাড়িতেই পড়ে-অনেক সময় নিজের বই রাখিয়া বাবার বইগলির পাতা উলটাইয়া দেখে। আজকাল বাবা কি কাজে প্রায় সর্বদাই বাহিরে বাহিরে ঘরিয়া বেড়ায়, এইজন্য বাবার কাজও সে অনেক করে । 制 বাসায় অনেকগলো বিড়াল জটিয়াছে। সে যখন প্রথম আসিয়াছিল তখন ছিল একটা মাত্র বিড়াল-এখন জটিয়াছে আরও গোটা তিন । কাজল খাইতে বসিলেই পাতের কাছে সবগলা আসিয়া জোটে । তাহারা ভাত খায় না, খায় শােধ মাছ। কাজল প্রথমে ভাবে কাহাকেও সে এক টুকরাও দিবে না-করক মিউ মিউ। কিন্তু একটু পরে একটা অলপবয়সের বিড়ালের উপর বড় দয়া হয়। এক টুকরা তাহাকে দিতেই অন্য সবগলা করণিসরে ডাক শার করে--কাজল ভাবে -আহা, ওরা কি বসে বসে দেখবে।--দিই ওদেরও একটু একটু ৷ একে ওকে দিতে কাজলের মাছ প্রায় সব ফরাইয়া স্নায়। বড়িয্যেদের ছেলে অন্য একটা বিড়ালছানাকে রাস্তার উপর দিয়া যে ইঞ্জিনা যায়, ওরাই তলায় ফেলিয়া দিয়াছিল-ভাগ্যে সেটা মরে নেই।--যে ইঞ্জিন চালায়, সে তৎক্ষণাৎ থামাইয়া ফেলে। কাজল আজকাল একটা কেরোসিন কাঠের বাক্সে বিড়ালগলির থাকিবার জায়গা করিয়া দিয়াছে । রাত্রে শইয়াই কাজল অমনি বলে,-গল্প বল বাবা । আচ্ছা বাবা, ওই যে রাস্তায় ইঞ্জিন চালায়-যারা, ওরা কি যখন হয় থামাতে পারে, যেদিকে ইচ্ছে চালাতে পারে ? সে মাঝে মাঝে গলির মাখে দাঁড়াইয়া বড় রাস্তার স্টীম রোলার চালাইতে দেখিয়াছে। যে লোকটা চালায় তাহার উপর কাজলের মনে মনে হিংসা হয় । কি মজা ওই কাজ করা ! যখন খাঁশি চালানো, যতদরি হয়, যখন খাশি থামানো । মাঝে মাঝে সিটি দেয়, একটা চাকা বসিয়া বসিয়া ঘোরায় । সব চুপ করিয়া আছে, BBB BDD DBLkBD DD LBOB BDD D DD BDD BKS এই সময়ে অপর হঠাৎ অসংখ হইল। সকালে অন্য দিনের মত আর বিছানা হইতে উঠিতেই পারিল না। -বাবা সকালে উঠিয়া মাদর পাতিয়া বসিয়া তামাক খায়, কাজলের মনে হয় সব ঠিক আছে -কিন্তু আজ বোলা দশটা বাজিল, বাবা এখনও শইয়া-জগৎটা যেন আর স্থিতিশীল নয়, নিত্য নয়-সব কি যেন হইয়া গিয়াছে। সেই রোদ উঠিয়াছে, কিন্তু রোদের চেহারা অন্য রকম, গলিটার চেহারা অন্য রকম, কিছ ভাল লাগে না, বাবার অসংখ এই প্রথম, বাবাকে আর কখনো সে অসস্থি দেখে নাই-কাজলের ক্ষদ্র জগতে সব যেন ওলট-পালট হইয়া গেল । সারা দিনটা কাটিল, বাবার সাড়া নাই, সংজ্ঞা নাই।--জবরে অজ্ঞান হইয়া পড়িয়া । কাজল পাউরটি কিনিয়া আনিয়া খাইল । সমাধ্যা কাটিয়া গেল। কাজল পরমানন্দ পানওয়ালার দোকান হইতে তেল পরিয়া আনিয়া লণ্ঠন জালিল । বাবা তখনও