প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:অপরাজিত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৩১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


veS veffers কিময়ে ও আনন্দে রানীর মািখ দিয়া কথা বাহির হইল না। অনেকক্ষণ। সঙ্গে সঙ্গে একটা ভগ্নও হইল। রন্ধ নিশবাসে বলিল-তোমার বাবা কাজল বলিল-বাবার সঙ্গেই তো কাল এলাম। গাঙ্গালীবাড়িতে এসে উঠলাম রাত্রে। বাবা ওদের বাইরের ঘরে বসে গল্প করচে, মেলা লোক দেখা করতে এসেচে। কিনা তাই ••• রানী দই হাতের তালার মধ্যে কাজলের সন্দের মখখানা লইয়া আদরের সারে বলিল-খোকন, খোকন ঠিক বাবার মত দেখতে-চােখ দটি অবিকল । তোমার বাবাকে এ পাড়ায় ডেকে নিয়ে এসো খোকন। বলগে রাণপিসি ডাকাচ। সন্ধ্যার আগেই ছেলের হাত ধরিয়া অপর রানীদের বাড়ি ঢুকিয়া বলিলকোথায় গেলে রাণাদি, চিনতে পাের ?--রাণ, ঘরের ভিতর হইতে ছটিয়া আসিল, অবাক হইয়া খানিকক্ষণ তাহার দিকে চাহিয়া রহিল, বলিল-মনে করে যে a এতকাল পরে ?--তা ও-পাড়ায় গিয়ে উঠলি কেন ? গাঙ্গালীরা আপনার লোক হ’ল তোর ?” “পরে লীলাদির মত সেও কাঁদিয়া ফেলিল । কি অদ্ভুত পরিবতন। অপও অবাক হইয়া দেখিতেছিল, চৌদ্দ বছরের সে বালিকা রাণাদি কোথায়! বিধবার বেশ, বাল্যের সে লাবণ্যের কোনও চিহ্ন না। থাকিলেও রানী এখনও সন্দেরী । কিন্তু এ যেন সম্পপণ্য অপরিচিত, শৈশবসঙ্গিনী সোণাদির সঙ্গে ইহার মিল কোথায় ?--এই সেই রাশদি • • • সে কিন্তু সকলোয় অপেক্ষা আশচন্ধ হইল ইহাদের ধাড়িটার পরিবর্তন দেখিয়া । ভুবন মািখধ্যেরা ছিলেন অবস্থাপন্ন গহস্থ, ছেলেবেলার সে उप्रार्कै--* {, প্রকাণ্ড চণ্ডীমণ্ডপ, গরীবাছার, লোকজনের কিছ. माई । 5*5ीभ*७toल छिा মাত্র পড়িয়া আছে, পশ্চিমের কোঠা ভাঙিয়া কাহারা हैं कईवा शिक्षाgछ-वाट्रिाद्ध ভাঙা, ধনসা, ছন্নছাড়া চেহারা, এ কি অদ্ভুত পরিবতন ? রানী সজলচোখে বলিল-দেখছিস কি, কিছ নেই। আর । মা বাবা মারা গেলেন, টুনি, খড়ীমা এরাও গেলেন, সতুর মা-ও মারা গেল, সত্যু মানৱষ হ’ল না তো, এতদিন বিষয় বেচে বেচে চালাচ্ছে। আমরাও অপ, বলিল-হ্যাঁ, লীলাদের কাছে সব শািনলাম সেদিন কাশীতে-কাশীতে ? দিদির সঙ্গে দেখা হয়েছে তোর ? কিবে-কবে ?-- পরে অপর মাখে সব শানিয়া সে ভারী খশী হইল। দিদি আসিতেছে তাহা হইলে ? কতকাল দেখা হয় নাই। রানী বলিল—বোঁ কোথায় ? বাসায়-তোর কাছে ? আপ হাসিয়া বলিল – স্বগে । —ও আমার কপাল! কত দিন ? বিয়ে করিস নি। আর ?••• সেই দিনই আবার বৈকালে চড়ক । আর তেমন জাঁকজমক হয় না, চড়ক গাছ পতিয়া কেহ ঘরপাক খায় না। সে বালামন কোথায়, মেলা দেখার অধীর আনন্দে ছটিয়া যাওয়া-সে মনটা আর নাই, কেবল সে-সব অৰ্থহীন। আশা, }ৎসাহ, অপােব অনভূতির স্মতিটা মাত্র আছে। এখন যেন সে * श्र